১
যিলহজের প্রথম দশক ফযীলত ও আমল
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
অন্য সাধারণ আমল বেশি বেশি করা :
উপরে যে নেক আমলগুলোর কথা উল্লেখ করা হলো এসব ছাড়াও কিছু নেক আমল আছে যেগুলো দিনগুলোতে বেশি করা যায়। যেমন : কুরআন তেলাওয়াত, জিকির, দু‘আ, দান-সাদাকা, পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচার, আত্মীয়তার হক আদায় করা, সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করা, সালামের প্রচার ঘটানো, মানুষকে খাবার খাওয়ানো, প্রতিবেশিদের প্রতি সদয় আচরণ করা, মেহমানকে সম্মান করা, পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা, অপর ভাইয়ের প্রয়োজন পুরা করা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দরূদ পড়া, পরিবার ও সন্তানদের জন্য অর্থ ব্যয় করা, অন্যকে কষ্ট না দেওয়া, অধিনস্তদের প্রতি সদয় হওয়া, মা-বাবার সখী-সখার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো, অসাক্ষাতে অন্য ভাইয়ের জন্য দু‘আ করা, ওয়াদা ও আমানত রক্ষা করা, হারাম জিনিস থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়া, সুন্দরভাবে অযূ করা, আযান ও ইকামতের মাঝখানে দু‘আ করা, জুমাবারে সূরাতুল কাহফ পড়া, মসজিদে গমন করা, সুন্নত সালাতগুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আদায় করা, ঈদগাহে গিয়ে ঈদুল আযহার সালাত আদায় করা, সালাতগুলোর পরে আল্লাহর জিকির করা, হালাল উপার্জন করা, মুসলিম ভাইদের আনন্দ দেওয়া, দুর্বলদের প্রতি দয়ার্দ্র হওয়া, কৃপণতা পরিহার করা, ভালো কাজে পথ দেখানো, ছেলে-মেয়েদের সুশিক্ষা দেওয়া, কল্যাণকাজে মানুষকে সহযোগিতা করা ইত্যাদি। এসবের প্রতিটিই ঈমান ও আল্লাহর মুহাব্বত বৃদ্ধি করে ফলে আল্লাহও তাকে বেশি ভালোবাসেন। এসবই একজন মুমিনের চরিত্র মাধুরীর অংশ। এসবের মাধ্যমে একজন মানুষ প্রকৃত মানুষে পরিণত হয়। আল্লাহ এসবের মাধ্যমে দান করেন আত্মিক প্রশান্তি- প্রতিটি আল্লাহ-ভোলা মানুষই যার শূন্যতায় ভোগে।
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে সেসব ব্যক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন যারা এই সুবর্ণ সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার করে। আমীন।
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে সেসব ব্যক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন যারা এই সুবর্ণ সুযোগের সর্বোত্তম ব্যবহার করে। আমীন।