১
স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন-উত্তর
লেখকঃ শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
অষ্টাদশ প্রশ্ন:
মূল্য গ্রহণ করার পূর্বে স্বর্ণ বের কেরে দেয়ার বিধান কী হবে— যখন সে নিকটতম কেউ হওয়ার কারণে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কায় এরূপ করে, অথচ তার পূর্ণ আস্থা আছে যে, সে অচিরেই তার মূল্য পরিশোধ করে দিবে, যদিও কিছু সময় বিলম্ব হবে?
উত্তর:
তোমার সাধারণ নিয়ম জেনে রাখা আবশ্যক যে, পুরাপুরি মূল্য গ্রহণ করা ব্যতীত মুদ্রার বিনিময়ে স্বর্ণ বিক্রয় করা কখনও বৈধ হবে না, এ ক্ষেত্রে নিকটতম ও দূরতম সম্পর্কের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই; কেননা, আল্লাহর দীন এ ব্যাপারে কারও পক্ষপাতিত্ব করে না। আর যখন আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য করার কারণে কোনো নিকটতম ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়, তাহলে সে ক্ষুব্ধ হউক; কেননা, সে জালিম, অপরাধী পাপী, যে নাকি তোমার কাছে আবদার করে যে, তুমি আল্লাহর অবাধ্যতায় জড়িয়ে যাও। আর বাস্তবে তুমি মুক্ত হয়ে গিয়েছ, যখন তুমি তাকে তোমার সাথে হারাম বা অবৈধ লেনদেন করতে নিষেধ করে দিয়েছ; সুতরাং সে যখন এ কারণে তোমার প্রতি ক্ষুব্ধ হবে, তখন সে হবে পাপী, তোমার উপর তার পাপের কিছুই বর্তাবে না।
উত্তর:
তোমার সাধারণ নিয়ম জেনে রাখা আবশ্যক যে, পুরাপুরি মূল্য গ্রহণ করা ব্যতীত মুদ্রার বিনিময়ে স্বর্ণ বিক্রয় করা কখনও বৈধ হবে না, এ ক্ষেত্রে নিকটতম ও দূরতম সম্পর্কের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই; কেননা, আল্লাহর দীন এ ব্যাপারে কারও পক্ষপাতিত্ব করে না। আর যখন আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য করার কারণে কোনো নিকটতম ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়, তাহলে সে ক্ষুব্ধ হউক; কেননা, সে জালিম, অপরাধী পাপী, যে নাকি তোমার কাছে আবদার করে যে, তুমি আল্লাহর অবাধ্যতায় জড়িয়ে যাও। আর বাস্তবে তুমি মুক্ত হয়ে গিয়েছ, যখন তুমি তাকে তোমার সাথে হারাম বা অবৈধ লেনদেন করতে নিষেধ করে দিয়েছ; সুতরাং সে যখন এ কারণে তোমার প্রতি ক্ষুব্ধ হবে, তখন সে হবে পাপী, তোমার উপর তার পাপের কিছুই বর্তাবে না।