hadith book logo

দীনে ইসলামে বিদআত ক্ষতি ও কুপ্রভাব

লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১০

বিদআতের কুফল

এমন অনেকের সাক্ষাত পাবেন যারা ইসলামী চেতনায় সমৃদ্ধ। কিন্তু বলেন, বিদআতের বিরোধিতায় এত বাড়াবাড়ির কি দরকার? কেউ একটু মীলাদ পড়লে, কুলখানি বা চল্লিশা-চেহলাম পালন কিংবা এ জাতীয় কিছু করলে দ্বীন ইসলামের কি এমন ক্ষতি হয়ে যায়?

আমি একদিন এক মসজিদের ইমাম সাহেবের বক্তব্য শুনছিলাম। তিনি বলছিলেন শবে মিরাজ উপলক্ষ্যে এ রাতে কোন বিশেষ সালাত, ইবাদাত-বন্দেগী বা সিয়াম নেই। যদি শবে মিরাজ উপলক্ষ্যে কোন আমল করা হয় তা বিদআত হিসাবেই গণ্য হবে।

তার এ বক্তব্য শেষ হতে না হতেই কয়েকজন শিক্ষিত শ্রেণীর মুসল্লী বলে উঠলেন, হুজুর এ কি বলেন! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুহাববতে এ রাতে কিছু করলে বিদআত হবে কেন? প্রশণকারী লোকগুলো যে বিভ্রান্ত বা বিদআতপন্থী তা কিন্তু নয়। তাদের খারাপ কোন উদ্দেশ্যও ছিল না। কিন্তু তারা যা করার ইচ্ছা করেছেন, তার ভয়াবহ পরিণাম সম্পর্কে তাদের ধারণা নেই।

অবশ্যই রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুহববত ঈমানের অঙ্গ। আর সব ধরনের মুহাববতেই আবেগ থাকে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুহববতেও থাকবে। কিন্তু সেই আবেগ যেন মুহববতের নীতিমালা লংঘন না করে। সেই আবেগভরা মুহাববত যেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ও সুন্নাহর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়। যদি এমনটি হয় তাহলে বুঝতে হবে যে, রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুহাববতের নামে শয়তান তাকে ধোঁকায় ফেলেছে।

এ কথাতো মুসলিমদের কাছে দিবালোকের মত স্পষ্ট যে, খৃষ্টানরা বিদআতী কাজ-কর্ম করে ও তাদের নবীর মুহববতে বাড়াবাড়ি করে পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে। এ কথা যেমন পবিত্র কুরআনে এসেছে, তেমনি হাদীসেও আলোচনা করা হয়েছে।

আমি এখানে অতি সংক্ষেপে বিদআতের কতিপয় পরিণাম সম্পর্কে আলোচনা করছি যার অধিকাংশ شرح رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين للشيخ محمد بن صالح العثيمين- رحمه الله

নামক কিতাব থেকে নেয়া হয়েছে।