গল্পে আঁকা ইতিহাস ৪ -দুই ভাইয়ের গল্প
লেখকঃ আলী তানতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
আহমদ আবার এগিয়ে এলো
বেশ পরের কথা বলছি। আহমদের ব্যবসা-বাণিজ্য এখন আরো প্রসারিত হয়েছে। সে এখন ‘কারখ’ শহরের মস্ত বড় ব্যবসায়ী। তার মন ছিলো কোমল ও দয়ালু। তাই ভাইয়ের শত দুর্ব্যবহার সত্ত্বেও সে ভাইকে ভুলে থাকতে পারলো না। তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো। পরিচয় গোপন করে গোপনে তাকে সাহায্য করে যেতে লাগলো। কখনো দশ দিরহাম, কখনো বিশ দিরহাম।
ব্যবসার উদ্দেশ্যে একবার আহমদ বাগদাদ যাওয়ার আয়োজন করলো। বাগদাদের পথে রওয়ানা হওয়ার পূর্বে সে খালাফকে ডেকে বললো, “তুমি আমার ভাই। আমি নিজের জন্যে যা পছন্দ করি তোমার জন্যে ঠিক তাই পছন্দ করি। তুমি যদি এখন থেকে আমার কথা মেনে চলো, বর্তমান অবস্থা থেকে ফিরে এসো, নিজেকে সংশোধন করো, তাহলে প্রতি মাসে আমি তোমাকে একশ দিনার করে দেবো।’
ভাইয়ের কাছ থেকে অমন অভাবনীয় প্রস্তাব পেয়ে খালাফ মহা খুশি। পেছনের সকল ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্যে সে সাথে সাথে ক্ষমা চাইলো। অনুশোচনা প্রকাশ করলো। লজ্জিত হলো। ভাইয়ের কাছে প্রতীজ্ঞা করলো- ভবিষ্যতে আর কখনো সে তার অবাধ্য হবে না। অন্যায় পথে চলবে না। নষ্ট বন্ধুদের সঙ্গে মিশবে না।
খালাফের এই পরিবর্তনে আহমদ বেশ খুশি হলো। ভাবলো ভাইটি তো তার বেশ বদলে গেছে। পেছনের সবকিছু থেকে সরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। আহমদ একশ দিনার প্রদানের ঘোষণা থেকে আরো কয়েক ধাপ সামনে বেড়ে নিজের ব্যবসার সাথেই খালাফকে জড়িত করার চিন্তা করতে লাগলো। নিজের শ্যালিকাকে তার কাছে বিবাহ দেয়ার কথাও ভাবতে লাগলো। শুধু তাই নয়; এ-সব ভাবতে ভাবতে নিঃস্ব খালাফকে নিজের বাসভবনেই থাকার জায়গা করে দিলো। কেননা ততোদিনে খালাফের ঘরে নেমে এসেছিলো জরাজীর্ণ দশা।
ব্যবসার উদ্দেশ্যে একবার আহমদ বাগদাদ যাওয়ার আয়োজন করলো। বাগদাদের পথে রওয়ানা হওয়ার পূর্বে সে খালাফকে ডেকে বললো, “তুমি আমার ভাই। আমি নিজের জন্যে যা পছন্দ করি তোমার জন্যে ঠিক তাই পছন্দ করি। তুমি যদি এখন থেকে আমার কথা মেনে চলো, বর্তমান অবস্থা থেকে ফিরে এসো, নিজেকে সংশোধন করো, তাহলে প্রতি মাসে আমি তোমাকে একশ দিনার করে দেবো।’
ভাইয়ের কাছ থেকে অমন অভাবনীয় প্রস্তাব পেয়ে খালাফ মহা খুশি। পেছনের সকল ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্যে সে সাথে সাথে ক্ষমা চাইলো। অনুশোচনা প্রকাশ করলো। লজ্জিত হলো। ভাইয়ের কাছে প্রতীজ্ঞা করলো- ভবিষ্যতে আর কখনো সে তার অবাধ্য হবে না। অন্যায় পথে চলবে না। নষ্ট বন্ধুদের সঙ্গে মিশবে না।
খালাফের এই পরিবর্তনে আহমদ বেশ খুশি হলো। ভাবলো ভাইটি তো তার বেশ বদলে গেছে। পেছনের সবকিছু থেকে সরে আসার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। আহমদ একশ দিনার প্রদানের ঘোষণা থেকে আরো কয়েক ধাপ সামনে বেড়ে নিজের ব্যবসার সাথেই খালাফকে জড়িত করার চিন্তা করতে লাগলো। নিজের শ্যালিকাকে তার কাছে বিবাহ দেয়ার কথাও ভাবতে লাগলো। শুধু তাই নয়; এ-সব ভাবতে ভাবতে নিঃস্ব খালাফকে নিজের বাসভবনেই থাকার জায়গা করে দিলো। কেননা ততোদিনে খালাফের ঘরে নেমে এসেছিলো জরাজীর্ণ দশা।