১
বলুন এটাই শেষ সিগারেট
লেখকঃ শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
ধূমপানে মজুদ বিষাক্ত উপাদান:
১. নিকোটিন: পর্তুগালে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত “জন নিকোট” এর নাম থেকে নিকোটিন শব্দের উদ্ভব। সে-ই ফ্রান্সে ধূমপানের প্রথম প্রচলন করেছিল।
নিকোটিন বর্ণহীন তরল পদার্থ, যা সিগারেট জ্বালানোর সময় বাতাসে বাদামি রং ধারণ করে। ধূমপায়ী যখন সিগারেটে টান দেয় অতঃপর বাইরে ধোঁয়া ত্যাগ করে, তখন নিকোটিনের খুব সামান্য বা সূক্ষ্ম অংশ ফুসফুসে প্রবেশ করে। যদি কোনো মানুষের শিরায় নির্দিষ্ট পরিমাণ নিকোটিন প্রবেশ করানো হয়, তাহলে তার ক্রিয়ায় মৃত্যু অনিবার্য। বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষার নিমিত্তে জীবিত খরগোশের গায়ে নিকোটিনের উপাদান পুশ করে দেখেছেন যে, নিকোটিনের প্রভাবে খরগোশটি অবশ হয়ে পড়ল এবং কিছুক্ষণের মধ্যে মারা গেল।
নাকের নিশ্বাস থেকে ফুসফুসে এবং সেখান থেকে রক্তের শিরায় শিরায় নিকোটিন প্রবেশ করে। ধূমপান আরম্ভের আট সেকেন্ডের মধ্যে মস্তিষ্কে নিকোটিন প্রবেশ করে ও গভীরভাবে আঘাত হানে।
২- কার্বন মনো অক্সাইড: ধূমপানে মজুদ দ্বিতীয় বিষাক্ত উপাদান কার্বন মনো অক্সাইড। এ বিষ ক্রমাগত শরীরে প্রবেশ করে দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতার সৃষ্টি করে, যার ফলে মানসিক ক্লান্তি, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা ও শ্বাসকষ্টের জন্ম হয়। এ গ্যাস এমন ঘাতক যে, কোনো ব্যক্তি যদি দীর্ঘ সময় বায়ুহীন আবদ্ধ ঘরে তা গ্রহণ করে, তাহলে তার মৃত্যু অনিবার্য অথবা তার মস্তিষ্ক স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিশ্চিত। রক্তে কার্বন মনো অক্সাইডের উপস্থিতি থাকলে মস্তিষ্ক ও হার্টে অক্সিজেন পৌঁছতে বাধার সম্মুখীন হয়।
৩- অ্যামোনিয়া: ধূমপানে মজুদ এ উপাদান ধূমপায়ীর মধ্যে কাশির রোগ সৃষ্টি করে।
৪- ক্যান্সারের উপাদান: ধূমপানে ক্যান্সারের উপাদান রয়েছে বিধায় ধূমপায়ীরা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় ও তাদের মধ্যে ক্ষয়রোগ দেখা দেয়।
৫- বেনজিন: এক প্রকার জৈবযৌগ যা মুখের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী, গলনালি ও শ্বাসনালীর ওপর পর্দার সৃষ্টি করে। এ কারণে ধূমপায়ীদের মধ্যে ফুসফুস ফোলা ও ফুসফুসে ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এ থেকে শ্বাসকষ্ট রোগ হয়, যা ধীরে ধীরে ধূমপায়ীকে চলার অযোগ্য করে দেয়। যার পরিসমাপ্তি ঘটে হার্টের নিষ্ক্রিয়তা ও ধূমপায়ীর মৃত্যুর মাধ্যমে।
নিকোটিন বর্ণহীন তরল পদার্থ, যা সিগারেট জ্বালানোর সময় বাতাসে বাদামি রং ধারণ করে। ধূমপায়ী যখন সিগারেটে টান দেয় অতঃপর বাইরে ধোঁয়া ত্যাগ করে, তখন নিকোটিনের খুব সামান্য বা সূক্ষ্ম অংশ ফুসফুসে প্রবেশ করে। যদি কোনো মানুষের শিরায় নির্দিষ্ট পরিমাণ নিকোটিন প্রবেশ করানো হয়, তাহলে তার ক্রিয়ায় মৃত্যু অনিবার্য। বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষার নিমিত্তে জীবিত খরগোশের গায়ে নিকোটিনের উপাদান পুশ করে দেখেছেন যে, নিকোটিনের প্রভাবে খরগোশটি অবশ হয়ে পড়ল এবং কিছুক্ষণের মধ্যে মারা গেল।
নাকের নিশ্বাস থেকে ফুসফুসে এবং সেখান থেকে রক্তের শিরায় শিরায় নিকোটিন প্রবেশ করে। ধূমপান আরম্ভের আট সেকেন্ডের মধ্যে মস্তিষ্কে নিকোটিন প্রবেশ করে ও গভীরভাবে আঘাত হানে।
২- কার্বন মনো অক্সাইড: ধূমপানে মজুদ দ্বিতীয় বিষাক্ত উপাদান কার্বন মনো অক্সাইড। এ বিষ ক্রমাগত শরীরে প্রবেশ করে দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতার সৃষ্টি করে, যার ফলে মানসিক ক্লান্তি, মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা ও শ্বাসকষ্টের জন্ম হয়। এ গ্যাস এমন ঘাতক যে, কোনো ব্যক্তি যদি দীর্ঘ সময় বায়ুহীন আবদ্ধ ঘরে তা গ্রহণ করে, তাহলে তার মৃত্যু অনিবার্য অথবা তার মস্তিষ্ক স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিশ্চিত। রক্তে কার্বন মনো অক্সাইডের উপস্থিতি থাকলে মস্তিষ্ক ও হার্টে অক্সিজেন পৌঁছতে বাধার সম্মুখীন হয়।
৩- অ্যামোনিয়া: ধূমপানে মজুদ এ উপাদান ধূমপায়ীর মধ্যে কাশির রোগ সৃষ্টি করে।
৪- ক্যান্সারের উপাদান: ধূমপানে ক্যান্সারের উপাদান রয়েছে বিধায় ধূমপায়ীরা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় ও তাদের মধ্যে ক্ষয়রোগ দেখা দেয়।
৫- বেনজিন: এক প্রকার জৈবযৌগ যা মুখের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লী, গলনালি ও শ্বাসনালীর ওপর পর্দার সৃষ্টি করে। এ কারণে ধূমপায়ীদের মধ্যে ফুসফুস ফোলা ও ফুসফুসে ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এ থেকে শ্বাসকষ্ট রোগ হয়, যা ধীরে ধীরে ধূমপায়ীকে চলার অযোগ্য করে দেয়। যার পরিসমাপ্তি ঘটে হার্টের নিষ্ক্রিয়তা ও ধূমপায়ীর মৃত্যুর মাধ্যমে।