আসিম আল-আহওয়াল হতে উপরের হাদীসের মতই বর্ণিত হয়েছে। শুধু ‘যাল-জালালি’ শব্দের পূর্বে ‘ইয়া’ (হে) শব্দটি অতিরিক্ত বর্ণিত হয়েছে।
সহীহ্। দেখুন পূর্বের হাদীস।
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
এ অনুচ্ছেদে সাওবান, ইবনু ‘উমার, ইবনু ‘আব্বাস, আবূ সা’ঈদ, আবূ হুরায়রা ও মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ ‘আয়িশাহ্’র হাদীসটি হাসান সহীহ্। খালিদ আল-হায্যা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে ‘আব্দুল্লাহ ইবনু হারিসের সূত্রে ‘আসিমের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে আরো বর্ণিত হয়েছে, তিনি সালাম ফিরানোর পর এ দু’আ পাঠ করতেনঃ
“আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শারীক নেই, (মহাবিশ্বের) রাজত্ব তাঁরই হাতে, তাঁর জন্য সকল প্রশংসা। তিনিই হায়াত দেন, তিনিই মউত দেন, তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যাকে দান কর তা প্রতিরোধ করার শক্তি কারো নেই; তুমি যার প্রতিবন্ধক হও তাকে কেউ দান করতে পারে না এবং কোন চেষ্টা-তদবিরকারীই তার চেষ্টার মাধ্যমে তোমার নিকট হতে মঙ্গল ছিনিয়ে নিতে সমর্থ নয়”।
অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলতেনঃ “তারা যা বলে থাকে তা থেকে আপনার রব, যিনি মহা মহিমান্বিত সকল ক্ষমতার মালিক, মহান পবিত্র। সালাম বর্ষিত হোক রাসূলদের প্রতি। সকল প্রশংসা সারা বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই”। (সূরাঃ আস-সাফফাত-১৮০)
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।