hadith book logo

পবিত্র রমাদান মাসে আমাদের করণীয়

লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন আল-আযহারী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১২

৭. বিলম্ব করে সাহরী গ্রহণ:

রমাদান মাসে সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব। কেননা আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السَّحُورِ بَرَكَةً»

“তোমরা সাহরী খাও, কেননা সাহরীতে রয়েছে বরকত”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯২৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৯৫।]

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্নিত, তিনি বলেন,

أَنَّ بِلاَلًا كَانَ يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «كُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ، فَإِنَّهُ لاَ يُؤَذِّنُ حَتَّى يَطْلُعَ الفَجْرُ»، قَالَ القَاسِمُ : وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَ أَذَانِهِمَا إِلَّا أَنْ يَرْقَى ذَا وَيَنْزِلَ ذَا»

“বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু রাতে আযান দিতেন। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইবন উম্মে মাকতূমের আযান দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। কেননা সে ফজর না হওয়া পর্যন্ত আযান দেয় না। কাসিম রহ. বলেন, এদের উভয়ের মাঝে শুধু এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, একজন নামতেন এবং অন্যজন উঠতেন।” [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯১৮।]

তাছাড়া বিলম্ব করে সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব। তবে অবশ্যই ফজরের আযানের পূর্বেই শেষ করতে হবে।