১
মানুষের প্রাণ বাঁচাতেই কিসাস বা প্রাণদণ্ড
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
কিছু দেশের শরীয়া বিধান বাস্তবায়নকে উগ্রতা বলে আখ্যায়িত করা হয় কেন?
ইসলামী রাষ্ট্র যেসব ইসলামী আইন প্রয়োগ করে তার কিছুকে ‘উগ্রতা’ বলে কেউ কেউ আখ্যায়িত করে। এরা কিন্তু আর দশটি দেশের মতোই সে দেশের জনগণ বা সংখ্যাগুরু নাগরিকের পছন্দ মতো আইন বাস্তবায়নকে জরুরী মনে করে। আর যখন ইসলামী রাষ্ট্রে অধিকাংশ জনগণ ইসলামকে তাদের বিশ্বাস ও বিধান হিসেবে গ্রহণ করে তখন কিন্তু সে আইনকে ভারসাম্যহীন বা বাড়াবাড়ি বলে অভিহিত করা কোনো মানুষের ধারণা প্রদান সমুচীন হতে পারে না। চাই সে ইসলাম সম্পর্কে কিছু জানুক আর না জানুক। চাই এ ব্যক্তি মানুষের স্বাভাবিক মূল্যবোধের মান রক্ষাকারী হোক কিংবা বল্গাহীনভাবে স্বাধীন হোক। সে ধরনের কথা বিশ্বের বিভিন্ন ভূখণ্ডের মুসলমানদের বাস্তবায়নের আলোকেও বলা সম্ভব নয়। কেননা এর উগ্রতা বা ভারসাম্যতা নির্ণীত হবে পবিত্র কুরআন, রাসূলুল্লাহর সুন্নাহ ও কুরআন-সুন্নাহ বিষয়ে পারদর্শী মুসলিমদের মধ্যে যারা আলিম তাদের নির্ভরযোগ্য বক্তব্যের আলোকে। আর সমকালীন বিশ্বের সব মুসলিম দেশে যা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ইসলামের প্রাথমিক যুগের আরশিতে দেখলে তাকে বিচ্ছিন্ন গণ্য করা যায় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ, খেলাফতে রাশেদা এমনকি তার অব্যবহিত পরবর্তী যুগগুলোর সঙ্গেও রয়েছে এর অদূর সম্পর্ক।
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে সচেতন ইসলামী রাষ্ট্র সমকালের প্রেক্ষাপটে জীবনের বাস্তবতার প্রতি লক্ষ্য রাখবে, যা থেকে কিছুতেই বিচ্ছিন্ন হওয়া সম্ভব নয়। যার ফলে একজন মুসলমান তার সকল বিষয়ে এবং সকল অবস্থায় ইসলামের আদর্শ বিধান বাস্তবায়নে শৈথিল্য প্রদর্শন করে। এ কারণে ইসলামী রাষ্ট্রের এবং তার সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকের ইসলাম পালনের স্তর অনুযায়ী ইসলামী রাষ্ট্রের আসমানী বিধান বাস্তবায়নে তারতম্য দেখা যায়। তবে কোনো অবস্থাতেই আসমানী বিধানকে বাতিল করা বা তার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অবকাশ নেই যতক্ষণ তা অকাট্য বা প্রায় অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয় এবং বাস্তবায়নের শর্তাদি উপস্থিত থাকে।
পরিশেষে কিসাস আইনের কল্যাণকারিতা উপলব্ধির জন্য আল্লাহ সব শ্রেণীর মানুষকে শুভবুদ্ধি দান করুন, এই কামনা করি।
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে সচেতন ইসলামী রাষ্ট্র সমকালের প্রেক্ষাপটে জীবনের বাস্তবতার প্রতি লক্ষ্য রাখবে, যা থেকে কিছুতেই বিচ্ছিন্ন হওয়া সম্ভব নয়। যার ফলে একজন মুসলমান তার সকল বিষয়ে এবং সকল অবস্থায় ইসলামের আদর্শ বিধান বাস্তবায়নে শৈথিল্য প্রদর্শন করে। এ কারণে ইসলামী রাষ্ট্রের এবং তার সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকের ইসলাম পালনের স্তর অনুযায়ী ইসলামী রাষ্ট্রের আসমানী বিধান বাস্তবায়নে তারতম্য দেখা যায়। তবে কোনো অবস্থাতেই আসমানী বিধানকে বাতিল করা বা তার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অবকাশ নেই যতক্ষণ তা অকাট্য বা প্রায় অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয় এবং বাস্তবায়নের শর্তাদি উপস্থিত থাকে।
পরিশেষে কিসাস আইনের কল্যাণকারিতা উপলব্ধির জন্য আল্লাহ সব শ্রেণীর মানুষকে শুভবুদ্ধি দান করুন, এই কামনা করি।