সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১২৫৬), মুসলিম।
জামে' আত-তিরমিজি: হাদিস ১৭৬
২. সালাত (নামায)
جامع الترمذي
১/১৭ পরিচ্ছেদঃ
গোসলখানায় পেশাব করা মাকরূহ
১৭৬
জামে' আত-তিরমিজিحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ الضُّبَعِيُّ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَا أَبَا ذَرٍّ أُمَرَاءُ يَكُونُونَ بَعْدِي يُمِيتُونَ الصَّلاَةَ فَصَلِّ الصَّلاَةَ لِوَقْتِهَا فَإِنْ صُلِّيَتْ لِوَقْتِهَا كَانَتْ لَكَ نَافِلَةً وَإِلاَّ كُنْتَ قَدْ أَحْرَزْتَ صَلاَتَكَ " . وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَعُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي ذَرٍّ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَهُوَ قَوْلُ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ يَسْتَحِبُّونَ أَنْ يُصَلِّيَ الرَّجُلُ الصَّلاَةَ لِمِيقَاتِهَا إِذَا أَخَّرَهَا الإِمَامُ ثُمَّ يُصَلِّي مَعَ الإِمَامِ وَالصَّلاَةُ الأُولَى هِيَ الْمَكْتُوبَةُ عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ . وَأَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ اسْمُهُ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ حَبِيبٍ .
আবূ যার (রাঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আবূ যার! আমার পর এমন সব আমীর (রাষ্ট্রপ্রধান) ক্ষমতায় আসবে যারা নামাযকে হত্যা করে ফেলবে। অতএব তুমি সময়মত (আওয়াল ওয়াক্তে) নামায আদায় করে নিও। যদি তুমি নির্ধারিত সময়ে নামায (একাকি) আদায় করে নাও তাহলে পরে ইমামের সাথে আদায় করা নামায তোমার জন্য নফল হিসাবে ধরা হবে। পরে তুমি যদি ইমামের সাথে আবার নামায না আদায় কর তাহলে তুমি নিজের নামাযের হিফাজাত করলে।
সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১২৫৬), মুসলিম।
সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১২৫৬), মুসলিম।
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ ও ‘উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে, আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আবূ যার (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান। ইমাম যদি নামায আদায়ে দেরি করে, তাহলে যে কোন ব্যক্তি একা নামায আদায় করে নেবে। অতঃপর ইমামের সাথে আবার তা আদায় করবে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের মতে প্রথমের নামায ফরয হিসাবে বিবেচ্য হবে। আবূ ইমরান আলজাওনী’র নাম ‘আব্দুল মালিক ইবনু হাবীব।