১
জামা‘আতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব, পরিপ্রেক্ষিত বর্তমান সমাজ
লেখকঃ আবুল কালাম আজাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
জামা‘আতভুক্ত হয়ে সালাত না আদায়ের ফলে সালফে সালেহীনের মনোবেদনা:
হাতেম আল-আসাম্ম রহ. বলেন: আমি জামা‘আতে সালাত আদায়ে সক্ষম না হওয়ায় শুধুমাত্র আবু ইসহাক আল-বুখারীই সমবেদনা জানান। অথচ যদি আমার সন্তান মারা যেত, তাহলে দশ হাজারেরও বেশি মানুষ আমাকে সমবেদনা জানাত। কেননা দীনের ওপর আপতিত মুসীবত তাদের নিকট দুনিয়ার মুসীবতের চেয়েও সহজ।
জামা‘আতে সালাত আদায় তাদের নিকট দুনিয়ার সম্পদ অর্জনের চেয়েও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অথচ আমরা মরিয়া হয়ে দুনিয়ার পিছনেই লেগে রয়েছি। দুনিয়া অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হবে এ ভয়ে অনেক সময় সালাতও আদায় করছি দেরী করে। শুধু তাই নয়; বরং আমাদের মাঝে এমন অনেকই আছেন, যারা দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী চাকচিক্যের পিছনে তাড়িত হয়ে সালাত আদায়ই ছেড়ে দিয়েছে সম্পূর্ণভাবে।
মায়মুন ইবন মেহরান রহ. মসজিদে এলে তাকে বলা হলো, সমস্ত লোক চলে গিয়েছে। তিনি বললেন:
إنا لله وإنا إليه راجعون
“ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।” এ সালাতের মর্যাদা আমার নিকট ইরাকের গভর্ণর হওয়ার চেয়েও অধিক প্রিয়।
ইউনূস ইবন আব্দুল্লাহ রহ. বলেন, আমার যদি মুরগী হারিয়ে যায়, তবে আমি তার জন্য চিন্তিত হই অথচ সালাত ছুটে গেলে তার জন্য চিন্তিত হই না।
সালাফে সালেহীনগণ সালাতের আওয়াজ শোনার সাথে সাথে মসজিদে যাবার জন্য প্রতিযোগিতা করতেন। ইমামের সাথে প্রথম তাকবীরে উপস্থিত হবার জন্য তারা সকলে ছিলেন প্রচণ্ড আগ্রহী। সা‘ঈদ ইবন মুসায়্যিব রহ. বলেন, পঞ্চাশ বৎসর ধরে আমার প্রথম তাকবীর ছুটে নি। পঞ্চাশ বৎসর পর্যন্ত আমি ফরয সালাতে মানুষের ঘাড় দেখি নি। অর্থাৎ তিনি পঞ্চাশ বৎসর ধরে প্রথম কাতারেই শামিল ছিলেন।
ওকী‘ ইবন জাররাহ রহ. বলেন, প্রায় সত্তর বৎসর পর্যস্ত আ‘মাশ রহ.-এর প্রথম তাকবীর ছুটে নি। ইবন সামা‘আহ রহ. বলেন, চল্লিশ বৎসর পর্যন্ত আমার তাকবীরে উলা ছুটে নি। শুধু যে দিন আমার মায়ের মৃত্যু হয় সে দিন ছুটেছিল।
প্রিয় ভাই! আমাদের অবস্থা আর সালফে সালেহীনের অবস্থার মাঝে অনেক ব্যবধান। তাদের নিকট সালাতের গুরুত্ব ছিল আপরিসীম আর আমরা এর অবমাননা করছি হরহামেশা। তারা এর প্রতি যত্নবান ছিলেন আর আমরা করছি অলসতা। তারা দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী চাকচিক্যের উপর সালাতকে প্রাধান্য দিয়েছেন আর আমরা দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং একে (সালাতকে) পিছনে ফেলে রেখেছি। এর গুরুত্বপূর্ণ সাওয়াব ও অফুরন্ত ফযীলতের প্রতি তাদের উৎসাহ ছিল অপরিসীম আর আমরা এ থেকে বিমুখ।
জামা‘আতে সালাত আদায় তাদের নিকট দুনিয়ার সম্পদ অর্জনের চেয়েও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অথচ আমরা মরিয়া হয়ে দুনিয়ার পিছনেই লেগে রয়েছি। দুনিয়া অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হবে এ ভয়ে অনেক সময় সালাতও আদায় করছি দেরী করে। শুধু তাই নয়; বরং আমাদের মাঝে এমন অনেকই আছেন, যারা দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী চাকচিক্যের পিছনে তাড়িত হয়ে সালাত আদায়ই ছেড়ে দিয়েছে সম্পূর্ণভাবে।
মায়মুন ইবন মেহরান রহ. মসজিদে এলে তাকে বলা হলো, সমস্ত লোক চলে গিয়েছে। তিনি বললেন:
إنا لله وإنا إليه راجعون
“ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।” এ সালাতের মর্যাদা আমার নিকট ইরাকের গভর্ণর হওয়ার চেয়েও অধিক প্রিয়।
ইউনূস ইবন আব্দুল্লাহ রহ. বলেন, আমার যদি মুরগী হারিয়ে যায়, তবে আমি তার জন্য চিন্তিত হই অথচ সালাত ছুটে গেলে তার জন্য চিন্তিত হই না।
সালাফে সালেহীনগণ সালাতের আওয়াজ শোনার সাথে সাথে মসজিদে যাবার জন্য প্রতিযোগিতা করতেন। ইমামের সাথে প্রথম তাকবীরে উপস্থিত হবার জন্য তারা সকলে ছিলেন প্রচণ্ড আগ্রহী। সা‘ঈদ ইবন মুসায়্যিব রহ. বলেন, পঞ্চাশ বৎসর ধরে আমার প্রথম তাকবীর ছুটে নি। পঞ্চাশ বৎসর পর্যন্ত আমি ফরয সালাতে মানুষের ঘাড় দেখি নি। অর্থাৎ তিনি পঞ্চাশ বৎসর ধরে প্রথম কাতারেই শামিল ছিলেন।
ওকী‘ ইবন জাররাহ রহ. বলেন, প্রায় সত্তর বৎসর পর্যস্ত আ‘মাশ রহ.-এর প্রথম তাকবীর ছুটে নি। ইবন সামা‘আহ রহ. বলেন, চল্লিশ বৎসর পর্যন্ত আমার তাকবীরে উলা ছুটে নি। শুধু যে দিন আমার মায়ের মৃত্যু হয় সে দিন ছুটেছিল।
প্রিয় ভাই! আমাদের অবস্থা আর সালফে সালেহীনের অবস্থার মাঝে অনেক ব্যবধান। তাদের নিকট সালাতের গুরুত্ব ছিল আপরিসীম আর আমরা এর অবমাননা করছি হরহামেশা। তারা এর প্রতি যত্নবান ছিলেন আর আমরা করছি অলসতা। তারা দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী চাকচিক্যের উপর সালাতকে প্রাধান্য দিয়েছেন আর আমরা দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং একে (সালাতকে) পিছনে ফেলে রেখেছি। এর গুরুত্বপূর্ণ সাওয়াব ও অফুরন্ত ফযীলতের প্রতি তাদের উৎসাহ ছিল অপরিসীম আর আমরা এ থেকে বিমুখ।