hadith book logo
হোমদোয়া ভান্ডারপানাহার (খাদ্য ও পানীয়)
সব ক্যাটাগরি•৯ টি দোয়া

পানাহার (খাদ্য ও পানীয়)

أذكار الطعام والشراب

১
পানীয় গ্রহণের দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যাকে আল্লাহ দুধ পান করান সে যেন বলে...

اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ وَزِدْنَا مِنْهُ
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফীহি ওয়া যিদনা মিনহু

অনুবাদ
হে আল্লাহ! আপনি এতে আমাদের জন্য বরকত দিন এবং আমাদের জন্য এটি আরও বাড়িয়ে দিন।
ফযিলত ও গুরুত্ব

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, দুধ ছাড়া অন্য কোনো খাদ্য পানীয়ের স্থলাভিষিক্ত হয় না।

রেফারেন্স:সুনানে আবু দাউদ: ৩৭৩০, সুনানে তিরমিযী: ৩৪৫৫
২
খাবার শেষের দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি খাবার খাওয়ার পর এই দোয়াটি পড়বে, তার পূর্বের সকল (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ
উচ্চারণ

আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আতআমানী হাযা ওয়া রাযাকানীহি মিন গাইরি হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুওয়্যাহ

অনুবাদ
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এই খাবারটি খাওয়ালেন এবং আমার কোনো চেষ্টা ও সামর্থ্য ছাড়াই এটি আমাকে রিযিক হিসেবে দান করলেন।
রেফারেন্স:সুনানে আবু দাউদ: ৪০২৩, সুনানে তিরমিযী: ৩৪৫৮
৩
মেজবানের জন্য দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) সাদ ইবনে উবাদাহ (রাঃ)-এর নিকট ইফতার করার পর এই দোয়াটি পাঠ করেন...

أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الأَبْرَارُ، وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلائِكَةُ
উচ্চারণ

আফতারা ইনদাকুমুস সা-ইমূন, ওয়া আকালা তায়ামাকুমুল আবরার, ওয়া সাল্লাত আলাইকুমুল মালাইকাহ

অনুবাদ
তোমাদের নিকট রোযাদাররা ইফতার করুক, নেককার লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করুক এবং ফেরেশতারা তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করুক।
রেফারেন্স:সুনানে আবু দাউদ: ৩৮৫৪
৪
মেজবানের জন্য দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

আব্দুল্লাহ ইবনে বুসর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার পিতার ঘরে খাবার খেয়ে তাদের জন্য এই দোয়া করেছিলেন...

اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ، وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা বারিক লাহুম ফীমা রাযাকতাহুম, ওয়াগফির লাহুম ওয়ারহামহুম

অনুবাদ
হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছেন তাতে বরকত দান করুন, তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং তাদের প্রতি দয়া করুন।
রেফারেন্স:সহীহ মুসলিম: ২০৪২
৫
খাবার শুরুর দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যদি কেউ খাবারের শুরুতে আল্লাহর নাম নিতে ভুলে যায়, তবে সে যেন বলে...

بِسْمِ اللَّهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ
উচ্চারণ

বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু

অনুবাদ
শুরুতে এবং শেষে আল্লাহর নামেই (শুরু করছি)।
ফযিলত ও গুরুত্ব

খাবারের মাঝখানে মনে পড়লে এই দোয়াটি পাঠ করতে হয়।

রেফারেন্স:সুনানে আবু দাউদ: ৩৭৬৭, সুনানে তিরমিযী: ১৮৫৮
৬
খাবার শেষের দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) যখন দস্তরখান উঠাতেন তখন বলতেন...

الْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ غَيْرَ مَكْفِيٍّ وَلَا مُوَدَّعٍ وَلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا
উচ্চারণ

আলহামদু লিল্লাহি হামদান কাসীরান তায়্যিবাম মুবারাকান ফীহি, গাইরা মাকফিয়্যিন ওয়ালা মুওয়াদ্দা-ইন ওয়ালা মুসতাগনান আনহু রাব্বানা

অনুবাদ
আল্লাহর জন্য অনেক অনেক প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতময়। হে আমাদের রব! আমরা আপনার এই নেয়ামতকে যথেষ্ট মনে করে ছেড়ে দিচ্ছি না এবং এর থেকে অমুখাপেক্ষীও হয়ে যাচ্ছি না।
রেফারেন্স:সহীহ বুখারী: ৫৪৫৮
৭
ইফতারের দোয়ারোযা ও ইফতার

ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন...

ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
উচ্চারণ

যাহাবায যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ

অনুবাদ
পিপাসা মিটেছে, শিরা-উপশিরা সিক্ত হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ পুরস্কার (সওয়াব) নির্ধারিত হয়েছে।
রেফারেন্স:সুনানে আবু দাউদ: ২৩৫৭
৮
পানীয় গ্রহণের দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ যমযমের পানি যে উপকার লাভের আশায় পান করা হবে, তা অর্জিত হবে।

রেফারেন্স:সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩০৬২
৯
খাবার শুরুর দোয়াখাবার ও পানীয় গ্রহণের আদব

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ খাবার খেতে শুরু করে, তখন সে যেন আল্লাহর নাম স্মরণ করে।

بِسْمِ اللَّهِ
উচ্চারণ

বিসমিল্লাহ

অনুবাদ
আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।
ফযিলত ও গুরুত্ব

খাবার শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা সুন্নাত।

রেফারেন্স:সুনানে আবু দাউদ: ৩৭৬৭, সুনানে তিরমিযী: ১৮৫৮