বিসমিল্লাহ্
ওযু ও তায়াম্মুম
أذكار الوضوء والتيمم
হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ওযুর শুরুতে আল্লাহর নাম স্মরণ করে না, তার ওযু (পূর্ণাঙ্গ) হয় না।
بِسْمِ اللَّهِ
উচ্চারণ
অনুবাদ
আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।
ফযিলত ও গুরুত্ব
ওযু শুরু করার সময় বিসমিল্লাহ বলা সুন্নাত।
রেফারেন্স:সুনানে আবু দাউদ: ১০১, সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩৯৭, সহীহুল জামে: ৭৪৪৪
‘উকবাহ্ ইবনু ‘আমির আল জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, 'তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযু করে এই দোয়াটি পড়বে,
أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
উচ্চারণ
আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।
অনুবাদ
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।
ফযিলত ও গুরুত্ব
তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে; সে যে কোনোটি দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে।
রেফারেন্স:সহীহ মুসলিম: ২৩৪, জামে' আত-তিরমিজি: ৫৫
ইমাম তিরমিজি (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, ওযুর শেষে কালিমা শাহাদাত পাঠ করার পর এই দোয়াটি পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ
উচ্চারণ
আল্লাহুম্মাজ-আলনী মিনাত তাউওয়াবীন ওয়াজ-আলনী মিনাল মুতাত্বহহিরীন।
অনুবাদ
হে আল্লাহ! আপনি আমাকে তওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।
ফযিলত ও গুরুত্ব
তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেওয়া হবে। সে নিজ ইচ্ছামত যে কোন দরজা দিয়েই তাতে যেতে পারবে।
রেফারেন্স:সুনানে তিরমিজি: ৫৫
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি ওযু শেষ করে এই দোয়াটি পড়বে,
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ
উচ্চারণ
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আসতাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইকা।
ফযিলত ও গুরুত্ব
তা একটি কাগজে লিখে মোহর মেরে দেওয়া হবে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তা আর খোলা হবে না (অর্থাৎ এর সওয়াব সংরক্ষিত থাকবে)।
রেফারেন্স:সুনানে নাসাঈ (আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লাহ): ৮১, (ত্বাহাবী, সহিহ তারগিব ২১৮নং, ইরওয়াউল গালীল, আলবানী ১/১৩৫, ৩/৯৪)