hadith book logo

রাত গভীরে হঠাৎ ঘরে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা

সফর ও ভ্রমণের আদব

ভ্রমণের দু’আ, সফর অবস্থায় কসর ও জমা করে সালাত আদায়, জামাআতের নেতা নির্বাচন ও সফরের সুন্নত।

মোট হাদিস: ১০মোট বিষয়: ৬সকল বিষয় দেখুন
১৮০১
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَارِبٍ، عَنْ جَابِرٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَطْرُقَ أَهْلَهُ لَيْلاً‏.‏
জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের বেলা পরিবারের কাছে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছেন।
৫২৪৩
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا مُحَارِبُ بْنُ دِثَارٍ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَكْرَه“ أَنْ يَأْتِيَ الرَّجُلُ أَهْلَه“ طُرُوقًا.
জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর থেকে এসে রাতে ঘরে প্রবেশ করা অপছন্দ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৩)
৫২৪৪
সহিহ বুখারী
সহিহ হাদিস
مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّه“ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَقُوْلُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَطَالَ أَحَدُكُمْ الْغَيْبَةَ فَلاَ يَطْرُقْ أَهْلَه“ لَيْلاً.
জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ দীর্ঘদিন প্রবাসে কাটিয়ে রাতে আকস্মিকভাবে তার ঘরে যেন প্রবেশ না করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৬৪)
৭১৫
সহিহ মুসলিম
সহিহ হাদিস
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الطَّائِفِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، مَوْلَى آلِ السَّائِبِ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ ذَهَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْغَائِطِ فَلَمَّا جَاءَ قُدِّمَ لَهُ طَعَامٌ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ تَوَضَّأُ ‏.‏ قَالَ ‏ "‏ لِمَ أَلِلصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার পায়খানায় গেলেন। পরে তিনি যখন (পায়খানা সেরে ফিরে) এলেন তখন তাঁর সামনে খাবার দেয়া হল। অতঃপর তাঁকে বলা হল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি ওযূ করবেন না? তিনি বললেন, কেন? সলাতের জন্য? (ই.ফা. ৭১৩, ই.সে. ৭২৮)
১৯২৮
সহিহ মুসলিম
সহিহ হাদিস
وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ عَطَاءٍ، أَنَّ نَافِعَ بْنَ جُبَيْرٍ، أَرْسَلَهُ إِلَى السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ ابْنِ أُخْتِ نَمِرٍ ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَلَمَّا سَلَّمَ قُمْتُ فِي مَقَامِي وَلَمْ يَذْكُرِ الإِمَامَ ‏.
‘উমার ইবনু ‘আত্বা (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নাফি’ ইবনু জুবায়ব (রহঃ) তাকে নামির-এর ভাগ্নে সায়িব ইবনু ইয়াযীদ-এর নিকট পাঠান। ..... হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বের ন্যায়। তবে তিনি বলেন: তিনি সালাম ফিরালে আমি আমার জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়ে গেলাম। এ সূত্রে ‘ইমাম’ শব্দটি যুক্ত হয়নি। (ই.ফা. ১৯১৩, ই.সে. ১৯২০)
২৭৭৭
সুনানে আবু দাউদ
সহিহ হাদিস
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ أَحْسَنَ مَا دَخَلَ الرَّجُلُ عَلَى أَهْلِهِ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ أَوَّلَ اللَّيْلِ ‏"‏ ‏.‏
জাবির (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের জন্য উত্তম হচ্ছে রাতের প্রথম অংশেই সফর থেকে ফিরে এসে পরিবারের সাথে মিলিত হওয়া।
১৭১০
জামে' আত-তিরমিজি
সহিহ হাদিস
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْوَسْمِ فِي الْوَجْهِ وَالضَّرْبِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
জাবির (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
মুখমন্ডলে দাগ দিতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন।

সহীহ্, ইরওয়া (২১৮৫), সহীহ্ আবূ দাঊদ (২৩১০), মুসলিম
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন।
৯৮৩
রিয়াদুস সলেহিন
সহিহ হাদিস
وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَجُيُوشُهُ إِذَا عَلَوا الثَّنَايَا كَبَّرُوا، وَإِذَا هَبَطُوا سَبَّحُوا . رواه أَبُو داود بإسناد صحيح
ইবনে উমার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর সেনা বাহিনী যখন উঁচু জায়গায় চড়তেন তখন ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন । আর যখন নিচু জায়গায় নামতেন তখন ‘সুবহানাল্লাহ’ বলতেন । (আবূ দাঊদ, বিশুদ্ধ সানাদে)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
(আবূ দাঊদ ২৫৯৯, মুসলিম ১৩৪২, তিরমিযী ৩৪৪৭, আহমাদ ৬২৭৫, ৬৩৩৮, দারেমী ২৬৭৩)
৯২৩
বুলুগুল মারাম
দুর্বল হাদিস
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَقْطَعَ الزُّبَيْرَ حُضْرَ فَرَسِهِ، فَأَجْرَى الْفَرَسَ حَتَّى قَامَ، ثُمَّ رَمَى سَوْطَهُ. فَقَالَ: «أَعْطُوهُ حَيْثُ بَلَغَ السَّوْطُ» رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، وَفِيهِ ضَعْفٌ
ইবনু উমার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবায়ের (রাঃ) এর জন্য তার ঘোড়ার দৌড়ানোর শেষ সীমা পর্যন্ত জমি দেয়ার জন্য বরাদ্দ করলেন । অতঃপর তিনি ঘোড়া দৌড়ালেন ও তা একস্থানে গিয়ে দাঁড়াল, তারপর তিনি তার চাবুকখানি নিক্ষেপ করলেন । নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবার বললেন, তাকে তাঁর চাবুক নিক্ষিপ্ত হবার স্থান পর্যন্ত দিয়ে দাও । - এর সানাদে দুর্বলতা আছে । [৯৯১]
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
[৯৯১] আবু দাউদ ৩০৭২ । ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম ৩/১৩৫ গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আবদুল্লাহ বিন আমর বিন খাফস নামক বিতর্কিত বর্ণনাকারী রয়েছে । ইবনু উসাইমীন তার বুলুগুল মারাম ৪/২৭০ গ্রন্থেও এর সানাদে দুর্বলতার কথা বলেছেন, শাইখ আলবানী যঈফ আবু দাউদ ৩০৭২, আত তালীকাত আর রযীয়্যাহ ২/৪৫৯ গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন । ইমাম শওকানী আদ দুরারী আল মাযীয়্যাহ ২৮০ ও নাইলুল আওত্বার ৬/৫৬ গ্রন্থদ্বয়ে উক্ত আবদুল্লাহ বিন আমর বিন খাফস নামক বর্ণনাকারীকে বিতর্কিত বলেছেন ।
১২৫৬
আল লু'লু ওয়াল মারজান
সহিহ হাদিস
حديث عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمِعْرَاضِ، فَقَالَ: إِذَا أَصَابَ بِحَدِّهِ فَكُلْ، وَإِذَا أَصَابَ بِعَرْضِهِ فَلاَ تَأْكُلْ، فَإِنَّهُ وَقِيْذٌ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ أُرْسِلُ كَلْبِي وَأُسَمِّي، فَأَجِدُ مَعَهُ عَلَى الصَّيْدِ كَلْبًا آخَرَ لَمْ أُسَمِّ عَلَيْهِ، وَلاَ أَدْرِي أَيُّهُمَا أَخَذَ قَالَ: لاَ تَأْكُلْ إِنَّمَا سَمَّيْتَ عَلَى كَلْبِكَ، وَلَمْ تُسَمِّ عَلَى الآخَرِ
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পার্শ্বফলা বিহীন তীর (দ্বারা শিকার) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, যদি তীরের ধারালো পার্শ্ব আঘাত করে, তবে সে (শিকারকৃত জানোয়ারের গোশত) খাবে, আর যদি এর ধারহীন পার্শ্বের আঘাতে মারা যায়, তবে তা খাবে না। কেননা তা প্রহারের মৃত, যবহকৃত নয়। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি বিসমিল্লাহ পড়ে আমার (শিকারী) কুকুর ছেড়ে দিয়ে থাকি। পরে তার সাথে শিকারের কাছে (অনেক সময়) অন্য কুকুর দেখতে পাই যার উপর আমি বিসমিল্লাহ পড়িনি এবং আমি জানি না, উভয়ের মধ্যে কে শিকার ধরেছে। তিনি বললেন, তুমি তা খাবে না। তুমি তো তোমার কুকুরের উপর বিসমিল্লাহ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি। (বুখারী পর্ব ৩৪ অধ্যায় ৩ হাদীস নং ২০৫৪; মুসলিম ৩৪/১, হাঃ ১৯২৯)