যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রহঃ) আবূ জুহাইমের নিকট লোক পাঠালেন। উদ্দেশ্য ছিল, নামাযীর সামনে দিয়ে যাওয়া সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তিনি যা শুনেছেন তা জিজ্ঞেস করা। আবূ জুহাইম (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নামাযীর সামনে দিয়ে চলাচকারী যদি জানত তার কত বড় গুনাহ হয়, তবে সে নামাযীর সামনে দিয়ে চলাচল করা অপেক্ষা চল্লিশ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকা নিজের জন্য ভাল মনে করত। আবূ নায্র বলেন, তিনি (আবূ জুহাইম) কি চল্লিশ দিন না চল্লিশ মাস না চল্লিশ বছরের কথা বলেছেন তা আমার মনে নেই।
সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৯৪৫), বুখারী ও মুসলিম।
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
আবূ ‘ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ্। এ অনুচ্ছেদে আবূ সাঈদ আল-খুদরী, আবূ হুরায়রা, ইবনু ‘উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে- নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে আরো বর্ণিত আছে। তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের কোন ব্যক্তির জন্য তার নামাযরত ভাইয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার চেয়ে একশত বছর অপেক্ষা করা বেশি কল্যাণকর।” বিদ্বানগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তাঁরা বলেছেন, নামাযরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া মাকরূহ। তবে কেউ গেলে তাতে নামাযীর নামায নষ্ট হবে বলে তাঁরা মনে করেন না। আবূ নায্রের নাম সালিম। তিনি ‘উমার ইবনু উবাইদুল্লাহ আল-মাদীনী’র আযাদকৃত গোলাম।
হাদিস ফটো স্টুডিও
ইসলামিক ওয়ালপেপার সার্চ, হাদিস কার্ড ডিজাইন ও ডাউনলোড সুবিধা
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।