১
আল্লাহকে সম্মান দেওয়া ও তাকে গালমন্দকারীর বিধান
লেখকঃ শায়খ আব্দুল আজিজ আত-ত্বারীফি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
একাধিক আলেম গালমন্দকারীর কুফরি ও তাকে হত্যা প্রসঙ্গে ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন:
ইব্ন রাহাওয়ায়হে রাহিমাহুল্লাহ বলেন: “সকল মুসলিম একমত যে, আল্লাহকে যে গালি দিল, অথবা তার রাসূলকে গালি দিল, অথবা আল্লাহর নাযিলকৃত কোন বস্তু প্রত্যাখ্যান করল, অথবা তার কোনো নবীকে হত্যা করল, সে কাফের; যদিও সে আল্লাহর নাযিলকৃত অহি বিশ্বাস করে”। [আত-তামহিদ লি-ইব্ন আব্দুল বারর: (৪/২২৬), আল-ইসতেজকার লি-ইব্ন আব্দুল বারর: (২/১৫০)]
কাদি ইয়াদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন: “এ প্রসঙ্গে কোনো দ্বিমত নেই যে, কোনো মুসলিম আল্লাহকে গালমন্দ করলে কাফিরে পরিণত হবে, তার রক্ত হালাল”। [আশ-শিফা: (২/২৭০)]
আরো অনেক আলেম আল্লাহকে গালমন্দকারীর কুফরির উপর ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন, যেমন ইব্ন হাযম প্রমুখ। অনেক ইমাম গালমন্দকারীকে কাফির বলেছেন, যেমন ইব্ন আবি যায়েদ আল-কাইরোয়ানী ও ইব্ন কুদামাহ প্রমুখ। [আল-মুহাল্লা লি-ইব্ন হাযম: (১১/৪১১), আল-মুগনি লি-ইব্ন কুদামাহ: (৯/৩৩), আস-সারেমুল মাসলুল লি ইব্ন তাইমিয়াহ: (পৃ.৫১২), আল-ফুরু লি-ইব্ন মুফলিহ: (৬/১৬২), আল-ইনসাফ লিল-মুরাদাওয়ি: (১০/৩২৬), আত-তাজ ওয়াল ইকলিল লিল-মাওওয়াক: (৬/২৮৮)]
সকল আলেম আল্লাহকে গালমন্দকারীর কুফরির উপর একমত। তারা গালমন্দকারীর কোনো অজুহাত গ্রহণ করেন নি, কারণ সামান্য জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তিও কোন্টি গালি ও কোন্টি গালি নয় পার্থক্য করতে সক্ষম, কোন্টি প্রশংসা ও কোন্টি কুৎসা ভালো করে জানে, তবু ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে গালমন্দ করে।
ইব্ন আবি যায়েদ আল-কায়রোয়ানী আল-মালিকিকে জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যে ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে লানত করার সাথে আল্লাহকেও লানত করে অজুহাত পেশ করেছে যে, আমার ইচ্ছা ছিল শয়তানকে লানত করা, কিন্তু আমার মুখ ফসকে গেছে।
ইব্ন আবি যায়েদ উত্তর দিলেন: “স্পষ্ট কুফরিতে লিপ্ত হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হবে, তার কোনো অজুহাত গ্রহণ করা যাবে না, মশকরা করে বলুক, অথবা ইচ্ছা করে বলুক”। [আশ-শিফা লি-ইয়াদ: (২/২৭১)]
অনুরূপভাবে যাহিরিয়াহ ও চার মাযহাবের আলেম, বিচারক ও মুফতিগণ তারা সবার নিকটই বাহ্যিক অবস্থার উপরই ফতোয়া ও ফয়সালা দেওয়া হবে, সে ব্যক্তির আভ্যন্তরীণ অবস্থা আমলে নেওয়া হবে না, যদিও গালমন্দকারী বলে তার গালমন্দ করার ইচ্ছা ছিল না।
আলেমগণ যদি সুস্পষ্ট বাহ্যিক শরীয়তবিরোধী বিষয়গুলোকে, গোপনে প্রকাশ্যের বিপরীত কথা থাকার দাবিসমূহের কারণে, ত্যাগ করতে শুরু করেন, তাহলে শরয়ী আহকামের নাম, বিধান, শাস্তি ও হদগুলো বাতিলে পরিণত হবে, মানুষের কোনো সম্মান ও অধিকার থাকবে না। কোনো মুসলিমকে কাফের থেকে, কোনো মুনাফিককে মুমিন থেকে পৃথক করা যাবে না। কপট ও অন্তরের ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের মুখে দীন ও দুনিয়া খেলনায় পরিণত হবে।
কাদি ইয়াদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন: “এ প্রসঙ্গে কোনো দ্বিমত নেই যে, কোনো মুসলিম আল্লাহকে গালমন্দ করলে কাফিরে পরিণত হবে, তার রক্ত হালাল”। [আশ-শিফা: (২/২৭০)]
আরো অনেক আলেম আল্লাহকে গালমন্দকারীর কুফরির উপর ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন, যেমন ইব্ন হাযম প্রমুখ। অনেক ইমাম গালমন্দকারীকে কাফির বলেছেন, যেমন ইব্ন আবি যায়েদ আল-কাইরোয়ানী ও ইব্ন কুদামাহ প্রমুখ। [আল-মুহাল্লা লি-ইব্ন হাযম: (১১/৪১১), আল-মুগনি লি-ইব্ন কুদামাহ: (৯/৩৩), আস-সারেমুল মাসলুল লি ইব্ন তাইমিয়াহ: (পৃ.৫১২), আল-ফুরু লি-ইব্ন মুফলিহ: (৬/১৬২), আল-ইনসাফ লিল-মুরাদাওয়ি: (১০/৩২৬), আত-তাজ ওয়াল ইকলিল লিল-মাওওয়াক: (৬/২৮৮)]
সকল আলেম আল্লাহকে গালমন্দকারীর কুফরির উপর একমত। তারা গালমন্দকারীর কোনো অজুহাত গ্রহণ করেন নি, কারণ সামান্য জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তিও কোন্টি গালি ও কোন্টি গালি নয় পার্থক্য করতে সক্ষম, কোন্টি প্রশংসা ও কোন্টি কুৎসা ভালো করে জানে, তবু ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে গালমন্দ করে।
ইব্ন আবি যায়েদ আল-কায়রোয়ানী আল-মালিকিকে জনৈক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যে ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে লানত করার সাথে আল্লাহকেও লানত করে অজুহাত পেশ করেছে যে, আমার ইচ্ছা ছিল শয়তানকে লানত করা, কিন্তু আমার মুখ ফসকে গেছে।
ইব্ন আবি যায়েদ উত্তর দিলেন: “স্পষ্ট কুফরিতে লিপ্ত হওয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হবে, তার কোনো অজুহাত গ্রহণ করা যাবে না, মশকরা করে বলুক, অথবা ইচ্ছা করে বলুক”। [আশ-শিফা লি-ইয়াদ: (২/২৭১)]
অনুরূপভাবে যাহিরিয়াহ ও চার মাযহাবের আলেম, বিচারক ও মুফতিগণ তারা সবার নিকটই বাহ্যিক অবস্থার উপরই ফতোয়া ও ফয়সালা দেওয়া হবে, সে ব্যক্তির আভ্যন্তরীণ অবস্থা আমলে নেওয়া হবে না, যদিও গালমন্দকারী বলে তার গালমন্দ করার ইচ্ছা ছিল না।
আলেমগণ যদি সুস্পষ্ট বাহ্যিক শরীয়তবিরোধী বিষয়গুলোকে, গোপনে প্রকাশ্যের বিপরীত কথা থাকার দাবিসমূহের কারণে, ত্যাগ করতে শুরু করেন, তাহলে শরয়ী আহকামের নাম, বিধান, শাস্তি ও হদগুলো বাতিলে পরিণত হবে, মানুষের কোনো সম্মান ও অধিকার থাকবে না। কোনো মুসলিমকে কাফের থেকে, কোনো মুনাফিককে মুমিন থেকে পৃথক করা যাবে না। কপট ও অন্তরের ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের মুখে দীন ও দুনিয়া খেলনায় পরিণত হবে।