১
বিদ‘আত পরিচিতির মূলনীতি
লেখকঃ ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকা
আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা যিনি আমাদেরকে সত্যপথের দিকে হিদায়াত দিয়েছেন। সালাত ও সালাম পেশ করছি মহানবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লামের ওপর যিনি সুন্নাত ও বিদ‘আত সম্পর্কে উম্মতকে সম্যক দিক-নির্দেশনা দান করেছেন এবং সালাম পেশ করছি তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবায়ে কেরামের ওপরও।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত অনুসরণের অপরিহার্যতা সম্পর্কে মুসলিম মাত্রই অবহিত। সুন্নাতের বিপরীত মেরুতে অবস্থান হচ্ছে বিদ‘আতের। সে কারণেই বিদ‘আত থেকে বেঁচে থাকা ওয়াজিব এবং বিদ‘আতে লিপ্ত হওয়া হারাম। বর্তমান সমাজের চালচিত্রে বিদ‘আতের প্রচলন আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্নাত ও বিদ‘আত উভয়ের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণে পর্যাপ্ত জ্ঞানের যথেষ্ট অভাবই মূলতঃ এর কারণ। সুন্নাত মনে করেই বহু মানুষ বিদ‘আতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এ ভুল ধারণার কারণে বিদ‘আত থেকে মুক্তিলাভ হয়ে পড়ে আরো দুরূহ।
বিদ‘আতকে সহজে চিহ্নিত করার জন্য তাই প্রয়োজন এ সম্পর্কিত মৌলিক ও সাধারণ নীতিমালা সম্পর্কে অবগত হওয়া। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর সবার পক্ষে বিদ‘আতকে চিহ্নিত করা যাতে সহজ হয় সে উদ্দেশ্যে এ পুস্তিকাটি একটি প্রাথমিক প্রয়াস। এ সম্পর্কে বিদগ্ধ পাঠকবর্গের সুচিন্তিত ও দলীল নির্ভর যে কোনো মতামতকে অত্যন্ত ধন্যবাদের সাথে স্বাগত জানাই। আল্লাহ আমাদের সকলের ভালো কথা ও কাজ কবুল করুন। আমীন!!
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আল্লাহর নিকট ইসলামই হচ্ছে একমাত্র মনোনীত দীন। আল-কুরআনে তিনি বলেন,
﴿وَمَن يَبۡتَغِ غَيۡرَ ٱلۡإِسۡلَٰمِ دِينٗا فَلَن يُقۡبَلَ مِنۡهُ﴾ [ ال عمران : ٨٥ ]
‘‘যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দীন অনুসন্ধান করে, তা কখনোই তার কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে না’’। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮৫]
এ দীনকে পরিপূর্ণ করার ঘোষণাও আল্লাহ আল-কুরআনে দিয়েছেন,
﴿ٱلۡيَوۡمَ أَكۡمَلۡتُ لَكُمۡ دِينَكُمۡ وَأَتۡمَمۡتُ عَلَيۡكُمۡ نِعۡمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلۡإِسۡلَٰمَ دِينٗا﴾ [ المائدة : ٣ ]
‘‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দীন হিসেবে মনোনীত করলাম।’’ [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৩]
এ ঘোষণার পর আল-কুরআন ও সুন্নাহ’র বাইরে দীনের মধ্যে নতুন কোনো বিষয় সংযোজিত হওয়ার পথ চিরতরে রুদ্ধ হয়ে গেল এবং বিদ‘আত তথা নতুন যে কোনো বিষয় দীনী আমল ও আকীদা হিসেবে দীনের অন্তর্ভুক্ত হওয়াও হারাম হয়ে গেল। এ আলোচনায় বিদ‘আতের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি কীভাবে আমাদের সমাজে প্রচলিত বিদ‘আতগুলোকে সনাক্ত করা যায় সে সম্পর্কিত মূলনীতি তুলে ধরা হবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত অনুসরণের অপরিহার্যতা সম্পর্কে মুসলিম মাত্রই অবহিত। সুন্নাতের বিপরীত মেরুতে অবস্থান হচ্ছে বিদ‘আতের। সে কারণেই বিদ‘আত থেকে বেঁচে থাকা ওয়াজিব এবং বিদ‘আতে লিপ্ত হওয়া হারাম। বর্তমান সমাজের চালচিত্রে বিদ‘আতের প্রচলন আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্নাত ও বিদ‘আত উভয়ের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণে পর্যাপ্ত জ্ঞানের যথেষ্ট অভাবই মূলতঃ এর কারণ। সুন্নাত মনে করেই বহু মানুষ বিদ‘আতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এ ভুল ধারণার কারণে বিদ‘আত থেকে মুক্তিলাভ হয়ে পড়ে আরো দুরূহ।
বিদ‘আতকে সহজে চিহ্নিত করার জন্য তাই প্রয়োজন এ সম্পর্কিত মৌলিক ও সাধারণ নীতিমালা সম্পর্কে অবগত হওয়া। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর সবার পক্ষে বিদ‘আতকে চিহ্নিত করা যাতে সহজ হয় সে উদ্দেশ্যে এ পুস্তিকাটি একটি প্রাথমিক প্রয়াস। এ সম্পর্কে বিদগ্ধ পাঠকবর্গের সুচিন্তিত ও দলীল নির্ভর যে কোনো মতামতকে অত্যন্ত ধন্যবাদের সাথে স্বাগত জানাই। আল্লাহ আমাদের সকলের ভালো কথা ও কাজ কবুল করুন। আমীন!!
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আল্লাহর নিকট ইসলামই হচ্ছে একমাত্র মনোনীত দীন। আল-কুরআনে তিনি বলেন,
﴿وَمَن يَبۡتَغِ غَيۡرَ ٱلۡإِسۡلَٰمِ دِينٗا فَلَن يُقۡبَلَ مِنۡهُ﴾ [ ال عمران : ٨٥ ]
‘‘যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দীন অনুসন্ধান করে, তা কখনোই তার কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে না’’। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮৫]
এ দীনকে পরিপূর্ণ করার ঘোষণাও আল্লাহ আল-কুরআনে দিয়েছেন,
﴿ٱلۡيَوۡمَ أَكۡمَلۡتُ لَكُمۡ دِينَكُمۡ وَأَتۡمَمۡتُ عَلَيۡكُمۡ نِعۡمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ ٱلۡإِسۡلَٰمَ دِينٗا﴾ [ المائدة : ٣ ]
‘‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দীন হিসেবে মনোনীত করলাম।’’ [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৩]
এ ঘোষণার পর আল-কুরআন ও সুন্নাহ’র বাইরে দীনের মধ্যে নতুন কোনো বিষয় সংযোজিত হওয়ার পথ চিরতরে রুদ্ধ হয়ে গেল এবং বিদ‘আত তথা নতুন যে কোনো বিষয় দীনী আমল ও আকীদা হিসেবে দীনের অন্তর্ভুক্ত হওয়াও হারাম হয়ে গেল। এ আলোচনায় বিদ‘আতের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি কীভাবে আমাদের সমাজে প্রচলিত বিদ‘আতগুলোকে সনাক্ত করা যায় সে সম্পর্কিত মূলনীতি তুলে ধরা হবে।