মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
আসসালামু আলাইকুম,
এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত চালু রাখতে প্রতি মাসেই সার্ভার ও টেকনিক্যাল খরচ বহন করতে হয়। দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এই খরচ বহন করার মতো পর্যাপ্ত ফান্ড আমাদের নেই।
🌿 আপনার একটি দান হতে পারে অসংখ্য মানুষের হিদায়াতের মাধ্যম
Hadith.one–এ প্রতিটি হাদিস পড়া, শেখা ও শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি হতে পারেন সদকাহ জারিয়াহর অংশীদার।
🤲 আল্লাহর রাস্তায় আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে এই দাওয়াহ প্ল্যাটফর্মটি চালু রাখতে সাহায্য করুন।
🔗 আজই দান করুন এবং এই খিদমতের সাথে যুক্ত থাকুন
জাযাকাল্লাহু খাইরান,
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
১. কুরবানীদাতা নিজের কুরবানীর পশু নিজেই যবেহ করবেন, যদি তিনি ভালোভাবে যবেহ করতে পারেন। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে যবেহ করেছেন। আর যবেহ করা আল্লাহ তা‘আলার নৈকট্য অর্জনের একটি মাধ্যম। তাই প্রত্যেকের নিজের কুরবানী নিজে যবেহ করার চেষ্টা করা উচিৎ। ইমাম বুখারী রহ. বলেছেন: ‘আবূ মুসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজের মেয়েদের নির্দেশ দিয়েছেন, তারা যেন নিজ হাতে নিজেদের কুরবানীর পশু যবেহ করেন’। [ফাতহুল বারী ১০/২১।]
২. কুরবানীর পশু যবেহ করার দায়িত্ব নিজে না পারলে অন্যকে অর্পণ করা জায়েয আছে। কেননা সহীহ মুসলিমের হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেষট্টিটি কুরবানীর পশু নিজ হাতে যবেহ করে বাকিগুলো যবেহ করার দায়িত্ব আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে অর্পণ করেছেন। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২১৮।]
৩. কুরবানীর পশু যবেহ করার সময় তার সাথে সুন্দর আচরণ করতে হবে, তাকে আরাম দিতে হবে। যাতে পশু কষ্ট না পায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। হাদীসে এসেছে, শাদ্দাদ ইবন আউস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দু’টি বিষয় আমি মুখস্থ করেছি; তিনি বলেছেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সকল বিষয়ে সকলের সাথে সুন্দর ও কল্যাণকর আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব, তোমরা যখন হত্যা করবে তখন সুন্দরভাবে করবে আর যখন যবেহ করবে তখনও তা সুন্দরভাবে করবে। তোমাদের একজন যেন ছুরি ধারালো করে নেয় এবং যা যবেহ করা হবে তাকে যেন প্রশান্তি দেয়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯৫৫।]
৪. যবেহ করার সময় তাকবীর ও বিসমিল্লাহ বলা। যেমন, হাদীসে এসেছে, জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত...
“আর তার কাছে একটি দুম্বা আনা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে যবেহ করলেন এবং বললেন ‘বিসমিল্লাহ ওয়া আল্লাহু আকবার, হে আল্লাহ! এটা আমার পক্ষ থেকে এবং আমার উম্মতের মাঝে যারা কুরবানী করতে পারে নি তাদের পক্ষ থেকে”। [আবূ দাঊদ, হাদীস নং ২৮১০।]
অন্য হাদীসে এসেছে, আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি শিংওয়ালা ভেড়া যবেহ করলেন, তখন বিসমিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বললেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৫৬৫।]
৫. যবেহ করার সময় যার পক্ষ থেকে কুরবানী করা হচ্ছে তার নাম উল্লেখ করে দো‘আ করা জায়েয আছে। এভাবে বলা, ‘হে আল্লাহ তুমি অমুকের পক্ষ থেকে কবুল করে নাও।’ যেমন হাদীসে এসেছে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দুম্বা যবেহ করার সময় বললেন,
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।