পশুর মুখে দাগ দেয়া বা মারার নিষেধাজ্ঞা
পশু-পাখি ও সৃষ্টির প্রতি দয়াপশু-পাখির প্রতি দয়া প্রদর্শন, তাদের ক্ষুধার্ত না রাখা, অহেতুক কষ্ট না দেওয়া এবং সৃষ্টির সেবা।
২১১৬
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحِ بْنِ الْمُهَاجِرِ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ وَاقِدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ، أَنَّهُ قَالَ رَآنِي نَافِعُ بْنُ جُبَيْرٍ وَنَحْنُ فِي جَنَازَةٍ قَائِمًا وَقَدْ جَلَسَ يَنْتَظِرُ أَنْ تُوضَعَ الْجَنَازَةُ فَقَالَ لِي مَا يُقِيمُكَ فَقُلْتُ أَنْتَظِرُ أَنْ تُوضَعَ الْجَنَازَةُ لِمَا يُحَدِّثُ أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ . فَقَالَ نَافِعٌ فَإِنَّ مَسْعُودَ بْنَ الْحَكَمِ حَدَّثَنِي عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَنَّهُ قَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَعَدَ .
ওয়াক্বিদ ইবনু ‘আম্র ইবনু মু‘আয (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
আমরা এক জানাযায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। এমন সময় নাফি’ ইবনু জুবায়র আমাকে দেখতে পেলেন। তিনি তখন লাশ নীচে রাখার জন্য বসে বসে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি এখানে দাঁড়িয়ে আছ কেন? আমি উত্তর দিলাম। লাশটি রাখার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি। কেননা আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)-এর সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। নাফি‘ (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, মাস‘ঊদ ইবনু হাকাম (রহঃ) ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)-এর সূত্রে আমাকে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে দাঁড়িয়েছেন পরে বসে গেছেন (এ অভ্যাসে পরিত্যাগ করেছেন)। (ই.ফা. ২০৯৫, ই.সে. ২০৯৯)
২১১৭
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، جَمِيعًا عَنِ الثَّقَفِيِّ، - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، - قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي وَاقِدُ، بْنُ عَمْرِو بْنِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ الأَنْصَارِيُّ أَنَّ نَافِعَ بْنَ جُبَيْرٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ مَسْعُودَ بْنَ الْحَكَمِ الأَنْصَارِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، يَقُولُ فِي شَأْنِ الْجَنَائِزِ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ ثُمَّ قَعَدَ . وَإِنَّمَا حَدَّثَ بِذَلِكَ لأَنَّ نَافِعَ بْنَ جُبَيْرٍ رَأَى وَاقِدَ بْنَ عَمْرٍو قَامَ حَتَّى وُضِعَتِ الْجَنَازَةُ .
মাস‘ঊদ ইবনু হাকাম আল আনসারী (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)-কে জানাযার ব্যাপারে বলতে শুনেছেন : রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথম দিকে দাঁড়াতেন এবং পরে বসে পড়তেন।
নাফি‘ ইবনু জুবায়র কথাটা এজন্য বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ওয়াক্বিদ ইবনু ‘আম্র (রাঃ)-কে দেখলেন তিনি লাশ নীচে রাখার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। (ই.ফা. ২০৯৬, ই.সে. ২১০০)
নাফি‘ ইবনু জুবায়র কথাটা এজন্য বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ওয়াক্বিদ ইবনু ‘আম্র (রাঃ)-কে দেখলেন তিনি লাশ নীচে রাখার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। (ই.ফা. ২০৯৬, ই.সে. ২১০০)
২১১৮
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
একই সানাদে বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ২০৯৭, ই.সে. ২১০১)
২৫৬৪
সুনানে আবু দাউদحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مُرَّ عَلَيْهِ بِحِمَارٍ قَدْ وُسِمَ فِي وَجْهِهِ فَقَالَ " أَمَا بَلَغَكُمْ أَنِّي قَدْ لَعَنْتُ مَنْ وَسَمَ الْبَهِيمَةَ فِي وَجْهِهَا أَوْ ضَرَبَهَا فِي وَجْهِهَا " . فَنَهَى عَنْ ذَلِكَ .
জাবির (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট দিয়ে মুখমণ্ডলে দাগ দেয়া একটি গাধা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি বললেনঃ তোমরা কি জানতে পারোনি, যে ব্যক্তি তার পশুর চেহারায় দাগ দেয় বা প্রহার করে আমি তাকে অভিশম্পাত করেছি। (বর্ণনাকারী বলেন) অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করতে নিষেধ করলেন।
১৭১০
জামে' আত-তিরমিজিحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْوَسْمِ فِي الْوَجْهِ وَالضَّرْبِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
জাবির (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
মুখমন্ডলে দাগ দিতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন।
সহীহ্, ইরওয়া (২১৮৫), সহীহ্ আবূ দাঊদ (২৩১০), মুসলিম
সহীহ্, ইরওয়া (২১৮৫), সহীহ্ আবূ দাঊদ (২৩১০), মুসলিম
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন।
১৭১১
জামে' আত-তিরমিজিحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْوَزِيرِ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْرَقُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ عُرِضْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي جَيْشٍ وَأَنَا ابْنُ أَرْبَعَ عَشَرَةَ فَلَمْ يَقْبَلْنِي ثُمَّ عُرِضْتُ عَلَيْهِ مِنْ قَابِلٍ فِي جَيْشٍ وَأَنَا ابْنُ خَمْسَ عَشَرَةَ فَقَبِلَنِي . قَالَ نَافِعٌ فَحَدَّثْتُ بِهَذَا الْحَدِيثِ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ فَقَالَ هَذَا حَدُّ مَا بَيْنَ الصَّغِيرِ وَالْكَبِيرِ . ثُمَّ كَتَبَ أَنْ يُفْرَضَ لِمَنْ بَلَغَ الْخَمْسَ عَشَرَةَ .
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ هَذَا حَدُّ مَا بَيْنَ الذُّرِّيَّةِ وَالْمُقَاتِلَةِ . وَلَمْ يَذْكُرْ أَنَّهُ كَتَبَ أَنْ يُفْرَضَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ إِسْحَاقَ بْنِ يُوسُفَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ .
ইবনু উমার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে কোন এক সেনাবাহিনীতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে হাযির করা হয়। তখন আমার বয়স চৌদ্দ বছর ছিল। তিনি আমাকে গ্রহণ করেননি। আমাকে আবার পরের বছর সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির উদ্দেশ্যে তাঁর সামনে হাযির করা হয়। তখন আমার বয়স পনের বছর ছিল। এবার তিনি আমাকে গ্রহণ করলেন। নাফি (রহঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) এর সামনে বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এটাই বালেগ ও নাবালেগের মধ্যে পার্থক্যকারী বয়সসীমা। তারপর যারা পনের বছর বয়সে পদার্পণ করেছে তিনি তাদের জন্য বাইতুল মাল হতে ভাতা নির্ধারণের নির্দেশ জারী করেন।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৪৩), নাসা-ঈ
ইবনু আবী উমার-সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ (রহঃ)-এর সূত্রে একইরকম বর্ণনা করেছেন। এতে নাফি (রহঃ) বলেন, উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) বললেনঃ এ হলো বালেগ ও নাবালেগের যুদ্ধে অংশগ্রহণের বয়সসীমা। এই সূত্রে ভাতা নির্ধারণের উল্লেখ নেই।
সহীহ্ দেখুন পূর্বের হাদীস
আবূ ঈসা বলেন, ইসহাক ইবনু ইউসুফের সূত্রে বর্ণিত হাদীস হাসান সহীহ্ এবং সুফিয়ান সাওরীর বর্ণনা হিসাবে গারীব।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৪৩), নাসা-ঈ
ইবনু আবী উমার-সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা হতে, তিনি উবাইদুল্লাহ (রহঃ)-এর সূত্রে একইরকম বর্ণনা করেছেন। এতে নাফি (রহঃ) বলেন, উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) বললেনঃ এ হলো বালেগ ও নাবালেগের যুদ্ধে অংশগ্রহণের বয়সসীমা। এই সূত্রে ভাতা নির্ধারণের উল্লেখ নেই।
সহীহ্ দেখুন পূর্বের হাদীস
আবূ ঈসা বলেন, ইসহাক ইবনু ইউসুফের সূত্রে বর্ণিত হাদীস হাসান সহীহ্ এবং সুফিয়ান সাওরীর বর্ণনা হিসাবে গারীব।
১৩৯১
বুলুগুল মারামوَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «كَيْفَ تُقَدَّسُ أُمَّةٌ لَا يُؤْخَذُ مِنْ شَدِيدِهِمْ لِضَعِيفِهِمْ» ? رَوَاهُ ابْنُ حِبَّانَ
জাবির (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, কি করে পবিত্র করা যাবে ঐ জাতিকে, যাদের দুর্বলদের হাক্ব সবলদের কাছ থেকে (বিচার মূলে) আদায় করা না যাবে। [১৪৯৯]
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[১৪৯৯] ইবনু হিব্বান ১৫৫৪, কাশফুল আসতার ১৫৯৬।
১৬০৬
রিয়াদুস সলেহিনوَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا : أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كانُوا ثَلاثَةً، فَلاَ يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ الثَّالِثِ» . متفق عَلَيْهِ .
وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَزَادَ : قَالَ أَبُو صَالِح : قُلْتُ لابنِ عُمرَ : فَأَرْبَعَةً ؟ قَالَ: لاَ يَضُرُّكَ.
وَرَوَاهُ مَالِكٌ فِي "الموَطأ": عَن عَبدِ اللهِ بنِ دِينَارٍ، قَالَ: كُنْتُ أَنَا وابْنُ عُمَرَ عِنْدَ دَارِ خَالِدِ بنُ عُقْبَةَ الَّتي فِي السُّوقِ، فَجَاءَ رَجُلٌ يُريدُ أَنْ يُنَاجِيَهُ، وَلَيْسَ مَعَ ابْنِ عُمَرَ أَحَدٌ غَيْرِي، فَدَعَا ابْنُ عُمَرَ رَجُلاً آخَرَ حَتَّى كُنَّا أَرْبَعَةً، فَقَالَ لِي وَلِلرَّجُلِ الثَّالِثِ الَّذِي دَعَا : اسْتَأْخِرَا شَيْئاً، فَإنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يقُولُ : «لاَ يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ وَاحِدٍ» .
ইবনে উমার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘‘যখন (কোন স্থানে) একত্রে তিনজন থাকবে, তৃতীয়জনকে ছেড়ে যেন দু’জনে কানাকানি না করে।’’
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
(সহীহুল বুখারী ৬২৮৮, মুসলিম ২১৮৩, আবূ দাউদ ৪৮৫১, ইবনু মাজাহ ৩৭৭৬, আহমাদ ৪৫৫০, ৪৬৭১, ৪৮৫৬, ৫০০৩, ৫০২৬, ৫২৩৬, ৫৪০২, ৬০২১, ৬১৯০, ৬৩০২, মুওয়াত্তা মালিক ১৮৫৬, ১৮৫৭)
১৬০৭
রিয়াদুস সলেহিনوَعَنِ ابنِ مَسعُود رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا كُنْتُمْ ثَلاَثَةً، فَلاَ يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ الآخَرِ حَتَّى تَخْتَلِطُوا بِالنَّاسِ، مِنْ أَجْلِ أَنَّ ذَلِكَ يُحْزِنُهُ» . متفق عَلَيْهِ
ইবনে মাসঊদ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘‘যখন (একত্রে) তিনজন থাকবে, তখন লোকদের সঙ্গে মিলিত না হওয়া অবধি একজনকে ছেড়ে দু’জনে যেন কানাকানি না করে। কারণ, এতে (ত্যক্ত ব্যক্তিকে) মনঃকষ্টে ফেলা হবে।’’
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
(সহীহুল বুখারী ৬২৯০, মুসলিম ২১৮৪, তিরমিযী ২৮২৫, আবূ দাউদ ৪৮৫১, ইবনু মাজাহ ৩৭৭৫, আহমাদ ৩৫৫০, ৪০২৯, ৪০৮২, ৪০৯৫, ৪১৬৪, ৪৪১০, ৪৪২২, দারেমী ২৬৫৭)