৬৪
জাল জয়িফ হাদিস সিরিজবর্ণনাকারীথেকে বর্ণিতঃ
মেষ শাবক (যার বয়স এক বছর পূর্ণ হয়েছে) কতই না উত্তম কুরবানী।
হাদীসটি দুর্বল।
হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (২/৩৫৫), বাইহাকী (৯/২৭১) ও ইমাম আহমাদ (২/৪৪৪, ৪৪৫) উসমান ইবনু ওয়াকিদ সূত্রে কিদাম ইবনু আব্দির রহমান হতে আর তিনি আবূ কাব্বাশ হতে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম তিরমিযী বলেনঃ “(আরবী)” হাদীসটি গারীব। একথা দ্বারা বুঝিয়েছেন এটি দুর্বল।
এ জন্য হাফিয ইবনু হাজার “ফতহুল বারীর” মধ্যে (১০/১২) বলেছেনঃ “(আরবী)” ‘এটির সনদে দুর্বলতা রয়েছে।’
ইবনু হায্ম “আল-মুহাল্লা” গ্রন্থে (৭/৩৬৫) বলেন, উসমান ইবনু ওয়াকিদ মাজহূল আর কিদাম ইবনু আব্দির রহমান জানি না সে কে।
আবূ কাব্বাশ সম্পর্কে যা বলেছেন তা যেন ইঙ্গিত করছে যে, তিনি এ হাদীসের ব্যাপারে অপবাদ প্রাপ্ত ব্যক্তি। কিন্তু তিনি কিদামের ন্যায় একজন মাজহূল, যেরূপভাবে হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে স্পষ্টভাবে বলেছেন।
উসমান ইবনু ওয়াকিদ; অপরিচিত নয়। কারণ তাকে ইবনু মা’ঈন ও অন্যরা নির্ভরযোগ্য বলেছেন। যদিও আবূ দাঊদ তাকে দুর্বল বলেছেন।
হাদীসটি অন্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যার সনদে ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম আল-হুনায়নী রয়েছেন। বাইহাকী তার সম্পর্কে বলেনঃ “(আরবী)” ‘তিনি এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তার হাদীসে দুর্বলতা রয়েছে।‘
আমি (আলবানী) বলছিঃ ইসহাক আল-হুনায়নী দুর্বল এ বিষয়ে সকলে একমত। উকায়লী তাকে “আয-যু’য়াফা” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর তার একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটির কোন ভিত্তি নেই।
অতঃপর তার এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ “(আরবী)” ‘তিনি যিয়াদ ইবনু মায়মূন হতে আনাস (রাঃ)-এর উদ্ধৃতিতে মিথ্যা বর্ণনা করতেন।‘
ইবনুত তুরকুমানী বাইহাক্বীর উপরোক্ত কথার সমালোচনা করে বলেনঃ
হাদীসটি হাকিম “আল-মুসতাদরাক” গ্রন্থে উল্লেখিত ইসহাক সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেন যে, এটির সনদ সহীহ!
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ শাস্ত্রের প্রত্যেক বিজ্ঞজন জ্ঞাত আছেন যে, সহীহ এবং নির্ভরযোগ্য আখ্যা দেয়ার ক্ষেত্রে হাকিম শিথিলতা প্রদর্শনকারী। এ জন্য তার দিকে কেউ দৃষ্টি দেন না। বিশেষ করে যখন তিনি অন্যদের বিপরীতে বলেছেন। এ কারণেই যাহাবী তার এ সহীহ্ বলাকে “তালখীস” গ্রন্থে সমর্থন করেননি, বরং বলেছেন (৪/২২৩)
ইসহাক ধবংসপ্রাপ্ত আর হিশাম নির্ভরযোগ্য নন।
ইবনুত তুরকুমানী সম্ভবত হানাফী হওয়ার কারণে হাদীসটি সহীহ্ বলার চেষ্টা চালিছেন। এটি এ ধরনের আলেমের ক্ষেত্রে বড় দোষ।
হাদীসটি দুর্বল।
হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (২/৩৫৫), বাইহাকী (৯/২৭১) ও ইমাম আহমাদ (২/৪৪৪, ৪৪৫) উসমান ইবনু ওয়াকিদ সূত্রে কিদাম ইবনু আব্দির রহমান হতে আর তিনি আবূ কাব্বাশ হতে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম তিরমিযী বলেনঃ “(আরবী)” হাদীসটি গারীব। একথা দ্বারা বুঝিয়েছেন এটি দুর্বল।
এ জন্য হাফিয ইবনু হাজার “ফতহুল বারীর” মধ্যে (১০/১২) বলেছেনঃ “(আরবী)” ‘এটির সনদে দুর্বলতা রয়েছে।’
ইবনু হায্ম “আল-মুহাল্লা” গ্রন্থে (৭/৩৬৫) বলেন, উসমান ইবনু ওয়াকিদ মাজহূল আর কিদাম ইবনু আব্দির রহমান জানি না সে কে।
আবূ কাব্বাশ সম্পর্কে যা বলেছেন তা যেন ইঙ্গিত করছে যে, তিনি এ হাদীসের ব্যাপারে অপবাদ প্রাপ্ত ব্যক্তি। কিন্তু তিনি কিদামের ন্যায় একজন মাজহূল, যেরূপভাবে হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে স্পষ্টভাবে বলেছেন।
উসমান ইবনু ওয়াকিদ; অপরিচিত নয়। কারণ তাকে ইবনু মা’ঈন ও অন্যরা নির্ভরযোগ্য বলেছেন। যদিও আবূ দাঊদ তাকে দুর্বল বলেছেন।
হাদীসটি অন্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যার সনদে ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম আল-হুনায়নী রয়েছেন। বাইহাকী তার সম্পর্কে বলেনঃ “(আরবী)” ‘তিনি এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তার হাদীসে দুর্বলতা রয়েছে।‘
আমি (আলবানী) বলছিঃ ইসহাক আল-হুনায়নী দুর্বল এ বিষয়ে সকলে একমত। উকায়লী তাকে “আয-যু’য়াফা” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর তার একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটির কোন ভিত্তি নেই।
অতঃপর তার এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ “(আরবী)” ‘তিনি যিয়াদ ইবনু মায়মূন হতে আনাস (রাঃ)-এর উদ্ধৃতিতে মিথ্যা বর্ণনা করতেন।‘
ইবনুত তুরকুমানী বাইহাক্বীর উপরোক্ত কথার সমালোচনা করে বলেনঃ
হাদীসটি হাকিম “আল-মুসতাদরাক” গ্রন্থে উল্লেখিত ইসহাক সূত্রে উল্লেখ করে বলেছেন যে, এটির সনদ সহীহ!
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ শাস্ত্রের প্রত্যেক বিজ্ঞজন জ্ঞাত আছেন যে, সহীহ এবং নির্ভরযোগ্য আখ্যা দেয়ার ক্ষেত্রে হাকিম শিথিলতা প্রদর্শনকারী। এ জন্য তার দিকে কেউ দৃষ্টি দেন না। বিশেষ করে যখন তিনি অন্যদের বিপরীতে বলেছেন। এ কারণেই যাহাবী তার এ সহীহ্ বলাকে “তালখীস” গ্রন্থে সমর্থন করেননি, বরং বলেছেন (৪/২২৩)
ইসহাক ধবংসপ্রাপ্ত আর হিশাম নির্ভরযোগ্য নন।
ইবনুত তুরকুমানী সম্ভবত হানাফী হওয়ার কারণে হাদীসটি সহীহ্ বলার চেষ্টা চালিছেন। এটি এ ধরনের আলেমের ক্ষেত্রে বড় দোষ।