১
আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জীবনের কিছু ঘটনা
লেখকঃ হোমায়রা বান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
আবু বকরের জীবনের কিছু বৈশিষ্ট্য, যা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবে চিনিয়ে দেয়: মিরাজ
তায়েফ থেকে ফেরার পর এক রাত্রে আল্লাহর হুকুমে জিবরাইল আলাইহিস সালাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কা‘বা থেকে মসজিদুল আকসায় নিয়ে গেলেন বুরাক নামের এক বাহনে করে। সেখানে তিনি সকল নবীদের ইমাম হিসাবে দু’রাকাত সালাত আদায় করেন। তারপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় আসমানে উপরে। প্রতি আসমানে বিভিন্ন নবী রাসূলের সাথে তাঁর দেখা হয়। তারপর তাঁকে আল্লাহর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে মুহাম্মাদের উম্মাতের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করে দেওয়া হয়। তাঁকে জান্নাত ও জাহান্নাম দেখানো হয়।
এমন এক সময় এ ঘটনাটি ঘটে যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক চাচা আবু তালিব মারা গিয়েছেন এবং তার স্ত্রী খাদিজা মারা গিয়েছেন, মক্কাবাসীর অত্যাচার চরমে পৌঁছেছে। তায়েফবাসীর কাছেও তিনি কোনো রকম সাহায্য তো পানই না, বরং রক্তাক্ত, অপমানিত হয়েছেন। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর রাসূলের জন্য মস্ত বড় এক অনুগ্রহ ছিল। যা তাঁর রাসূলের অন্তরকে প্রশান্ত ও শক্তিশালী করে তোলে।
পরদিন সকালে ঘটনাটি শুনে অনেকেরই দ্বিধা-দ্বন্দ দেখা দিল, অনেক মুসলিমই অবিশ্বাস করে কাফির হয়ে গেল। লোকেরা আবু বকরকে জিজ্ঞাসা করল: তুমি কি শুনেছ তোমার বন্ধু কি বলছে? সে বলছে যে সে গতরাতে কা‘বা থেকে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে গিয়েছে, সালাত আদায় করেছে, তারপর মক্কায় ফিরে এসেছে।
আবু বকর বললেন: উনি যদি একথা বলে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই তা সত্য। আমি তো এর চেয়েও আশ্চর্য বিষয় বিশ্বাস করি যে তাঁর উপর আল্লাহর কাছ থেকে ওহী আসে।
তারপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে ব্যাপারটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। যখন তিনি জানতে পারলেন যে সত্যিই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ বাইতুল মুকাদ্দাস ও সেখান থেকে নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন, আবু বকর বললেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আপনি নিঃসন্দেহে আল্লাহর রাসূল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
“আবু বকর, তুমি সিদ্দীক।”
এভাবেই আবু বকর ‘সিদ্দীক’ হিসাবে খ্যাতি লাভ করলেন। নবী রাসূলদের পরেই সিদ্দীকের মর্যাদা। রাসূলুল্লাহ যদি কিছু বলে থাকেন, তবে তা সত্যি-আবু বকরের কথা থেকে আমরা হাদীসে যাচাইয়ের এই মূলনীতিটি পাই।
এমন এক সময় এ ঘটনাটি ঘটে যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক চাচা আবু তালিব মারা গিয়েছেন এবং তার স্ত্রী খাদিজা মারা গিয়েছেন, মক্কাবাসীর অত্যাচার চরমে পৌঁছেছে। তায়েফবাসীর কাছেও তিনি কোনো রকম সাহায্য তো পানই না, বরং রক্তাক্ত, অপমানিত হয়েছেন। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর রাসূলের জন্য মস্ত বড় এক অনুগ্রহ ছিল। যা তাঁর রাসূলের অন্তরকে প্রশান্ত ও শক্তিশালী করে তোলে।
পরদিন সকালে ঘটনাটি শুনে অনেকেরই দ্বিধা-দ্বন্দ দেখা দিল, অনেক মুসলিমই অবিশ্বাস করে কাফির হয়ে গেল। লোকেরা আবু বকরকে জিজ্ঞাসা করল: তুমি কি শুনেছ তোমার বন্ধু কি বলছে? সে বলছে যে সে গতরাতে কা‘বা থেকে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে গিয়েছে, সালাত আদায় করেছে, তারপর মক্কায় ফিরে এসেছে।
আবু বকর বললেন: উনি যদি একথা বলে থাকেন, তাহলে নিশ্চয়ই তা সত্য। আমি তো এর চেয়েও আশ্চর্য বিষয় বিশ্বাস করি যে তাঁর উপর আল্লাহর কাছ থেকে ওহী আসে।
তারপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে ব্যাপারটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। যখন তিনি জানতে পারলেন যে সত্যিই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ বাইতুল মুকাদ্দাস ও সেখান থেকে নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন, আবু বকর বললেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আপনি নিঃসন্দেহে আল্লাহর রাসূল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
“আবু বকর, তুমি সিদ্দীক।”
এভাবেই আবু বকর ‘সিদ্দীক’ হিসাবে খ্যাতি লাভ করলেন। নবী রাসূলদের পরেই সিদ্দীকের মর্যাদা। রাসূলুল্লাহ যদি কিছু বলে থাকেন, তবে তা সত্যি-আবু বকরের কথা থেকে আমরা হাদীসে যাচাইয়ের এই মূলনীতিটি পাই।