hadith book logo

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ

লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৬০

সপ্তম অধ্যায়: সংক্ষেপে পবিত্র রমযান মাসে আমাদের করণীয়

﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُتِبَ عَلَيۡكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَتَّقُونَ ١٨٣﴾ [ البقرة : ١٨٣ ]

“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সাওম ফরয করা হয়েছে। যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর। যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার” [সূরা আল-বাক্বারা, আয়াত: ১৮৩]

ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের মধ্যে পবিত্র রমযান মাসের সাওম পালন একটি অন্যতম স্তম্ভ। শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষতা সাধন, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগ্রত, আল্লাহর অফুরন্ত নিয়ামত প্রাপ্ত ও সর্বত্র আল্লাহভীতি পরিষ্ফুটিত হওয়া ইত্যাদির মহান বার্তা নিয়ে প্রতি বছর আমাদের দুয়ারে আসে কুরআন নাযিলের মহিমান্বিত মাস রমযান। রহমত, মাগফিরাত আর জাহান্নাম থেকে মুক্তির মহাপয়গাম নিয়ে সারা বিশ্বে নেমে এসেছে রমযান, যার ছোঁয়ায় মানুষ আজ ছোট্ট শিশুর ন্যায় আল্লাহ তা‘আলার দরবারে দু’হাত তুলে অঝোর ধারায় কাঁদছে। রমযান আজ মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন জাগ্রত করে তুলেছে। তাই স্বাগতম হে রমযান! তোমাকে সুস্বাগতম। সময়ের আবর্তমানে প্রতিবছর আসে রমযান। আবার সে চলে যায় নিজ দেশে। কিন্তু আমরা কি তার কাঙ্খিত নি‘আমত অর্জন করেত পেরেছি? মানব জীবনের পঞ্চাশ-ষাট বছরে পঞ্চাশ-ষাট বার রমযান আসবে, তন্মধ্যে দশ-পনের বছর আমরা থাকি অপ্রাপ্ত। সব মিলিয়ে কতটা রমযানই বা পাই? এই স্বল্প পরিসরেও যদি আমরা রমযানের মত মহামূল্যবান নি‘আমত হারিয়ে ফেলি তবে আমাদের মত হতভাগা আর কে থেকে পরে?

তাই আসুন রমযান মাসে আমরা কী কী ইবাদত-বন্দেগী করে পবিত্র রমযানের পুরষ্কার অর্জন করতে পারি তা নিয়ে কিচ্ছুক্ষণ চিন্তা-ভাবনা করা যাক।