hadith book logo

কিতাবের নাম/ লেখক/ অনুবাদক/ সম্পাদক

ভূমিকা

১- শির্ক

২. কবরপূজা

৩. গায়রুল্লাহর নামে যবেহ করা

৪. হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল মনে করা

৫. জাদু ও ভাগ্যগণনা

৬. রাশিফল ও মানব জীবনের ওপর গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব সম্পর্কিত বিশ্বাস

৭. স্রষ্টা যেসব বস্তুতে যে কল্যাণ রাখেন নি তাতে সে কল্যাণ থাকার আকীদা পোষণ করা

১০

৮. লোক দেখানো ইবাদত

১১

৯. কুলক্ষণ গ্রহণ

১২

১০. আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে কসম করা

১৩

১১. খাতির জমানোর জন্য মুনাফিক ও ফাসিকদের সঙ্গে উঠাবসা করা

১৪

১২. সালাতে ধীরস্থিরতা পরিহার করা

১৫

১৩. সালাতে অনর্থক কাজ ও বেশি বেশি নড়াচড়া করা

১৬

১৪. সালাতে ইচ্ছাপূর্বক ইমামের আগে মুক্তাদীর গমন

১৭

১৫. পেঁয়াজ-রসুন কিংবা দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু খেয়ে মসজিদে গমন

১৮

১৬. ব্যভিচার

১৯

১৭. পূংমৈথুন বা সমকামিতা

২০

১৮. শর‘ঈ ওযর ব্যতীত স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর শয্যা গ্রহণ অস্বীকার করা

২১

১৯. শর‘ঈ কারণ ব্যতীত স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর নিকট তালাক প্রার্থনা করা

২২

২০. যিহার

২৩

২১. মাসিকের সময় স্ত্রী সহবাস

২৪

২২. পশ্চাৎদ্বার দিয়ে স্ত্রীগমন

২৫

২৩. স্ত্রীদের মধ্যে সমতা রক্ষা না করা

২৬

২৪. গায়ের মাহরাম মহিলার সাথে নির্জনে অবস্থান

২৭

২৫. বিবাহ বৈধ এমন মহিলার সাথে করমর্দন

২৮

২৬. পুরুষের মাঝে সুগন্ধি মেখে নারীর গমনাগমন

২৯

২৭. মাহরাম আত্মীয় ছাড়া স্ত্রীলোকের সফর

৩০

২৮. গায়ের মাহরাম মহিলার প্রতি ইচ্ছাপূর্বক দৃষ্টিপাত করা

৩১

২৯. দাইয়ূছী

৩২

৩০. পালক সন্তান গ্রহণ ও নিজ সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করা

৩৩

৩১. সুদ খাওয়া

৩৪

৩২. বিক্রিত পণ্যের দোষ গোপন করা

৩৫

৩৩. দালালী করা

৩৬

৩৪. জুমু‘আর সালাতের আযানের পরে কেনা-বেচা করা

৩৭

৩৫. জুয়া

৩৮

৩৬. চুরি করা

৩৯

৩৭. ঘুষ আদান-প্রদান

৪০

৩৮. জমি আত্মসাৎ করা

৪১

৩৯. সুপারিশের বিনিময়ে উপহার গ্রহণ

৪২

৪০. শ্রমিক থেকে ষোলআনা শ্রম আদায় করে পুরো মজুরী না দেওয়া

৪৩

৪১. সন্তানদের উপহার প্রদানে সমতা রক্ষা না করা

৪৪

৪২. ভিক্ষা বৃত্তি

৪৫

৪৩. ঋণ পরিশোধে অনীহা প্রকাশ করা

৪৬

৪৪. হারাম ভক্ষণ

৪৭

৪৫. মদ্যপান

৪৮

৪৬. সোনা-রূপার পাত্র ব্যবহার ও তাতে পানাহার করা

৪৯

৪৭. মিথ্যা সাক্ষ্যদান

৫০

৪৮. বাদ্যযন্ত্র ও গান

৫১

৪৯. গীবত বা পরনিন্দা

৫২

৫০. চোগলখুরী করা

৫৩

৫১. অনুমতি ব্যতীত অন্যের বাড়ীতে উঁকি দেওয়া ও প্রবেশ করা

৫৪

৫২. তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দু’জনে শলা-পরামর্শ করা

৫৫

৫৩. টাখনুর নিচে কাপড় পরিধান করা

৫৬

৫৪. পুরুষদের স্বর্ণালংকার ব্যবহার করা

৫৭

৫৫. মহিলাদের খাটো, পাতলা ও আঁটসাঁট পোষাক পরিধান করা

৫৮

৫৬. পরচুলা ব্যবহার করা

৫৯

৫৭. পোশাক-পরিচ্ছদ ও কথা-বার্তায় নারী-পুরুষ পরস্পরের বেশ ধারণ

৬০

৫৮.সাদা চুলে কালো খেযাব ব্যবহার করা

৬১

৫৯. ক্যানভাস, প্রাচীর গাত্র, কাগজ ইত্যাদিতে প্রাণীর ছবি অঙ্কন করা

৬২

৬০.মিথ্যা স্বপ্ন বলা

৬৩

৬১. কবরের ওপর বসা, কবর পদদলিত করা ও কবরস্থানে মল-মূত্র ত্যাগ করা

৬৪

৬২. পেশাবের পর পবিত্র না হওয়া

৬৫

৬৩. লোকদের অনীহা সত্ত্বেও গোপনে তাদের আলাপ শ্রবণ করা

৬৬

৬৪. প্রতিবেশীর সাথে অসদাচরণ করা

৬৭

৬৫. অসীয়ত দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত করা

৬৮

৬৬. দাবা খেলা

৬৯

৬৭. কোনো মুসলিমকে অভিশাপ দেওয়া এবং যে অভিশাপ পাওয়ার যোগ্য নয় তাকে অভিশাপ দেওয়া

৭০

৬৮. বিলাপ ও মাতম করা

৭১

৬৯. মুখমণ্ডলে আঘাত করা ও দাগ দেওয়া

৭২

৭০. শর‘ঈ কারণ ব্যতীত তিন দিনের ঊর্ধ্বে কোনো মুসলিমের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করা

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ পরিচ্ছেদ সংখাঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩

২১. মাসিকের সময় স্ত্রী সহবাস

মাসিকের সময় স্ত্রী সহবাস কুরআন-হাদীস উভয়ের আলোকেই নিষিদ্ধ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَيَسۡ‍َٔلُونَكَ عَنِ ٱلۡمَحِيضِۖ قُلۡ هُوَ أَذٗى فَٱعۡتَزِلُواْ ٱلنِّسَآءَ فِي ٱلۡمَحِيضِ وَلَا تَقۡرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطۡهُرۡنَۖ﴾ [ البقرة : ٢٢٢ ]

“তারা আপনাকে মাসিক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, উহা অশুচি। সুতরাং মাসিকের সময় তোমরা স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটে যেও না”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২২২]

পবিত্রতা লাভের পর তারা গোসল না করা পর্যন্ত তাদের নিকটে যাওয়া বৈধ নয়। কেননা একই সাথে আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেছেন,

﴿فَإِذَا تَطَهَّرۡنَ فَأۡتُوهُنَّ مِنۡ حَيۡثُ أَمَرَكُمُ ٱللَّهُۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلتَّوَّٰبِينَ وَيُحِبُّ ٱلۡمُتَطَهِّرِينَ ٢٢٢﴾ [ البقرة : ٢٢٢ ]

“যখন তারা ভালোমত পাক-পবিত্র হয়ে যাবে তখন তোমরা তাদের নিকটে আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক গমন কর”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২২২]

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«اصْنَعُوا كُلَّ شَيْءٍ إِلَّا النِّكَاحَ»

‘সহবাস ব্যতীত তোমরা তাদের সাথে সব কিছুই কর”। [সহীহ মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ৫৪৫।]

মাসিকের সময় সহবাস যে কঠিন পাপ তা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিম্নোক্ত বাণী থেকে প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেন,

«مَنْ أَتَى حَائِضًا، أَوِ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا، أَوْ كَاهِنًا، فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ»

“যে ব্যক্তি কোনো ঋতুবতীর সাথে মিলিত হয় কিংবা কোনো মহিলার পশ্চাৎদ্বারে সঙ্গম করে অথবা কোনো গণকের নিকটে যায়, নিশ্চয় সে মুহাম্মাদের ওপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তার সাথে কুফরী করে”। [তিরমিযী; মিশকাত, হাদীস নং ৫৫১।]

অজ্ঞতাবশতঃ যদি কোনো ব্যক্তি মাসিকের সময় স্ত্রী সহবাস করে তাহলে তাকে এজন্য কোনো কাফ্ফারা দিতে হবে না। কিন্তু জেনেশুনে যারা এ কাজ করবে তাদেরকে নির্ধারিত এক দীনার বা অর্ধ দীনার কাফ্ফারা দিতে হবে। এ সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। [তিরমিযী, হাদীস নং ১২৫; সুনান আবু দাউদ; সুনান নাসাঈ; মিশকাত, হাদীস নং ৫৫৩, সনদ সহীহ।] এখানে এক দীনার বা অর্ধ দীনার দু’টি সুযোগের যে কোনো একটি নেওয়া যাবে বলে কেউ কেউ মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলেন, যদি মাসিকের শুরুতে যখন প্রথম রক্ত বেশি আকারে বের হতে থাকে তখন কেউ সহবাস করে তবে এক দীনার আর যদি মাসিকের শেষে যখন রক্ত কম বের হয়, অথবা তার গোসলের আগে সহবাস করা হয় তবে অর্ধ দীনার সদকা করতে হবে। আর এক দীনার এর পরিমাণ হচ্ছে, ২৫,৪ গ্রাম স্বর্ণ। অথবা সমপরিমাণ মূল্যের কাগজের মুদ্রা।

রিডিং সেটিংস

Bangla

System

আরবি ফন্ট নির্বাচন

Kfgq Hafs

অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন

Kalpurush

22
17

সাধারণ সেটিংস

এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন

মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।

সাপোর্ট করুন