সহীহঃ কিন্তু তার বক্তব্যঃ (লালিমা দূরীভূত হওয়ার সময়) কথাটি শায। মাহফুয হচ্ছেঃ (লালিমা দূরীভূত হওয়ার পর)।
সুনানে আবু দাউদ: হাদিস ১২১২
৪. সফরকালীন সালাত
سنن أبي داود
১/৫ পরিচ্ছেদঃ
এ সম্পর্কে অনুমতি প্রসঙ্গে
১২১২
সুনানে আবু দাউদحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْمُحَارِبِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ نَافِعٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَاقِدٍ، أَنَّ مُؤَذِّنَ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ الصَّلاَةُ . قَالَ سِرْ سِرْ . حَتَّى إِذَا كَانَ قَبْلَ غُيُوبِ الشَّفَقِ نَزَلَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ ثُمَّ انْتَظَرَ حَتَّى غَابَ الشَّفَقُ وَصَلَّى الْعِشَاءَ ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا عَجِلَ بِهِ أَمْرٌ صَنَعَ مِثْلَ الَّذِي صَنَعْتُ فَسَارَ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ مَسِيرَةَ ثَلاَثٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ ابْنُ جَابِرٍ عَنْ نَافِعٍ نَحْوَ هَذَا بِإِسْنَادِهِ .
‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু ওয়াক্বিদ (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
একদা ইবনু ‘উমার (রাঃ) এর মুয়াযযিন ‘আস-সলাত’ বললে তিনি বলেন, চলো, এগিয়ে চলো! ইতিমধ্যে লালিমা দূরীভূত হবার সময় হলে তিনি (বাহন থেকে) নেমে মাগরিবের সলাত আদায় করলেন। অতঃপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে লালিমা দূরীভূত হবার পর ‘ইশার সলাত আদায় করলেন। এরপর তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সফরে দ্রুত যাওয়ার প্রয়োজন হলে এরূপ করতেন, যেরূপ আমি করলাম। অতঃপর তিনি সেই দিন ও রাতের সফরে তিন দিনের পথ অতিক্রম করেন।
সহীহঃ কিন্তু তার বক্তব্যঃ (লালিমা দূরীভূত হওয়ার সময়) কথাটি শায। মাহফুয হচ্ছেঃ (লালিমা দূরীভূত হওয়ার পর)।
সহীহঃ কিন্তু তার বক্তব্যঃ (লালিমা দূরীভূত হওয়ার সময়) কথাটি শায। মাহফুয হচ্ছেঃ (লালিমা দূরীভূত হওয়ার পর)।