hadith book logo

জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন

লেখকঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২

অনুবাদকের কথা

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য। দরূদ এবং সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর। জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একজন মুসলিমকে পবিত্র ক্বুরআন ও ছহীহ হাদীছের পথনির্দেশ মেনে চলতে হবে। মানুষের এই নশ্বর পৃথিবীতে আগমন করার সময় যেমন তার অভিভাবকের কতিপয় দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে, তেমনি তার মৃত্যুর সময়ও জীবিতদের কিছু করণীয় রয়েছে। আর এ সবকিছুই আমাদের পবিত্র দ্বীনে ইসলামে সবিস্তারে বর্ণিত হয়েছে। কল্যাণের এমন কোন দিক নেই, যা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বাৎলে দিয়ে যান নি। অনুরূপভাবে এমন কোন অকল্যাণ নেই, যা থেকে তিনি আমাদেরকে সতর্ক করে যাননি। অতএব, কোন মুসলিম মৃত্যুমুখে পতিত হলে তাকে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ স্মরণ করাতে হবে। অতঃপর সে মৃত্যুবরণ করলে সুন্নাতী তরীক্বায় তার কাফন-দাফনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, একজন মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হওয়া থেকে শুরু করে মৃত্যুর পরে তাকে দাফনের পর পর্যন্ত অসংখ্য কুসংস্কার এবং অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড আমাদের দেশে প্রচলিত আছে। এমন সময় মানুষের কি কি করণীয় এবং কি কি বর্জনীয়, সে সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা এই ছোট্ট পুস্তিকায় প্রশ্নোত্তর আকারে দেওয়া হয়েছে।

মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। সেজন্য হাযার চেষ্টা সত্ত্বেও ভুল হওয়া স্বাভাবিক। আশা করি, বিজ্ঞ পাঠকগণ ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পরামর্শ, নির্দেশনা ও সহযোগিতা দিয়ে অনুবাদককে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করবেন।

পরিশেষে, অনুবাদকের কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা সার্বিক সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আল্লাহপাক তাঁদেরকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। পাঠকগণ বইটি পড়ে উপকৃত হলে আমাদের শ্রম স্বার্থক হবে ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াসটুকু ক্ববূল করুন এবং ইহাকে আমাদের পরকালীন পাথেয় হিসাবে মঞ্জুর করুন। আমীন!

বিনীত

আব্দুল আলীম বিন কাওসার

[email protected]