Tawaf & Maqam Ibrahim
Hajj & UmrahRites of Hajj and Umrah, entering Ihram, Tawaf, Sa'i, standing at Arafah, and practical prophetic procedures.
448
সহিহ বুখারীحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى امْرَأَةٍ أَنْ مُرِي غُلاَمَكِ النَّجَّارَ يَعْمَلْ لِي أَعْوَادًا أَجْلِسُ عَلَيْهِنَّ.
সাহ্ল (রাঃ)
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈকা মহিলার নিকট লোক পাঠিয়ে বললেনঃ তুমি তোমার গোলাম কাঠমিস্ত্রীকে বল, সে যেন আমার জন্য কাঠের মিম্বার বানিয়ে দেয় যাতে আমি বসতে পারি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ৪২৯ , ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৫)
1603
সহিহ বুখারীحَدَّثَنَا أَصْبَغُ بْنُ الْفَرَجِ أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ يَقْدَمُ مَكَّةَ إِذَا اسْتَلَمَ الرُّكْنَ الأَسْوَدَ أَوَّلَ مَا يَطُوفُ يَخُبُّ ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ مِنْ السَّبْعِ
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ)
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মক্কায় উপনীত হয়ে তাওয়াফের শুরুতে হাজ্রে আসওয়াদ ইসতিলাম (চুম্বন, স্পর্শ)- করতে এবং সাত চক্করের মধ্যে প্রথম তিন চক্করে রামল করতে দেখেছি। (১৬০৪, ১৬১৬, ১৬১৭, ১৬৪৪, মুসলিম ১৫/৩৯ হাঃ ১২৬১) (আঃপ্রঃ ১৪৯৯, ইঃফাঃ ১৫০৫)
1616
সহিহ বুখারীحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا أَبُو ضَمْرَةَ أَنَسٌ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا طَافَ فِي الْحَجِّ أَوْ الْعُمْرَةِ أَوَّلَ مَا يَقْدَمُ سَعَى ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ وَمَشَى أَرْبَعَةً ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ يَطُوفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
‘আবদুল্লাহ ইব্নু উমর (রাঃ)
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে হজ্জ বা ‘উমরাহ উভয় অবস্থায় সর্বপ্রথম যে তাওয়াফ করতেন, তার প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন এবং পরবর্তী চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলতেন। তাওয়াফ শেষে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে সাফা ও মারওয়ায় সা‘ঈ করতেন। (১৬০৩) (আঃপ্রঃ ১৫১০, ইঃফাঃ ১৫১৬)
1623
সহিহ বুখারীحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو سَأَلْنَا ابْنَ عُمَرَأَيَقَعُ الرَّجُلُ عَلَى امْرَأَتِهِ فِي الْعُمْرَةِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ قَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَطَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا ثُمَّ صَلَّى خَلْفَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ وَطَافَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَقَالَ {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ إِسْوَةٌ حَسَنَةٌ}
‘আম্র (রহঃ)
তিনি বলেন, আমরা ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-কে জিজ্জেস করলাম, ‘উমরাহকারীর জন্য সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করার পূর্বে স্ত্রী সহবাস বৈধ হবে কি? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় উপনীত হয়ে সাত চক্করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সমাপ্ত করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেন, অতঃপর সাফা ও মারওয়া সা’য়ী করেন। এরপর ইব্নু ‘উমর (রাঃ) তিলাওয়াত করেন, “তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”-(আল-আহযাবঃ ২৩)। (৩৯৫) (আঃপ্রঃ, ইঃফাঃ ১৫২২)
1218
সহিহ মুসলিমوَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২০৭, ই.সে. ১২১৮)
1261
সহিহ মুসলিমحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، وَعَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، وَعَنِ الأَعْرَجِ، حَدَّثُوهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الصُّبْحَ وَمَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنَ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْعَصْرَ "
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সূর্যোদয়ের পূর্বে কেউ যদি ফাজ্রের এক রাক’আত সলাত আদায় করতে পারে তাহলে সে ফাজ্রের সলাত আদায় করল। আর তেমনি যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে ‘আস্রের এক রাক’আত সলাত আদায় করতে পারল সে যেন ঠিক ওয়াক্তেই ‘আস্রের সলাত আদায় করল।[১৬]
Explanation & Scholarly Notes (Sharh):
[১৬] হাদীসের মর্ম হ’ল-প্রথমতঃ কোন কাফির মুসলিম হয়ে, পাগল বা অজ্ঞান ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করে, নাবালক-সাবালক হয়ে এবং হায়য বা নিফাসগ্রস্ত মহিলা পবিত্র হয়ে সে সময় চলমান ওয়াক্তের এক রাক’আত পেলেও তার উপর ঐ ওয়াক্তের সলাত অপরিহার্য হবে। সে তা আদায় করবে এবং তাতে সে পূর্ণ সাওয়াবপ্রাপ্ত হবে। দ্বিতীয়তঃ অবহেলা না করে নিতান্ত অপারগ হয়ে কদাচ কোন ওয়াক্তের শেষ সময়ে কেউ এ ওয়াক্তের এক রাক’আত পেলেও ওয়াক্ত পাওয়া বলে গণ্য হবে। তাতে সে সলাতেরই সাওয়াব পাবে। (শরহে মুসলিম -১ম খণ্ড ২২১ পৃষ্ঠা)
1267
সহিহ মুসলিমأَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا وَهُوَ بِالْكُوفَةِ فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا هَذَا يَا مُغِيرَةُ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ فَصَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ " بِهَذَا أُمِرْتُ " . فَقَالَ عُمَرُ لِعُرْوَةَ انْظُرْ مَا تُحَدِّثُ يَا عُرْوَةُ أَوَإِنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ هُوَ أَقَامَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقْتَ الصَّلاَةِ فَقَالَ عُرْوَةُ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ .
ইবনু শিহাব (রহঃ)
তিনি বলেছেনঃ ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) একদিন সলাত আদায় করতে (বেশ দেরী করে ফেললেন) তাই ‘উরওয়াহ্ ইবনু মাস’ঊদ তার কাছে গিয়ে বললেন, কুফায় (গভর্নর) থাকাকালীন একদিন মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ (রহঃ) (আস্রের) সলাত আদায় করতে করতে দেরী করে ফেললেন। আবূ মাস’ঊদ আল আনসারী (রাঃ) গিয়ে তাঁকে বললেন, মুগীরাহ্! একি করছ তুমি? তুমি কি জানো না যে, এক সময় জিব্রীল (আঃ) এসে সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে সলাত আদায় করলেন। তিনি [জিব্রীল (আঃ) ] আবার (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে আবার সলাত আদায় করলেন। তিনি জিব্রীল (আঃ) পুনরায় (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় এ সলাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। তিনি [জিব্রীল (আঃ) ] আবারও (আরেক ওয়াক্তের) সলাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সলাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। এরপর জিব্রীল (আঃ) বললেন, আপনি এভাবে সলাত আদায় করতে আদিষ্ট হয়েছেন। একথা শুনে উমার ইবনু আযীয উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়রকে বললেনঃ ‘উরওয়াহ্! তুমি কি বলছ তা কি চিন্তা করে দেখেছো? জিব্রীল (আঃ) নিজে কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য সলাতের সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন? জবাবে উরওয়াহ্ বলেন, বাশীর ইবনু আবূ মাস’ঊদ তাঁর পিতা আবূ মাস’ঊদের নিকট থেকে তা এরূপই (সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া) বর্ণনা করতেন। (ই. ফা. ১২৫৫, ই. সে. ১২৬৮) ’
2919
সুনানে আন-নাসায়ীأَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا أَرَاكَ تَسْتَلِمُ إِلَّا هَذَيْنِ الرُّكْنَيْنِ؟ قَالَ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: " إِنَّ مَسْحَهُمَا: يَحُطَّانِ الْخَطِيئَةَ " وَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: «مَنْ طَافَ سَبْعًا، فَهُوَ كَعِدْلِ رَقَبَةٍ»
আব্দুল্লাহ ইবন উবাইদ ইবন উমাইর (রহঃ)
এক ব্যক্তি ইবন উমর (রাঃ) কে বললঃ হে আবু আব্দুর রাহমান! আমি আপনাকে এই দুই রুকনে (ইয়ামানী) ব্যতীত অন্য কোন কোণে চুম্বন করতে দেখিনা। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ এদের স্পর্শ করা গুনাহ দূর করে দেয় এবং তাঁকে এও বলতে শুনেছি যে, যে ব্যক্তি সাতবার তাওয়াফ করে, সে একটি গোলাম আজাদ করার সমতুল্য (সাওয়াব পাবে)।
2920
সুনানে আন-নাসায়ীأَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ الْأَحْوَلُ، أَنَّ طَاوُسًا، أَخْبَرَهُ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ وَهُوَ يَطُوفُ بِالْكَعْبَةِ بِإِنْسَانٍ، يَقُودُهُ إِنْسَانٌ بِخِزَامَةٍ فِي أَنْفِهِ، «فَقَطَعَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ، ثُمَّ أَمَرَهُ أَنْ يَقُودَهُ بِيَدِهِ»
ইবন আব্বাস (রাঃ)
কাবার তাওয়াফ করার সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এমন একজন লোকের নিকট দিয়ে গমন করছিলেন, যাকে অন্য একজন লোক তার নাকের ভিতরে ঢুকানো রশি ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তা কেটে ফেললেন, তারপর সেই ব্যক্তিকে হাত ধরে টেনে নিতে আদেশ করলেন।
2962
সুনানে আন-নাসায়ীأَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، طَافَ سَبْعًا رَمَلَ ثَلَاثًا، وَمَشَى أَرْبَعًا، ثُمَّ قَرَأَ: {وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى} [البقرة: 125]، فَصَلَّى سَجْدَتَيْنِ، وَجَعَلَ الْمَقَامَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْكَعْبَةِ، ثُمَّ اسْتَلَمَ الرُّكْنَ، ثُمَّ خَرَجَ، فَقَالَ: «إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ، فَابْدَءُوا بِمَا بَدَأَ اللَّهُ بِهِ»
জাবির (রাঃ)
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাতবার তাওয়াফ করেন, তিনবার রমল করেন এবং চারবার স্বাভাবিকভাবে হেঁটে তাওয়াফ করেন। এরপর তিনি পড়েন : (আরবী) (অর্থ : "তোমরা মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থান হিসেবে গ্রহণ কর।" (২:১২৫)) পরে দু'রাক'আত সালাত আদায় করেন। এ সময় তিনি মাকামে ইবরাহীমকে তাঁর ও কা'বার মধ্যে রাখেন। পরে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করেন। তা হতে বের হয়ে বললেন : (আরবী) "নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া আল্লাহ্র নিদর্শনসমুহের মধ্যে অন্যতম।" তোমরা আরম্ভ কর ঐ স্থান থেকে যার কথা আল্লাহ্ প্রথমে উল্লেখ করেছেন।
856
জামে' আত-তিরমিজিحَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ لَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَاسْتَلَمَ الْحَجَرَ ثُمَّ مَضَى عَلَى يَمِينِهِ فَرَمَلَ ثَلاَثًا وَمَشَى أَرْبَعًا ثُمَّ أَتَى الْمَقَامَ فَقَالَ : (وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى ) فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَالْمَقَامُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْبَيْتِ ثُمَّ أَتَى الْحَجَرَ بَعْدَ الرَّكْعَتَيْنِ فَاسْتَلَمَهُ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّفَا أَظُنُّهُ قَالََّ :( إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ ) . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ .
জাবির (রাঃ)
তিনি বলেন, মক্কায় পৌছার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদুল হারামে প্রবেশ করেন এবং হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করেন, তারপর ডান দিকে এগিয়ে গেলেন এবং তিন বার তাওয়াফ করলেন দ্রুত পদক্ষেপে, আর স্বাভাবিক গতিতে তাওয়াফ করলেন চার বার। এরপর মাকামে ইবরাহীমে আসলেন এবং পাঠ করলেনঃ “মাকামে ইবরাহীমকে তোমরা নামাযের জায়গা হিসাবে গ্রহণ কর”(সূরাঃ বাকারা- ১২৫)। তিনি এখানে তাঁর ও বাইতুল্লাহর মাঝে মাকামে ইবরাহীমকে রেখে দুই রাক’আত নামায আদায় করলেন, এরপর হাজরে আসওয়াদের নিকট এসে তা চুম্বন করলেন। এরপর তিনি বের হয়ে গেলেন সাফা পাহাড়ের দিকে (সাঈর উদ্দেশ্যে)। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার ধারণা তিনি তখন পাঠ করলেনঃ “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া (পাহাড়দুটি) আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত”(সূরাঃ বাকারা-১৫৮)।
- সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০৭৪), মুসলিম।
- সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০৭৪), মুসলিম।
Explanation & Scholarly Notes (Sharh):
ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী আলিমগণ আমল করেন।
857
জামে' আত-তিরমিজিحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَمَلَ مِنَ الْحَجَرِ إِلَى الْحَجَرِ ثَلاَثًا وَمَشَى أَرْبَعًا . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ جَابِرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ . قَالَ الشَّافِعِيُّ إِذَا تَرَكَ الرَّمَلَ عَمْدًا فَقَدْ أَسَاءَ وَلاَ شَىْءَ عَلَيْهِ وَإِذَا لَمْ يَرْمُلْ فِي الأَشْوَاطِ الثَّلاَثَةِ لَمْ يَرْمُلْ فِيمَا بَقِيَ . وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لَيْسَ عَلَى أَهْلِ مَكَّةَ رَمَلٌ وَلاَ عَلَى مَنْ أَحْرَمَ مِنْهَا .
জাবির (রাঃ)
হাজরে আসওয়াদ হতে শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন বার দ্রুত পদক্ষেপে তাওয়াফ করেন এবং ধীর পদক্ষেপে চারবার তাওয়াফ করেন।
— সহীহ, প্রাগুক্ত।
— সহীহ, প্রাগুক্ত।
Explanation & Scholarly Notes (Sharh):
ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আলিমগণ এই হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ (রহঃ) বলেন, কোন লোক নিজ ইচ্ছায় দ্রুত পদে তাওয়াফ (রমল) ছেড়ে দিলে তার এই কাজটি মন্দ বলে বিবেচিত হবে, কিন্তু এইজন্য তার উপর কিছু ধার্য হবে না। প্রথম তিন চক্করে রমল না করলে বাকী চক্করসমূহে আর তা করবে না। একদল আলিম বলেছেন, মক্কাবাসী এবং যারা মক্কা হতে ইহরাম বাঁধেন তাদের জন্য রমল (দ্রুত পদে তাওয়াফ) নেই।
2959
জামে' আত-তিরমিজিحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ عُمَرَ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ صَلَّيْنَا خَلْفَ الْمَقَامِ فَنَزَلَتْ : (وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى ) . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আনাস (রাঃ)
“উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা যদি মাক্বামে ইবরাহীমের পেছনে নামায আদায় করতাম (তাহলে ভালো হত)। এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হয় : “তোমরা মাক্বামে ইবরাহীমকে (ইবরাহীমের দাঁড়াবার স্থানকে) নামাযের জায়গা হিসেবে গ্রহণ কর”- (সূরা আল –বাক্বারাহঃ ১২৫)
সহীহ : বুখারী (৪৪৮৩), মুসলিম।
সহীহ : বুখারী (৪৪৮৩), মুসলিম।
Explanation & Scholarly Notes (Sharh):
আবূ ‘‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
721
বুলুগুল মারামوَأَصْلُهُ فِي مُسْلِمٍ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه
বর্ণনাকারী
মুসলিমে আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত এর মূল হাদীস রয়েছে। [৭৬৮]
Explanation & Scholarly Notes (Sharh):
[৭৬৮] মুসলিম ১৩৭৭, বুখারি ৭৩৭৭, তিরমিযী ২৬১৯, ইবনু মাজাহ ১, ২, আহমাদ ৭৩২০, ৭৪৪৯, ৮৪৫০
(আরবী)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে খুতবা দেওয়ার সময় বলেন, হে লোক সকল, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হাজ্ব ফরয করেছেন, তাই তোমরা হাজ্ব কর। তখন জনৈক লোক বলল, হে আল্লহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা কি প্রত্যেক বছর করতে হবে? তিনি চুপ থাকলেন এমনকি তিনি একথাটি তিন বার বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি আমি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে তা ফরয হয়ে যেত। আর তোমরা তা করতে সক্ষম হতে না। অতঃপর তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে যে বিষয় বলা থেকে বিরত রয়েছি, তা তোমরা আমাকে জিজ্ঞাসা করো না। কেননা তোমাদের ইতিপূর্বের লোকেরা তাদের অধিক প্রশ্ন করা এবং তাদের নাবীদের ব্যাপারে মতানৈক্য করার কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। যখন আমি তোমাদের কোন বিষয়ে আদেশ দেই তা তোমরা যথাসাধ্যভাবে কর। আর যদি কোন ব্যাপারে নিষেধ করি তাহলে তা থেকে বিরত থাক।
(আরবী)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে খুতবা দেওয়ার সময় বলেন, হে লোক সকল, আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হাজ্ব ফরয করেছেন, তাই তোমরা হাজ্ব কর। তখন জনৈক লোক বলল, হে আল্লহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা কি প্রত্যেক বছর করতে হবে? তিনি চুপ থাকলেন এমনকি তিনি একথাটি তিন বার বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি আমি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে তা ফরয হয়ে যেত। আর তোমরা তা করতে সক্ষম হতে না। অতঃপর তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে যে বিষয় বলা থেকে বিরত রয়েছি, তা তোমরা আমাকে জিজ্ঞাসা করো না। কেননা তোমাদের ইতিপূর্বের লোকেরা তাদের অধিক প্রশ্ন করা এবং তাদের নাবীদের ব্যাপারে মতানৈক্য করার কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। যখন আমি তোমাদের কোন বিষয়ে আদেশ দেই তা তোমরা যথাসাধ্যভাবে কর। আর যদি কোন ব্যাপারে নিষেধ করি তাহলে তা থেকে বিরত থাক।
722
বুলুগুল মারামعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَقَّتَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ: ذَا الْحُلَيْفَةِ، وَلِأَهْلِ الشَّامِ: الْجُحْفَةَ، وَلِأَهْلِ نَجْدٍ: قَرْنَ الْمَنَازِلِ، وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ: يَلَمْلَمَ، هُنَّ لَهُنَّ وَلِمَنْ أَتَى عَلَيْهِنَّ مِنْ غَيْرِهِنَّ مِمَّنْ أَرَادَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ، وَمَنْ كَانَ دُونَ ذَلِكَ فَمِنْ حَيْثُ أَنْشَأَ، حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ مِنْ مَكَّةَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম বাঁধার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, মাদীনাবাসীদের জন্য যুল-হুলায়ফা, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নজ্দবাসীদের জন্য কারনুল মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম। হাজ্ব ও উমরাহর নিয়্যাতকারী সেই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ঐ সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসী সকলের জন্য উক্ত স্থানগুলো মীকাতরূপে গণ্য এবং যারা এ সব মীকাতের ভিতরে (অর্থাৎ মাক্কার নিকটবর্তী) স্থানের অধিবাসী, তারা যেখান হতে হাজ্বের নিয়্যাত করে বের হবে (সেখান হতে ইহরাম বাঁধবে)। এমন কি মক্কাবাসী মক্কা হতেই (হাজ্বের) ইহরাম বাঁধবে। [৭৬৯]
Explanation & Scholarly Notes (Sharh):
[৭৬৯] বুখারী ১৫২৪, ১৫২৬, ১৫২৯, ১৫৩০, মুসলিম ১১৮১, ১১৮৯, নাসায়ী ২৬৫৪, ২২২৪, ২২৭২, ৩০৫৬, দারেমী ১৭৯২।
723
বুলুগুল মারামَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - وَقَّتَ لِأَهْلِ الْعِرَاقِ ذَاتَ عِرْقٍ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ
আয়িশা (রাঃ)
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরাকীদের জন্য ‘যাতু ইরক’ কে ইহরাম বাঁধার স্থান মনোনীত করেছেন। [৭৭০]
Explanation & Scholarly Notes (Sharh):
[৭৭০] নাসায়ীর বর্ণনায় রয়েছে (আরবি) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ বাসীদের জন্য যুল হুলায়ফা, শাম এবং মিসর বাসীদের জন্য জুহফা, ইরাক বাসীদের জন্য যাতু ইরক, নাজদ বাসীদের জন্য ক্বারনুল মানাযিল এবং ইয়ামান বাসীদের জন্য ইয়ালামলাম মীকাত নির্ধারণ করেছেন। আবূ দাঊদ ১৭৩৯, নাসায়ী ২৬৫৩,