hadith book logo

কুরবানী ফযীলত ও আমল

লেখকঃ হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৭

কুরবানী দাতার করণীয়

১. শুধু কুরবানীর গোশত খাওয়ার জন্য কুরবানীর পশু যবেহ করা নয়, বরং আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার কুরবানী করবেন। এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«وَمَنْ نَحَرَ قَبْلَ الصَّلاَةِ فَإِنَّمَا هُوَ لَحْمٌ قَدَّمَهُ لِأَهْلِهِ، لَيْسَ مِنَ النُّسْكِ فِي شَيْءٍ»

“আর যে কেউ সালাতের পূর্বে যবেহ করবে, সে তো তার পরিবারবর্গের জন্য গোশতের ব্যবস্থা করল, কুরবানীর কিছু আদায় হলো না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৯৬৫।]

২. কুরবানীদাতা ঈদের চাঁদ দেখার পর স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত বিরত থাকবেন। হাদীসে এসেছে, উম্মে সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«إِذَا رَأَيْتُمْ هِلَالَ ذِي الْحِجَّةِ وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ فَلْيُمْسِكْ عَنْ شَعْرِهِ وَأَظْفَارِهِ»

“তোমাদের মাঝে যে কুরবানী করার ইচ্ছে করে সে যেন যিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯৭৭।]

৩. কুরবানীর দ্বারা পরিবেশ দূষিত হয় এমন কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সুতরাং পশুর রক্ত মাটি দ্বারা ঢেকে দেওয়া, ময়লা, আবর্জনা সরিয়ে ফেলা একান্ত প্রয়োজন ।

আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে কুরাবানীর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার তাওফীক দিন । আমীন!

وصلى الله على نبينا محمد وعلي اله وأصحابه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين وأخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين