১
ইহরাম-এর শিক্ষা
লেখকঃ মীর মন্জুর মাহমূদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
ইহরাম-এর নিয়মাবলী:
আমরা জানি ইসলামের মৌলিক ইবাদাতের মধ্যে হাজ্জ অন্যতম। [. ‘‘মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হাজ্জ করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য।’’ সূরা আলে-ইমরান/০৩:৯৭।] এর রয়েছে সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী। ইহরাম বাঁধার পূর্বেই গোঁফ, বগল ও নাভীর নীচের ক্ষৌর কাজ সম্পন্ন করে, নখ কেটে, গোসল করে পবিত্র হতে হয়। এ সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা মুস্তাহাব। মা আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, ‘‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইহরাম বাঁধার পূর্বে তাকে সুগন্ধি মাখিয়ে দিতাম’’। [. সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম।] এরপর সালাতের খেয়াল রাখা দরকার যেনো ইহরামটি কোনো (ফরয বা নফল) সালাতের পরে হয়; কোনো সালাতের পরে ইহরাম বাধা সুন্নাত। না পড়তে পারলেও কোনো অসুবিধা নেই।
ইহরামের পোষাক মূলত দু‘প্রস্ত সেলাইবিহীন সাদা কাপড়। এর একপ্রস্ত লুঙ্গির মত পরতে হয় এবং অপরটি চাদরের মত গায়ে জড়িয়ে নিতে হয়। কাপড়গুলো সাদা ও নতুন হওয়া উত্তম। [. হিদায়া।] ইহরাম বাঁধার সাথে সাথে ইহরামকারী তালবিয়া পাঠ করবেন এভাবে-‘‘লাববাইকা আল্লাহুম্মা লাববাইক, লাববাইকা লা শারীকা লাকা লাববাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি‘মাতা লাকা ওয়াল মুলকা লা শারীকা লাকা’’ ‘‘হাযির হে আল্লাহ! তোমার সমীপে হাযির। আমি হাযির! তোমার কোনো শরীক নেই। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা, সমস্ত নিয়ামত এবং রাজত্ব তোমারই, তোমার কোনো শরীক নেই।’’ তারপর উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করতে থাকা এবং আল্লাহর কাছে দু‘আ করা। ইহরামকারীর জন্য মাকরূহ ও বর্জনীয় কাজগুলোকে সযত্নে এড়িয়ে চলা। করণীয় কাজগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে আদায় করা।
ইহরামের পোষাক মূলত দু‘প্রস্ত সেলাইবিহীন সাদা কাপড়। এর একপ্রস্ত লুঙ্গির মত পরতে হয় এবং অপরটি চাদরের মত গায়ে জড়িয়ে নিতে হয়। কাপড়গুলো সাদা ও নতুন হওয়া উত্তম। [. হিদায়া।] ইহরাম বাঁধার সাথে সাথে ইহরামকারী তালবিয়া পাঠ করবেন এভাবে-‘‘লাববাইকা আল্লাহুম্মা লাববাইক, লাববাইকা লা শারীকা লাকা লাববাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি‘মাতা লাকা ওয়াল মুলকা লা শারীকা লাকা’’ ‘‘হাযির হে আল্লাহ! তোমার সমীপে হাযির। আমি হাযির! তোমার কোনো শরীক নেই। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা, সমস্ত নিয়ামত এবং রাজত্ব তোমারই, তোমার কোনো শরীক নেই।’’ তারপর উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করতে থাকা এবং আল্লাহর কাছে দু‘আ করা। ইহরামকারীর জন্য মাকরূহ ও বর্জনীয় কাজগুলোকে সযত্নে এড়িয়ে চলা। করণীয় কাজগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে আদায় করা।