বর্ণনাকারী আবূ-ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ঘুম ভাঙ্গল না। অতঃপর আমরা সলাতের জন্য অস্থির ও ভীত অবস্থায় জাগ্রত হলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ শান্ত হও, শান্ত হও। এমনকি সূর্য উঁচুতে উঠে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যকার যারা ফাজ্রের দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায়ে অভ্যস্ত তারা যেন তা আদায় করে নেয়। এ কথা শুনে যারা ঐ দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায় করত এবং যারা আদায় করত না তারা সকলেই দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায় করে নিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের আযান দেয়ার নির্দেশ দিলে আযান দেয়া হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন এবং সলাত শেষে বললেনঃ জেনে রাখ, আমরা আল্লাহ্রই প্রশংসা করছি, দুনিয়ার কোন কাজ আমাদেরকে আমাদের সলাত থেকে বিরত রাখেনি। বরং আমাদের রূহগুলো আল্লাহ্র হাতে নিবন্ধ ছিল। তিনি স্বীয় ইচ্ছা মোতাবেক তা ছেড়েছেন। অতএব তোমাদের কেউ আগামীকাল নির্ধারিত সময়ে ফাজ্রের সলাত পেলে সে যেন তার সাথে অনুরূপ আরেক ওয়াক্ত সলাত (অর্থাৎ এ ক্বাযা সলাতটিও) আদায় করে নেয়।[৪৩৮]
সুনানে আবু দাউদ: হাদিস ৪৩৮
২. সালাত (নামায)
سنن أبي داود
১/১১ পরিচ্ছেদঃ
পেশাব থেকে সতর্ক থাকা
৪৩৮
সুনানে আবু দাউদحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ شَيْبَانَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ سُمَيْرٍ، قَالَ قَدِمَ عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَبَاحٍ الأَنْصَارِيُّ مِنَ الْمَدِينَةِ وَكَانَتِ الأَنْصَارُ تُفَقِّهُهُ - فَحَدَّثَنَا قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو قَتَادَةَ الأَنْصَارِيُّ فَارِسُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَيْشَ الأُمَرَاءِ بِهَذِهِ الْقِصَّةِ . قَالَ فَلَمْ تُوقِظْنَا إِلاَّ الشَّمْسُ طَالِعَةً فَقُمْنَا وَهِلِينَ لِصَلاَتِنَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " رُوَيْدًا رُوَيْدًا " . حَتَّى إِذَا تَعَالَتِ الشَّمْسُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَ مِنْكُمْ يَرْكَعُ رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فَلْيَرْكَعْهُمَا " . فَقَامَ مَنْ كَانَ يَرْكَعُهُمَا وَمَنْ لَمْ يَكُنْ يَرْكَعُهُمَا فَرَكَعَهُمَا ثُمَّ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُنَادَى بِالصَّلاَةِ فَنُودِيَ بِهَا فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى بِنَا فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ " أَلاَ إِنَّا نَحْمَدُ اللَّهَ أَنَّا لَمْ نَكُنْ فِي شَىْءٍ مِنْ أُمُورِ الدُّنْيَا يَشْغَلُنَا عَنْ صَلاَتِنَا وَلَكِنَّ أَرْوَاحَنَا كَانَتْ بِيَدِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فَأَرْسَلَهَا أَنَّى شَاءَ فَمَنْ أَدْرَكَ مِنْكُمْ صَلاَةَ الْغَدَاةِ مِنْ غَدٍ صَالِحًا فَلْيَقْضِ مَعَهَا مِثْلَهَا " .
খালিদ ইবনু সুমাইরথেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাবাহ আল-আনসারী (রাঃ) মাদীনাহ থেকে আমাদের এখানে আসলেন। আনসারগণ তাকে জ্ঞানী লোক (বিশিষ্ট ফাক্বীহ) হিসেবে গণ্য করতেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘোড়া রক্ষক আবূ ক্বাতাদাহ্ আল-আনসারী (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুতার যুদ্ধে সামরিক বাহিনী প্রেরণ করলেন। তারপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ।
বর্ণনাকারী আবূ-ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ঘুম ভাঙ্গল না। অতঃপর আমরা সলাতের জন্য অস্থির ও ভীত অবস্থায় জাগ্রত হলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ শান্ত হও, শান্ত হও। এমনকি সূর্য উঁচুতে উঠে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যকার যারা ফাজ্রের দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায়ে অভ্যস্ত তারা যেন তা আদায় করে নেয়। এ কথা শুনে যারা ঐ দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায় করত এবং যারা আদায় করত না তারা সকলেই দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায় করে নিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের আযান দেয়ার নির্দেশ দিলে আযান দেয়া হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন এবং সলাত শেষে বললেনঃ জেনে রাখ, আমরা আল্লাহ্রই প্রশংসা করছি, দুনিয়ার কোন কাজ আমাদেরকে আমাদের সলাত থেকে বিরত রাখেনি। বরং আমাদের রূহগুলো আল্লাহ্র হাতে নিবন্ধ ছিল। তিনি স্বীয় ইচ্ছা মোতাবেক তা ছেড়েছেন। অতএব তোমাদের কেউ আগামীকাল নির্ধারিত সময়ে ফাজ্রের সলাত পেলে সে যেন তার সাথে অনুরূপ আরেক ওয়াক্ত সলাত (অর্থাৎ এ ক্বাযা সলাতটিও) আদায় করে নেয়।[৪৩৮]
বর্ণনাকারী আবূ-ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) বলেন, সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ঘুম ভাঙ্গল না। অতঃপর আমরা সলাতের জন্য অস্থির ও ভীত অবস্থায় জাগ্রত হলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ শান্ত হও, শান্ত হও। এমনকি সূর্য উঁচুতে উঠে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যকার যারা ফাজ্রের দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায়ে অভ্যস্ত তারা যেন তা আদায় করে নেয়। এ কথা শুনে যারা ঐ দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায় করত এবং যারা আদায় করত না তারা সকলেই দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায় করে নিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের আযান দেয়ার নির্দেশ দিলে আযান দেয়া হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন এবং সলাত শেষে বললেনঃ জেনে রাখ, আমরা আল্লাহ্রই প্রশংসা করছি, দুনিয়ার কোন কাজ আমাদেরকে আমাদের সলাত থেকে বিরত রাখেনি। বরং আমাদের রূহগুলো আল্লাহ্র হাতে নিবন্ধ ছিল। তিনি স্বীয় ইচ্ছা মোতাবেক তা ছেড়েছেন। অতএব তোমাদের কেউ আগামীকাল নির্ধারিত সময়ে ফাজ্রের সলাত পেলে সে যেন তার সাথে অনুরূপ আরেক ওয়াক্ত সলাত (অর্থাৎ এ ক্বাযা সলাতটিও) আদায় করে নেয়।[৪৩৮]