hadith book logo

পর্দাহীনতার পরিণতি

লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৮

কোন পুরুষের সাথে মোহনীয় কন্ঠে কথা বলবে না:

কোন গম্য পুরুষের সাথে মহিলার প্রগলভতার সাথে কিংবা মোহনীয় কণ্ঠে সংলাপ ও কথোপকথন করাও ব্যভিচারের নিকটবর্তীকারী পথসমূহের অন্যতম ছিদ্রপথ। এ বিপজ্জনক বিষয়ে সাবধান করে আল্লাহ তা‘আলা মহিলাদের উদ্দেশ্যে বলেন,

﴿ يَٰنِسَآءَ ٱلنَّبِيِّ لَسۡتُنَّ كَأَحَدٖ مِّنَ ٱلنِّسَآءِ إِنِ ٱتَّقَيۡتُنَّۚ فَلَا تَخۡضَعۡنَ بِٱلۡقَوۡلِ فَيَطۡمَعَ ٱلَّذِي فِي قَلۡبِهِۦ مَرَض ٣٢ ﴾ [ الاحزاب : ٣٢ ]

“হে নবী স্ত্রীগণ তোমরা অন্যান্য নারীদের মত নয়, যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পরপুরুষদের সাথে কোমল কণ্ঠে এমনভাবে কথা বলো না, যাতে ব্যাধিগ্রস্ত অন্তরের মানুষ প্রলুব্ধ হয়।” [সূরা আল-আহযাব: ৩২]

এই জন্যই ইমাম ভুল করলে পুরুষ মুক্তাদীরা তসবিহ বলে স্মরণ করাবে, আর মহিলারা হাত তালির শব্দে, তসবীহ বলেও নয়! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, «التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ، وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ» পুরুষদের জন্য তাসবীহ এবং নারীদের জন্য তালি। [বুখারি, হাদিস: ১২০৩] যাতে নারীর কণ্ঠের শব্দে কতক পুরুষের মনে যৌনানুভূতি জাগ্রত না হয়ে উঠে। সুতরাং, নারী-কণ্ঠের গান তথা অশ্লীল গান যে কি, তা রুচিশীল মানুষদের নিকট সহজে অনুমেয়।

এমন বহু হতভাগী মহিলা আছে যারা স্বামীর সাথে কর্কশ কণ্ঠ স্বরে কথা বলে কিন্তু কোনো উপহাসের পাত্রের (?) সাথে মোহন-সূরে সংলাপ ও উপহাস করে। এরা নিশ্চয়ই পরকালেও হতভাগী।