২৮৮
বুলুগুল মারামوَعَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ - رضي الله عنه - (1) قَالَ: كَانَ فُلَانٌ يُطِيلُ الْأُولَيَيْنِ مِنَ الظُّهْرِ، وَيُخَفِّفُ الْعَصْرَ، وَيَقْرَأُ فِي الْمَغْرِبِ بِقِصَارِ الْمُفَصَّلِ، وَفِي الْعِشَاءِ بِوَسَطِهِ، وَفِي الصُّبْحِ بِطُولِهِ. فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: مَا صَلَّيْتُ وَرَاءَ أَحَدٍ أَشْبَهَ صَلَاةً بِرَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - مِنْ هَذَا. أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ بِإِسْنَادٍ صَحِيحٍ
সুলাইমান বিন ইয়াসার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন- অমুক সহাবী যুহরের ফার্য সলাতের প্রথম দু‘রাকা‘আতকে লম্বা করতেন ও ‘আসরকে হালকা করতেন এবং মাগরিবের সলাতে কুরআনের কিসারে মুফাস্সাল, ইশার সলাতে ওয়াসাতে মুফাস্সাল ও ফাজরের সলাতে তিওয়ালে মুফাসসালের সূরা পাঠ করতেন। অতঃপর আবু হুরাইরা (রাঃ) বললেন- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাতের সঙ্গে এর থেকে বেশী সাদৃশ্য পূর্ণ সলাত এ ব্যক্তি ছাড়া আর কারো পিছনে পড়ি নাই। -নাসায়ী সহীহ সানাদে। [৩২৫]
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[৩২৫] ইবনু মাজাহ ৮২৭, নাসায়ী ৯৮২, ৯৮৩
(আরবী) ‘তিওয়ালে মুফাস্সাল’ –সূরা হুজুরাত হতে সূরা বুরুজ পর্যন্ত সূরাসমুহকে বলা হয়। (আরবী) ‘আওসাত্বে মুফাস্সাল’ –সূরা তারিক্ব হতে সূরা বাইয়্যেনা পর্যন্ত সূরাসমূহকে বলে। (আরবী) ’কিসারে মুফাস্সাল’ –সূরা যিলযাল হতে সূরা নাস পযন্ত সূরাসমূহকে বলা হয়। সূরা যিলযাল হতে সূরা নাস পর্যন্ত সূরা সমূহকে বলা হয়।
(আরবী) ‘তিওয়ালে মুফাস্সাল’ –সূরা হুজুরাত হতে সূরা বুরুজ পর্যন্ত সূরাসমুহকে বলা হয়। (আরবী) ‘আওসাত্বে মুফাস্সাল’ –সূরা তারিক্ব হতে সূরা বাইয়্যেনা পর্যন্ত সূরাসমূহকে বলে। (আরবী) ’কিসারে মুফাস্সাল’ –সূরা যিলযাল হতে সূরা নাস পযন্ত সূরাসমূহকে বলা হয়। সূরা যিলযাল হতে সূরা নাস পর্যন্ত সূরা সমূহকে বলা হয়।