৬৭
জাল জয়িফ হাদিস সিরিজবর্ণনাকারীথেকে বর্ণিতঃ
যে ব্যক্তি ফজরের সলাতে সূরা “আলাম নাশরাহ” এবং সূরা “আলাম তারা কাইফা” পাঠ করবে; সে চোখে ঝাপসা দেখবেনা।
হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।
সাখাবী “মাকাসিদুল হাসানা” গ্রন্থে (পৃ:২০০) বলেছেনঃ
এটির কোন ভিত্তি নেই। চাই ফজর দ্বারা সকালের সুন্নাত অথবা সকালের ফরয সলাত ধরা হোক না কেন। উভয়টিতে কিরায়াত পাঠের সুন্নাত এটির বিপরীতে হওয়ার কারণে।
তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, ফজরের সুন্নাত সলাতে সুন্নাত হচ্ছে (প্রথম রাক’আতে) কুল ইয়া-আইউহাল কাফিরুন আর (দ্বিতীয় রাক’আতে) কুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ পাঠ করা। আর ফজরের ফরয সলাতে ষাট বা ততোধিক আয়াত পাঠ করা।
অতএব হাদীসটি সঠিক নয়।
হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই।
সাখাবী “মাকাসিদুল হাসানা” গ্রন্থে (পৃ:২০০) বলেছেনঃ
এটির কোন ভিত্তি নেই। চাই ফজর দ্বারা সকালের সুন্নাত অথবা সকালের ফরয সলাত ধরা হোক না কেন। উভয়টিতে কিরায়াত পাঠের সুন্নাত এটির বিপরীতে হওয়ার কারণে।
তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, ফজরের সুন্নাত সলাতে সুন্নাত হচ্ছে (প্রথম রাক’আতে) কুল ইয়া-আইউহাল কাফিরুন আর (দ্বিতীয় রাক’আতে) কুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ পাঠ করা। আর ফজরের ফরয সলাতে ষাট বা ততোধিক আয়াত পাঠ করা।
অতএব হাদীসটি সঠিক নয়।