১
সালাতের সময়সূচি
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকা
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি এবং তাঁর নিকট সাহায্য চাই। আমরা তাঁর সমীপে অনুতপ্ত হয়ে তাওবা করি, আমরা তাঁর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি কুপ্রবৃত্তি ও দুষ্কৃতি থেকে। আল্লাহ যাকে সৎ পথ দেখান, তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে কেউ সৎ পথে পরিচালিত করতে পারে না।
আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন হক্ক মাবুদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আর আল্লাহ তাঁর উপর রহমত নাযিল করুন, তাঁর পরিবার পরিজন, তাঁর সাহাবী ও অনুসারীদের উপর, আর যারা সৎ কাজে তাঁদের অনুসরণ করবে তাঁদের উপর অনুগ্রহ করুন।
অত:পর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাহদের প্রতি দিনরাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। আল্লাহ তা‘আলার মহান হিকমত ও মহিমা মোতাবেক সে সময়গুলো নিরূপিত হয়েছে। যাতে করে বান্দাহ এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নির্ধারিত সময়ে স্বীয় রবের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের নেক নযরে থাকার সুযোগ লাভে সক্ষম হতে পারে। এটা যেন হৃদয়ের জন্য পানি স্বরূপ তরুলতাকে সঞ্জীবিত রাখার জন্য মাঝে মাঝে তাতে পানি সিঞ্চনের প্রয়োজন হয়। এরূপ নয় যে, মাত্র একবার সিঞ্চন করে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। নামাযের সময়কে বিভিন্ন সময়ে নির্ধারিত করায় বান্দাহর উপর তা যেন এক সময়ে আদায়ের কারণে ক্লান্তি ও বোঝা স্বরূপ না হয়। বস্তুত আল্লাহ তা‘আলা বরকতময়, সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজ্ঞাময়।
এটা একটা ক্ষুদ্র পুস্তিকা। এতে আমরা নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহে নামযের সময়সূচি সম্পর্কে আলোচনা করব:
প্রথম পরিচ্ছেদ: নামাযের সময়সূচি বর্ণনা।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা ওয়াজিব এবং নির্ধারিত সময়ের পূর্বে বা পরে নামায আদায় করার বর্ণনা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: যে কোন নামাযের জন্য নির্ধারিত সময় পাওয়া গেলে উক্ত নামায ওয়াজিব হওয়ার বর্ণনা।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: দুই ওয়াক্তের নামায এক ওয়াক্তে একত্রিত করে পড়ার হুকুম কি? এর বর্ণনা।
অত্র পুস্তিকায় আমরা কুরআন ও হাদীসের অনুসরণ করেছি এবং মাসআলাগুলোকে প্রমাণসহকারে উল্লেখ করেছি যাতে করে পাঠক দৃঢ়তা, প্রশান্তি ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী হতে পারে।
মহান আল্লাহর দরবারে ঐকান্তিক আশা, তিনি যেন এটা কবুল করেন এবং তা সমস্ত মুসলিমের জন্য বরকতময় ও কল্যাণময় হয়। নিশ্চয়ই তিনি পরম দয়ালু।
আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন হক্ক মাবুদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আর আল্লাহ তাঁর উপর রহমত নাযিল করুন, তাঁর পরিবার পরিজন, তাঁর সাহাবী ও অনুসারীদের উপর, আর যারা সৎ কাজে তাঁদের অনুসরণ করবে তাঁদের উপর অনুগ্রহ করুন।
অত:পর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাহদের প্রতি দিনরাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। আল্লাহ তা‘আলার মহান হিকমত ও মহিমা মোতাবেক সে সময়গুলো নিরূপিত হয়েছে। যাতে করে বান্দাহ এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নির্ধারিত সময়ে স্বীয় রবের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের নেক নযরে থাকার সুযোগ লাভে সক্ষম হতে পারে। এটা যেন হৃদয়ের জন্য পানি স্বরূপ তরুলতাকে সঞ্জীবিত রাখার জন্য মাঝে মাঝে তাতে পানি সিঞ্চনের প্রয়োজন হয়। এরূপ নয় যে, মাত্র একবার সিঞ্চন করে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। নামাযের সময়কে বিভিন্ন সময়ে নির্ধারিত করায় বান্দাহর উপর তা যেন এক সময়ে আদায়ের কারণে ক্লান্তি ও বোঝা স্বরূপ না হয়। বস্তুত আল্লাহ তা‘আলা বরকতময়, সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজ্ঞাময়।
এটা একটা ক্ষুদ্র পুস্তিকা। এতে আমরা নিম্নোক্ত পরিচ্ছেদসমূহে নামযের সময়সূচি সম্পর্কে আলোচনা করব:
প্রথম পরিচ্ছেদ: নামাযের সময়সূচি বর্ণনা।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা ওয়াজিব এবং নির্ধারিত সময়ের পূর্বে বা পরে নামায আদায় করার বর্ণনা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: যে কোন নামাযের জন্য নির্ধারিত সময় পাওয়া গেলে উক্ত নামায ওয়াজিব হওয়ার বর্ণনা।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: দুই ওয়াক্তের নামায এক ওয়াক্তে একত্রিত করে পড়ার হুকুম কি? এর বর্ণনা।
অত্র পুস্তিকায় আমরা কুরআন ও হাদীসের অনুসরণ করেছি এবং মাসআলাগুলোকে প্রমাণসহকারে উল্লেখ করেছি যাতে করে পাঠক দৃঢ়তা, প্রশান্তি ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী হতে পারে।
মহান আল্লাহর দরবারে ঐকান্তিক আশা, তিনি যেন এটা কবুল করেন এবং তা সমস্ত মুসলিমের জন্য বরকতময় ও কল্যাণময় হয়। নিশ্চয়ই তিনি পরম দয়ালু।