hadith book logo
হোমদোয়া ভান্ডারসালাতের পরবর্তী জিকির
ক্যাটাগরি•১০ টি দোয়া

সালাতের পরবর্তী জিকির

الأذكار بعد السلام من الصلاة

১
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর ক্ষমা প্রার্থনা ও শান্তির দোয়া

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন সালাত শেষ করতেন তখন তিনবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং বলতেন...

أَسْتَغْفِرُ اللهَ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ اَللّٰهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ، وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ
উচ্চারণ

আস্তাগফিরুল্লাহ (৩ বার), আল্লাহুম্মা আনতাস সালামু ওয়া মিনকাস সালামু, তাবারকতা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরম।

অনুবাদ
আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি (৩ বার)। ‘হে আল্লাহ, আপনি শান্তিময়। আপনার নিকট থেকেই শান্তি বর্ষিত হয়। আপনি বরকতময়, হে মহিমাময় ও মহানুভব।
রেফারেন্স:সহীহ মুসলিম: ৫৯১
২
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর আল্লাহর একত্ববাদ ও অমুখাপেক্ষিতার দোয়া

মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (সাঃ) প্রত্যেক ফরয সালাতের পর সালাম ফিরিয়ে বলতেন...

لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، اَللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
উচ্চারণ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। আল্লাহুম্মা লা মানিআ লিমা আতাইতা, ওয়ালা মুতিয়া লিমা মানাতা, ওয়ালা ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

অনুবাদ
একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁরই। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাশালী। হে আল্লাহ! আপনি যা দান করেছেন তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেছেন তা দান করার কেউ নেই। আর কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার আযাব থেকে তাকে রক্ষা করতে পারবে না।
রেফারেন্স:সহীহ বুখারী: ৮৪৪, সহীহ মুসলিম: ৫৯৩
৩
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর ইবাদত ও আনুগত্যের ঘোষণা

আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) প্রত্যেক সালাতের পর সালাম ফিরিয়ে উচ্চস্বরে এই দোয়াটি পাঠ করতেন...

لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ، لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ
উচ্চারণ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়ালা নাবুদু ইল্লা ইয়্যাহু, লাহুন নিমাতু ওয়া লাহুল ফাদলু ওয়া লাহুস সানাউল হাসান। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদ দ্বীনা ওয়ালাও কারিহাল কাফিরূন।

অনুবাদ
একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁরই। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাশালী। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ থেকে বাঁচার) কোনো উপায় নেই এবং (ইবাদত করার) কোনো শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। আমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি। সকল নেয়ামত ও অনুগ্রহ তাঁরই এবং উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, আমরা তাঁর আনুগত্যে একনিষ্ঠ, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।
রেফারেন্স:সহীহ মুসলিম: ৫৯৪
৪
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর তাসবীহ, তাহমীদ ও তাকবীর

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পর ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ এবং ৩৩ বার আল্লাহু আকবার পাঠ করবে এবং ১০০ পূর্ণ করতে এই দোয়াটি পড়বে...

سُبْحَانَ اللهِ (৩৩ বার)، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ (৩৩ বার)، اَللهُ أَكْبَرُ (৩৩ বার)، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ

সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার), আল্লাহু আকবার (৩৩ বার)। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।

অনুবাদ
আল্লাহ অতি পবিত্র। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁরই। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাশালী।
ফযিলত ও গুরুত্ব

তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হয়।

রেফারেন্স:সহীহ মুসলিম: ৫৯৭
৫
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর আল্লাহর যিকর ও শুকরিয়া আদায়ের তাওফীক চাওয়ার দোয়া

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার হাত ধরে বললেন, হে মুআয! আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের পর এই দোয়াটি পড়তে ভুলো না...

اَللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা আইন্নী আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।

অনুবাদ
হে আল্লাহ! আপনার যিকর করতে, আপনার শুকরিয়া আদায় করতে এবং আপনার সুন্দর ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।
রেফারেন্স:আবু দাউদ: ১৫২২, নাসায়ী: ১৩০৩
৬
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর কিয়ামতের আযাব থেকে মুক্তির দোয়া

বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর পিছনে সালাত আদায় করতাম, তখন আমরা তাঁর ডান পাশে থাকাকে পছন্দ করতাম। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি...

رَبِّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ
উচ্চারণ

রব্বি ক্বিনী আযাবাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবাদাকা।

অনুবাদ
হে আমার রব! আমাকে আপনার আযাব থেকে রক্ষা করুন যেদিন আপনি আপনার বান্দাদের পুনরায় জীবিত করবেন।
রেফারেন্স:সহীহ মুসলিম: ৭০৯, হাদিস একাডেমি নাম্বারঃ ১৫২৭
৭
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ

আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে...

ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلْحَىُّ ٱلْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُۥ سِنَةٌۭ وَلَا نَوْمٌۭ ۚ لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمٰوٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ ۗ مَن ذَا ٱلَّذِى يَشْفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذْنِهِۦ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَىْءٍۢ مِّنْ عِلْمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ ٱلسَّمٰوٰتِ وَٱلْأَرْضَ ۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ ٱلْعَلِىُّ ٱلْعَظِيمُ
উচ্চারণ

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহী ইল্লা বিমা শা-আ। ওয়াসিআ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আযীম।

অনুবাদ
আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে সব তাঁরই। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞান থেকে তারা কোনো কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, তবে তিনি যা চান তা ছাড়া। তাঁর কুরসী আসমান ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে। আর এ দুটির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সুউচ্চ, সুমহান।
ফযিলত ও গুরুত্ব

তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।

রেফারেন্স:নাসায়ী আস-সুনানুল কুবরা: ৯৮৪৮, তাবারানী: ৭৫৩২, সহীহুল জামে: ৬৪৬৪
৮
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর সূরা ইখলাস পাঠ

উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর মুআউবিযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ١ ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ٢ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ٣ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ ٤
উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। ১. কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। ২. আল্লাহুচ্ছামাদ। ৩. লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ৪. ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।

অনুবাদ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। ১. বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক-অদ্বিতীয়। ২. আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী। ৩. তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। ৪. আর তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।
ফযিলত ও গুরুত্ব

ফজর ও মাগরিবের পর এই তিনটি সূরা ৩ বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য সালাতের পর ১ বার করে।

রেফারেন্স:আবু দাউদ: ১৫২৩, তিরমিযী: ২৯০৩
৯
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর সূরা ফালাক পাঠ

উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর মুআউবিযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ ١ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ٢ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ٣ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّـٰثَـٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ ٤ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ٥
উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। ১. কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক। ২. মিন শাররি মা খালাক। ৩. ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব। ৪. ওয়া মিন শাররিন নাফফাসাতি ফিল উকাদ। ৫. ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।

অনুবাদ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। ১. বলুন, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে। ২. তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে। ৩. আর অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়। ৪. আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে। ৫. আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
ফযিলত ও গুরুত্ব

ফজর ও মাগরিবের পর এই তিনটি সূরা ৩ বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য সালাতের পর ১ বার করে।

রেফারেন্স:আবু দাউদ: ১৫২৩, তিরমিযী: ২৯০৩
১০
সালাতের পরবর্তী জিকিরসালাতের পর সূরা নাস পাঠ

উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর মুআউবিযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ ١ مَلِكِ ٱلنَّاسِ ٢ إِلَـٰهِ ٱلنَّاسِ ٣ مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ ٤ ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ ٥ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ٦
উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। ১. কুল আউযু বিরাব্বিন নাস। ২. মালিকিন নাস। ৩. ইলাহিন নাস। ৪. মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস। ৫. আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন নাস। ৬. মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।

অনুবাদ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। ১. বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের। ২. মানুষের অধিপতির। ৩. মানুষের ইলাহের কাছে। ৪. আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে। ৫. যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়। ৬. জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।
ফযিলত ও গুরুত্ব

ফজর ও মাগরিবের পর এই তিনটি সূরা ৩ বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য সালাতের পর ১ বার করে।

রেফারেন্স:আবু দাউদ: ১৫২৩, তিরমিযী: ২৯০৩