১
কুরআন তিলাওয়াত ফযীলত ও আদব
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
ষষ্ঠ আদব :
তারতীলের সঙ্গে কুরআন পড়া। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
وَرَتِّلِ الْقُرْآَنَ تَرْتِيلًا (4)
তোমরা তারতীলের সঙ্গে কুরআন তিলাওয়াত কর।’ [১৬. সূরা আল-মুযাম্মিল : ৪।]
عَنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ؛ أَنَّهَا سُئِلَتْ عَنْ قِرَاءَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ؟ فَقَالَتْ : إنَّكُمْ لاَ تَسْتَطِيعُونَهَا ، فَقِيلَ لَهَا : أَخْبِرِينَا بِهَا ، فَقَرَأَتْ قِرَاءَةً تَرَسَّلَتْ فِيهَا .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক স্ত্রীকে তাঁর তিলাওয়াতের ধরন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তোমরা সেভাবে পড়তে পারবে না। বলা হলো, আপনি আমাদের তা কেমন বলুন। তখন তিনি একটি কিরআত পড়লেন। তিনি স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে পড়লেন। [১৭. আবদুর রাযযাক, মুসান্নাফ : ৮৮২৬।]
عَنْ قَتَادَةَ قَالَ سُئِلَ أَنَسٌ كَيْفَ كَانَتْ قِرَاءَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَتْ مَدًّا ثُمَّ قَرَأَ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ يَمُدُّ بِبِسْمِ اللهِ وَيَمُدُّ بِالرَّحْمَنِ وَيَمُدُّ بِالرَّحِيمِ .
কাতাদা রা. থেকে বর্ণিত, আনাস রা. কে একবার জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তিলাওয়াত কেমন ছিলো? তিনি বলেন, তিনি টেনে টেনে (মদসহ) পড়তেন। এরপর তিনি পড়ে শোনান, بسم الله الرحمن الرحيم এ আয়াতে তিনি الله শব্দ টেনে পড়েন, الرحمن শব্দ টেনে পড়েন এবং الرحيم শব্দ টেনে পড়েন। [১৮. বুখারী : ৫০৪৬।]
ইবন মাসউদ রা. কে এক ব্যক্তি বলল,
إِنِّى لأَقْرَأُ الْمُفَصَّلَ فِى رَكْعَةٍ . فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ هَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ إِنَّ أَقْوَامًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لاَ يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ وَلَكِنْ إِذَا وَقَعَ فِى الْقَلْبِ فَرَسَخَ فِيهِ نَفَعَ
আমি এক রাক‘আতে ‘মুফাসসালে’র একটি সূরা পড়ি। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ বললেন, কাব্যের মতো স্বচ্ছন্দে!? (তিনি তার পড়ার দ্রুতগতির কথা ভেবে বিস্মিত হলেন।) নিশ্চয় একটি সম্প্রদায় কুরআন তিলাওয়াত করে অথচ সে তিলাওয়াত তাদের কণ্ঠাস্থি অতিক্রম করে না। কিন্তু তা যখন অন্তরে পতিত হয় এবং তাতে গেঁথে যায়, তখন তা উপকারে আসে। [১৯. মুসলিম : ১৯৪৫; বাইহাকী, সুনান আল-কুবরা : ৪৮৭৫।]
অন্য বর্ণনায় রয়েছে ইবন মাসঊদ রা. বলেন,
لاَ تَنْثُرُوهُ نَثْرَ الدَّقْل وَلاَ تَهُذُّوهُ كَهَذِّ الشِّعْرِ ، قِفُوا عِنْدَ عَجَائِبِهِ ، وَحَرِّكُوا بِهِ الْقُلُوبَ ، وَلاَ يَكُونُ هَمُّ أَحَدِكُمْ آخِرَ السُّورَةِ .
‘তোমরা একে (কুরআন) নষ্ট খেজুরের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ো না কিংবা কবিতার মতো গতিময় ছন্দেও পড়ো না। বরং এর যেখানে বিস্ময়ের কথা আছে সেখানে থামো এবং তা দিয়ে হৃদয়কে আন্দোলিত করো। আর সূরার সমাপ্তিতে পৌঁছা যেন তোমাদের কারো লক্ষ্য না হয়।’ [২০. ইবন আবি শাইবা, মুসান্নাফ : ৮৭৩৩।]
বলাবাহুল্য, তারতীলের সঙ্গে তিলাওয়াত করা কুরআন নিয়ে চিন্তা করা এবং তার দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক।
وَرَتِّلِ الْقُرْآَنَ تَرْتِيلًا (4)
তোমরা তারতীলের সঙ্গে কুরআন তিলাওয়াত কর।’ [১৬. সূরা আল-মুযাম্মিল : ৪।]
عَنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ؛ أَنَّهَا سُئِلَتْ عَنْ قِرَاءَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ؟ فَقَالَتْ : إنَّكُمْ لاَ تَسْتَطِيعُونَهَا ، فَقِيلَ لَهَا : أَخْبِرِينَا بِهَا ، فَقَرَأَتْ قِرَاءَةً تَرَسَّلَتْ فِيهَا .
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক স্ত্রীকে তাঁর তিলাওয়াতের ধরন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তোমরা সেভাবে পড়তে পারবে না। বলা হলো, আপনি আমাদের তা কেমন বলুন। তখন তিনি একটি কিরআত পড়লেন। তিনি স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে পড়লেন। [১৭. আবদুর রাযযাক, মুসান্নাফ : ৮৮২৬।]
عَنْ قَتَادَةَ قَالَ سُئِلَ أَنَسٌ كَيْفَ كَانَتْ قِرَاءَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَتْ مَدًّا ثُمَّ قَرَأَ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ يَمُدُّ بِبِسْمِ اللهِ وَيَمُدُّ بِالرَّحْمَنِ وَيَمُدُّ بِالرَّحِيمِ .
কাতাদা রা. থেকে বর্ণিত, আনাস রা. কে একবার জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তিলাওয়াত কেমন ছিলো? তিনি বলেন, তিনি টেনে টেনে (মদসহ) পড়তেন। এরপর তিনি পড়ে শোনান, بسم الله الرحمن الرحيم এ আয়াতে তিনি الله শব্দ টেনে পড়েন, الرحمن শব্দ টেনে পড়েন এবং الرحيم শব্দ টেনে পড়েন। [১৮. বুখারী : ৫০৪৬।]
ইবন মাসউদ রা. কে এক ব্যক্তি বলল,
إِنِّى لأَقْرَأُ الْمُفَصَّلَ فِى رَكْعَةٍ . فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ هَذًّا كَهَذِّ الشِّعْرِ إِنَّ أَقْوَامًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لاَ يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ وَلَكِنْ إِذَا وَقَعَ فِى الْقَلْبِ فَرَسَخَ فِيهِ نَفَعَ
আমি এক রাক‘আতে ‘মুফাসসালে’র একটি সূরা পড়ি। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ বললেন, কাব্যের মতো স্বচ্ছন্দে!? (তিনি তার পড়ার দ্রুতগতির কথা ভেবে বিস্মিত হলেন।) নিশ্চয় একটি সম্প্রদায় কুরআন তিলাওয়াত করে অথচ সে তিলাওয়াত তাদের কণ্ঠাস্থি অতিক্রম করে না। কিন্তু তা যখন অন্তরে পতিত হয় এবং তাতে গেঁথে যায়, তখন তা উপকারে আসে। [১৯. মুসলিম : ১৯৪৫; বাইহাকী, সুনান আল-কুবরা : ৪৮৭৫।]
অন্য বর্ণনায় রয়েছে ইবন মাসঊদ রা. বলেন,
لاَ تَنْثُرُوهُ نَثْرَ الدَّقْل وَلاَ تَهُذُّوهُ كَهَذِّ الشِّعْرِ ، قِفُوا عِنْدَ عَجَائِبِهِ ، وَحَرِّكُوا بِهِ الْقُلُوبَ ، وَلاَ يَكُونُ هَمُّ أَحَدِكُمْ آخِرَ السُّورَةِ .
‘তোমরা একে (কুরআন) নষ্ট খেজুরের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ো না কিংবা কবিতার মতো গতিময় ছন্দেও পড়ো না। বরং এর যেখানে বিস্ময়ের কথা আছে সেখানে থামো এবং তা দিয়ে হৃদয়কে আন্দোলিত করো। আর সূরার সমাপ্তিতে পৌঁছা যেন তোমাদের কারো লক্ষ্য না হয়।’ [২০. ইবন আবি শাইবা, মুসান্নাফ : ৮৭৩৩।]
বলাবাহুল্য, তারতীলের সঙ্গে তিলাওয়াত করা কুরআন নিয়ে চিন্তা করা এবং তার দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক।