১
জামা‘আতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব, পরিপ্রেক্ষিত বর্তমান সমাজ
লেখকঃ আবুল কালাম আজাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
জামা‘আতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব, পরিপ্রেক্ষিত বর্তমান সমাজ
আল্লাহ তা‘আলা সালাতের মর্যাদা সমুন্নত করেছেন। পবিত্র কুরআনের বহু জায়গায় সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। সালাতের প্রতি যত্নবান ও জামা‘আতভুক্ত হয়ে সালাত আদায়ের আদেশ করেছেন। সালাতকে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ও আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱرۡكَعُواْ مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ ٤٣ ﴾ [ البقرة : ٤٣ ]
“আর সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং সালাতে রুকুকারীদের সাথে রুকু কর।” [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ৪৩]
আর এর প্রতি অবমাননা এবং তা আদায়ে অলসতা মুনাফিকের আলামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ إِنَّ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ يُخَٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَهُوَ خَٰدِعُهُمۡ وَإِذَا قَامُوٓاْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ قَامُواْ كُسَالَىٰ﴾ [ النساء : ١٤٢ ]
“মুনাফিকরা অবশ্যই প্রতারণা করছে আল্লাহর সাথে অথচ তারা প্রকারান্তরে নিজেদেরই প্রতারিত করছে। বস্তুত তারা যখন সালাতে দাঁড়ায়, তারা দাঁড়ায় একান্ত শিথিলভাবে।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৪২]
অন্যত্র বলা হচ্ছে:
﴿وَلَا يَأۡتُونَ ٱلصَّلَوٰةَ إِلَّا وَهُمۡ كُسَالَىٰ﴾ [ التوبة : ٥٤ ]
“তারা সালাতে আসে কেবল আলস্যভরে।” [সূরা আত-তওবাহ, আয়াত: ৫৪]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের প্রতি খুবই যত্নবান ছিলেন। যুদ্ধ কি শান্তি, সুস্থ কি অসুস্থ সকল অবস্থায় এমনকি মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুব্যাধিতে আক্রান্ত অবস্থায়ও তিনি সালাত আদায়ে বিন্দুমাত্র অবহেলা করেন নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ ও পরবর্তীতে তাবে‘ঈন ও উত্তম পূর্বপুরুষগণ সালাতের প্রতি ছিলেন বর্ণনাতীতভাবে ঐকান্তিক এবং একনিষ্ঠ। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি রীতিমতো ঘাবড়ে দেওয়ার মতো।
বর্তমানে অনেক মুসলিম-ই সালাত আদায়ে ভীষণভাবে উদাসীন। জুমু‘আর সালাতে মসজিদে উপচে-পড়া ভীড় হচ্ছে ঠিকই; তবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে মসজিদের অধিকাংশ জায়গাই থাকে মুসল্লিশূন্য। সালাত বিষয়ে মুসলিমদের অবহেলার আদৌ কোনো কারণ থাকতে পারে না। সালাত বিষয়ে অবহেলার অর্থ ঈমানের একটি মৌলিক দাবি ও ইসলামের একটি রুকন ও প্রধানতম নিদর্শন বিষয়ে অবহেলা। আর যারা এ ধরনের অবহেলা প্রদর্শনে অভ্যস্ত তাদের অপেক্ষায় থাকবে মর্মন্তুদ শাস্তি, কঠিন নারকীয় আযাব।
আমাদের পূর্বপুরুষগণ জামা‘আতভুক্ত হয়ে সালাত আদায়ের প্রতি ছিলেন খুবই যত্নশীল। তাদের নিকট এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম; এমনকি জামা‘আত ছুটে গেলে খুবই মর্মাহত হতেন তারা। মনোকষ্টে অশ্রু ঝরাতেন। সমবেদনা জানাতেন একে অপরকে জামা‘আত ছুটে যাওয়ার কারণে।
﴿ وَأَقِيمُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُواْ ٱلزَّكَوٰةَ وَٱرۡكَعُواْ مَعَ ٱلرَّٰكِعِينَ ٤٣ ﴾ [ البقرة : ٤٣ ]
“আর সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং সালাতে রুকুকারীদের সাথে রুকু কর।” [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ৪৩]
আর এর প্রতি অবমাননা এবং তা আদায়ে অলসতা মুনাফিকের আলামত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ إِنَّ ٱلۡمُنَٰفِقِينَ يُخَٰدِعُونَ ٱللَّهَ وَهُوَ خَٰدِعُهُمۡ وَإِذَا قَامُوٓاْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ قَامُواْ كُسَالَىٰ﴾ [ النساء : ١٤٢ ]
“মুনাফিকরা অবশ্যই প্রতারণা করছে আল্লাহর সাথে অথচ তারা প্রকারান্তরে নিজেদেরই প্রতারিত করছে। বস্তুত তারা যখন সালাতে দাঁড়ায়, তারা দাঁড়ায় একান্ত শিথিলভাবে।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১৪২]
অন্যত্র বলা হচ্ছে:
﴿وَلَا يَأۡتُونَ ٱلصَّلَوٰةَ إِلَّا وَهُمۡ كُسَالَىٰ﴾ [ التوبة : ٥٤ ]
“তারা সালাতে আসে কেবল আলস্যভরে।” [সূরা আত-তওবাহ, আয়াত: ৫৪]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের প্রতি খুবই যত্নবান ছিলেন। যুদ্ধ কি শান্তি, সুস্থ কি অসুস্থ সকল অবস্থায় এমনকি মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুব্যাধিতে আক্রান্ত অবস্থায়ও তিনি সালাত আদায়ে বিন্দুমাত্র অবহেলা করেন নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ ও পরবর্তীতে তাবে‘ঈন ও উত্তম পূর্বপুরুষগণ সালাতের প্রতি ছিলেন বর্ণনাতীতভাবে ঐকান্তিক এবং একনিষ্ঠ। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি রীতিমতো ঘাবড়ে দেওয়ার মতো।
বর্তমানে অনেক মুসলিম-ই সালাত আদায়ে ভীষণভাবে উদাসীন। জুমু‘আর সালাতে মসজিদে উপচে-পড়া ভীড় হচ্ছে ঠিকই; তবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে মসজিদের অধিকাংশ জায়গাই থাকে মুসল্লিশূন্য। সালাত বিষয়ে মুসলিমদের অবহেলার আদৌ কোনো কারণ থাকতে পারে না। সালাত বিষয়ে অবহেলার অর্থ ঈমানের একটি মৌলিক দাবি ও ইসলামের একটি রুকন ও প্রধানতম নিদর্শন বিষয়ে অবহেলা। আর যারা এ ধরনের অবহেলা প্রদর্শনে অভ্যস্ত তাদের অপেক্ষায় থাকবে মর্মন্তুদ শাস্তি, কঠিন নারকীয় আযাব।
আমাদের পূর্বপুরুষগণ জামা‘আতভুক্ত হয়ে সালাত আদায়ের প্রতি ছিলেন খুবই যত্নশীল। তাদের নিকট এর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম; এমনকি জামা‘আত ছুটে গেলে খুবই মর্মাহত হতেন তারা। মনোকষ্টে অশ্রু ঝরাতেন। সমবেদনা জানাতেন একে অপরকে জামা‘আত ছুটে যাওয়ার কারণে।