সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন সালাত শেষ করতেন তখন তিনবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং বলতেন...
আস্তাগফিরুল্লাহ (৩ বার), আল্লাহুম্মা আনতাস সালামু ওয়া মিনকাস সালামু, তাবারকতা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরম।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন সালাত শেষ করতেন তখন তিনবার ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং বলতেন...
আস্তাগফিরুল্লাহ (৩ বার), আল্লাহুম্মা আনতাস সালামু ওয়া মিনকাস সালামু, তাবারকতা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরম।
মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (সাঃ) প্রত্যেক ফরয সালাতের পর সালাম ফিরিয়ে বলতেন...
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। আল্লাহুম্মা লা মানিআ লিমা আতাইতা, ওয়ালা মুতিয়া লিমা মানাতা, ওয়ালা ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) প্রত্যেক সালাতের পর সালাম ফিরিয়ে উচ্চস্বরে এই দোয়াটি পাঠ করতেন...
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়ালা নাবুদু ইল্লা ইয়্যাহু, লাহুন নিমাতু ওয়া লাহুল ফাদলু ওয়া লাহুস সানাউল হাসান। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদ দ্বীনা ওয়ালাও কারিহাল কাফিরূন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পর ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ এবং ৩৩ বার আল্লাহু আকবার পাঠ করবে এবং ১০০ পূর্ণ করতে এই দোয়াটি পড়বে...
সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার), আল্লাহু আকবার (৩৩ বার)। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হয়।
মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার হাত ধরে বললেন, হে মুআয! আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক সালাতের পর এই দোয়াটি পড়তে ভুলো না...
আল্লাহুম্মা আইন্নী আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।
বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর পিছনে সালাত আদায় করতাম, তখন আমরা তাঁর ডান পাশে থাকাকে পছন্দ করতাম। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি...
রব্বি ক্বিনী আযাবাকা ইয়াওমা তাবআসু ইবাদাকা।
আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে...
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা ফিস সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহী ইল্লা বিমা শা-আ। ওয়াসিআ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আযীম।
তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।
উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর মুআউবিযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। ১. কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। ২. আল্লাহুচ্ছামাদ। ৩. লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ৪. ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
ফজর ও মাগরিবের পর এই তিনটি সূরা ৩ বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য সালাতের পর ১ বার করে।
উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর মুআউবিযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। ১. কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক। ২. মিন শাররি মা খালাক। ৩. ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব। ৪. ওয়া মিন শাররিন নাফফাসাতি ফিল উকাদ। ৫. ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।
ফজর ও মাগরিবের পর এই তিনটি সূরা ৩ বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য সালাতের পর ১ বার করে।
উকবা ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর মুআউবিযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। ১. কুল আউযু বিরাব্বিন নাস। ২. মালিকিন নাস। ৩. ইলাহিন নাস। ৪. মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস। ৫. আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন নাস। ৬. মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।
ফজর ও মাগরিবের পর এই তিনটি সূরা ৩ বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য সালাতের পর ১ বার করে।