নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কাযা উমরা আদায়ের উদ্দেশ্যে মাক্কায় প্রবেশ করলেন, তখন কবি ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) তাঁর সামনে সামনে এ কবিতা বলে হেঁটে যাচ্ছিলেন : হে বানী কুফ্ফার! ছেড়ে দে তাঁর চলার পথ। আজ মারবো তোদের কুরআনের ভাষায় মারার মতো। কল্লা উড়ে যাবে তোদের গর্দান হতে, বন্ধু হতে বন্ধু হবে পৃথক তাতে”। ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, হে ইবনু রাওয়াহা! তুমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে আল্লাহ তা‘আলার হেরেমের মধ্যে কবিতা বলছ? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হে ‘উমার! তাকে বলতে দাও। কেননা এই কবিতা তীরের চাইতেও দ্রুতগতিতে গিয়ে তাদেরকে (কাফিরদের) আহতকারী।
সহীহ : মুখতাসার শামা-য়িল (২১০)
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ, উক্ত সূত্রে গারীব । এ হাদীসটি মা‘মার-যুহরী হতে, তিনি আনাস (রা:) হতে এই সূত্রে ‘আবদুর রাযযাকও একই রকম বর্ণনা করেছেন । এ হাদীসটি ব্যতীতও অপর হাদীসে বর্ণিত আছে : নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাযা ‘উমরাহ্ আদায়ের উদ্দেশ্যে মাক্কায় প্রবেশ করলেন এবং কা‘ব ইবনু মালিক (রা:) তাঁর সামনে কবিতা আবৃত্তি করছিলেন” । এ বর্ণনাটি কিছু মুহাদ্দিসগণের নিকট অনেক বেশী সহীহ । কেননা ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রা:) মুতার যুদ্ধে শহীদ হন । আর এ ‘উমরাতুল কাযার ঘটনা ছিল সে যুদ্ধের অনেক পরে ।
হাদিস ফটো স্টুডিও
ইসলামিক ওয়ালপেপার সার্চ, হাদিস কার্ড ডিজাইন ও ডাউনলোড সুবিধা
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।