৬
জাল জয়িফ হাদিস সিরিজ" تنكبوا الغبار فإنه منه تكون النسمة ".
لا أعلم له أصلا.
বর্ণনাকারীথেকে বর্ণিতঃ
ধূলিকণা হতে তোমরা বেঁচে চল, কারণ ধূলিকণা হতেই জীবাণু সৃষ্টি হয়।
হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।
ইবনুল আসীর (আরবি) মাদ্দায় “আন-নেহায়া” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেন যে, এটি হাদীস! কিন্তু মারফূ হিসাবে এটির কোন ভিত্তি সম্পর্কে জানি না।
তবে আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে মাওকূফ হিসাবে ইবনু সা’দ “তাবাকাতুল কুবরা” গ্রন্থে (৮/২/১৯৮) বর্ণনা করেছেন।
তা সত্ত্বেও কয়েকটি কারণে সনদের দিক থেকে হাদীসটি সহীহ নয় :
১। ইবনু সা’দ মাধ্যম হিসাবে তার শাইখের নাম উল্লেখ করেননি। অর্থ্যাত মু’য়াল্লাক হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
২। এছাড়া সনদে উল্লেখিত আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ-এর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে, যদিও বুখারী তার থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেন :
তিনি নিজে সত্যবাদী ছিলেন, কিন্তু তার প্রতিবেশীর পক্ষ হতে তার হাদীসে মুনকারের প্রবেশ ঘটেছে। তিনি বলেন : আমি ইবনু খুজায়মাকে বলতে শুনেছি : প্রতিবেশীর সাথে তার শত্রুতা ছিল। এ কারণে প্রতিবেশী ইবনু সালেহের শাইখের উদ্ধৃতিতে নিজের হাতে লিখে হাদীস জাল করতো এবং (আব্দুল্লাহর হাতের লিখার সাথে তার হাতের লিখার মিল ছিল) সে হাদীসকে আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহের বাড়ীতে তার গ্রন্থগুলোর উপর ফেলে দিত। ফলে আব্দুল্লাহ তার লিখাকে নিজের হাতের লিখা মনে করতেন এবং তিন তাকে হাদীস হিসাবে বর্ণনা করতেন।
হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।
ইবনুল আসীর (আরবি) মাদ্দায় “আন-নেহায়া” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেন যে, এটি হাদীস! কিন্তু মারফূ হিসাবে এটির কোন ভিত্তি সম্পর্কে জানি না।
তবে আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে মাওকূফ হিসাবে ইবনু সা’দ “তাবাকাতুল কুবরা” গ্রন্থে (৮/২/১৯৮) বর্ণনা করেছেন।
তা সত্ত্বেও কয়েকটি কারণে সনদের দিক থেকে হাদীসটি সহীহ নয় :
১। ইবনু সা’দ মাধ্যম হিসাবে তার শাইখের নাম উল্লেখ করেননি। অর্থ্যাত মু’য়াল্লাক হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
২। এছাড়া সনদে উল্লেখিত আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ-এর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে, যদিও বুখারী তার থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেন :
তিনি নিজে সত্যবাদী ছিলেন, কিন্তু তার প্রতিবেশীর পক্ষ হতে তার হাদীসে মুনকারের প্রবেশ ঘটেছে। তিনি বলেন : আমি ইবনু খুজায়মাকে বলতে শুনেছি : প্রতিবেশীর সাথে তার শত্রুতা ছিল। এ কারণে প্রতিবেশী ইবনু সালেহের শাইখের উদ্ধৃতিতে নিজের হাতে লিখে হাদীস জাল করতো এবং (আব্দুল্লাহর হাতের লিখার সাথে তার হাতের লিখার মিল ছিল) সে হাদীসকে আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহের বাড়ীতে তার গ্রন্থগুলোর উপর ফেলে দিত। ফলে আব্দুল্লাহ তার লিখাকে নিজের হাতের লিখা মনে করতেন এবং তিন তাকে হাদীস হিসাবে বর্ণনা করতেন।