১
কুরআন-হাদিসের আলোকে সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব
লেখকঃ সায়ীদ বিন আলী বিন ওয়াহাফ আল-কাহতানি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
দশম মাসআলা : সুদী ব্যাংকে বীমা করা
প্রশ্ন: যার কাছে টাকা আছে এবং সে তা কোনো ব্যাংকে জমা রাখে আমানত হিসেবে যাতে সে অর্থ সুরক্ষিত থাকে আবার বছরান্তে তার লাভও পাওয়া যায়। এটা কি বৈধ?
উত্তর: সুদী ব্যাংকে বীমা করা জায়িয নেই যদিও তাতে লভ্যাংশ ভোগ না করে। কারণ এর দ্বারা পাপ এবং অন্যায় কাজে সাহায্য করা হয়। আর আল্লাহ তাআলা অন্যায় কাজে সহযোগিতা করা নিষিদ্ধ করেছেন। তবে যদি টাকা রাখার মতো অন্য কোনো ব্যাংক না পাওয়া যায় তাহলে অপারগতা বশত এমন ব্যাংকে টাকা রাখলে কোনো সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ। ইরশাদ হয়েছে- অথচ তিনি তোমাদের জন্য বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন, যা তোমাদের উপর হারাম করেছেন। তবে যার প্রতি তোমরা বাধ্য হয়েছে। [. আনআম: ১১৯] অতএব টাকা রাখার জন্য যখন কোনো ইসলামি কায়দায় পরিচালিত ব্যাংক অথবা নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া যাবে- যেখানে অন্যায়ে সহযোগিতা দানের অপরাধ হবে না তখন সুদী ব্যাংকে টাকা রাখা জায়িয হবে না। [. ইসলামি ফতোয়া সংকলন : ২/৩৯৭]
উত্তর: সুদী ব্যাংকে বীমা করা জায়িয নেই যদিও তাতে লভ্যাংশ ভোগ না করে। কারণ এর দ্বারা পাপ এবং অন্যায় কাজে সাহায্য করা হয়। আর আল্লাহ তাআলা অন্যায় কাজে সহযোগিতা করা নিষিদ্ধ করেছেন। তবে যদি টাকা রাখার মতো অন্য কোনো ব্যাংক না পাওয়া যায় তাহলে অপারগতা বশত এমন ব্যাংকে টাকা রাখলে কোনো সমস্যা হবে না ইনশাআল্লাহ। ইরশাদ হয়েছে- অথচ তিনি তোমাদের জন্য বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন, যা তোমাদের উপর হারাম করেছেন। তবে যার প্রতি তোমরা বাধ্য হয়েছে। [. আনআম: ১১৯] অতএব টাকা রাখার জন্য যখন কোনো ইসলামি কায়দায় পরিচালিত ব্যাংক অথবা নিরাপদ আশ্রয় পাওয়া যাবে- যেখানে অন্যায়ে সহযোগিতা দানের অপরাধ হবে না তখন সুদী ব্যাংকে টাকা রাখা জায়িয হবে না। [. ইসলামি ফতোয়া সংকলন : ২/৩৯৭]