১
নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি
লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
৩- সহনশীলতা
সহনশীলতায় ও ক্রোধ-সংবরণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সর্বোচ্চ আদর্শ। কখনো তাঁর পক্ষ হতে মন্দ কথন ও কর্ম প্রকাশ পায়নি, নির্যাতন-অবিচারের শিকার হলেও কখনো প্রতিশোধ নেননি। কখনো কোন সেবক বা স্ত্রীকে প্রহার করেননি। আয়েশা (রা:) বলেন
ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم منتصرا لمظلمة ظلمها قط، ما لم تكن حرمة من محارم الله، وماضرب بيده شيئا قط إلا أن يجاهد في سبيل الله، وماضرب خادما قط ولا امرأة . رواه مسلم :(৪২৯৬)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকেতআল্লাহর নিষিদ্ধ সীমা-রেখা লঙ্ঘন না হলেতকখনো নিজের প্রতি জুলুম-নির্যাতনের কোন প্রতিশোধ নিতে আমি দেখিনি। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা ব্যতীত তিনি কখনো কোন কিছুকে স্বীয় হস্ত দ্বারা প্রহার করেননি। এবং তিনি কখনো কোন সেবক বা স্ত্রীকে প্রহার করেননি।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহনশীলতার সমর্থনে কয়েকটি ঘটনা নিম্নে উল্লেখ করা হল
উহুদ যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুখমন্ডল আঘাত প্রাপ্ত হল, কয়েকটি দাঁত ভেঙে গেল, মাথায় পরিধেয় শিরস্ত্রাণ খন্ড-বিখন্ড হল, তারপরেও তিনি কোরাইশদের বিরুদ্ধে বদ-দোআ করেননি। বরং তিনি বলেছেন
اللهم اغفر لقومي فإنهم لايعلمون . رواه مسلم :(৩২১৮)
হে আল্লাহ ! আমার জাতিকে ক্ষমা কর, কেননা তারা জানে না।
জনৈক বেদুইন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাদর শক্তভাবে টান দিলে তাঁর গলায় দাগ হয়ে গেল। তিনি বললেন:
احمل لي على بعيريّ هذين من مال الله الذي عندك، فإنك لاتحمل من مالك ومال أبيك
‘‘আল্লাহর যে সব মাল তোমার কাছে আছে আমার এই দু‘উটের উপর আমার জন্য তা তুলে দাও। কেননা তুমি আমার জন্য তোমার সম্পদ ও তোমার পিতা-মাতার সম্পদ তুলে দেবে না।’’
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে আচরণে সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তিনি শুধু বললেন:
المال مال الله، وأنا عبده، ويقاد منك يا أعرابي ما فعلت بي
‘‘মাল হচ্ছে আল্লাহর, আমি তাঁর বান্দা। হে বেদুইন ! তোমার কাছ থেকে আমার সাথে কৃত অনাচারের কেসাস নেয়া হবে।’’ বেদুইন বলল: নানবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কেন ? সে বলল:
لأنك لا تكافئ السيئة بالسيئة . أبوداود :(৪১৪৫)
‘কেননা, তুমি তো খারাপের প্রতিশোধ খারাপ দিয়ে নাও না।’ একথা শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন, এবং এক উটের উপর গম অন্য উটের উপর খেজুর বহন করে দেয়ার আদেশ প্রদান করলেন।’
ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم منتصرا لمظلمة ظلمها قط، ما لم تكن حرمة من محارم الله، وماضرب بيده شيئا قط إلا أن يجاهد في سبيل الله، وماضرب خادما قط ولا امرأة . رواه مسلم :(৪২৯৬)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকেতআল্লাহর নিষিদ্ধ সীমা-রেখা লঙ্ঘন না হলেতকখনো নিজের প্রতি জুলুম-নির্যাতনের কোন প্রতিশোধ নিতে আমি দেখিনি। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা ব্যতীত তিনি কখনো কোন কিছুকে স্বীয় হস্ত দ্বারা প্রহার করেননি। এবং তিনি কখনো কোন সেবক বা স্ত্রীকে প্রহার করেননি।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহনশীলতার সমর্থনে কয়েকটি ঘটনা নিম্নে উল্লেখ করা হল
উহুদ যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুখমন্ডল আঘাত প্রাপ্ত হল, কয়েকটি দাঁত ভেঙে গেল, মাথায় পরিধেয় শিরস্ত্রাণ খন্ড-বিখন্ড হল, তারপরেও তিনি কোরাইশদের বিরুদ্ধে বদ-দোআ করেননি। বরং তিনি বলেছেন
اللهم اغفر لقومي فإنهم لايعلمون . رواه مسلم :(৩২১৮)
হে আল্লাহ ! আমার জাতিকে ক্ষমা কর, কেননা তারা জানে না।
জনৈক বেদুইন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাদর শক্তভাবে টান দিলে তাঁর গলায় দাগ হয়ে গেল। তিনি বললেন:
احمل لي على بعيريّ هذين من مال الله الذي عندك، فإنك لاتحمل من مالك ومال أبيك
‘‘আল্লাহর যে সব মাল তোমার কাছে আছে আমার এই দু‘উটের উপর আমার জন্য তা তুলে দাও। কেননা তুমি আমার জন্য তোমার সম্পদ ও তোমার পিতা-মাতার সম্পদ তুলে দেবে না।’’
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে আচরণে সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, তিনি শুধু বললেন:
المال مال الله، وأنا عبده، ويقاد منك يا أعرابي ما فعلت بي
‘‘মাল হচ্ছে আল্লাহর, আমি তাঁর বান্দা। হে বেদুইন ! তোমার কাছ থেকে আমার সাথে কৃত অনাচারের কেসাস নেয়া হবে।’’ বেদুইন বলল: নানবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কেন ? সে বলল:
لأنك لا تكافئ السيئة بالسيئة . أبوداود :(৪১৪৫)
‘কেননা, তুমি তো খারাপের প্রতিশোধ খারাপ দিয়ে নাও না।’ একথা শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন, এবং এক উটের উপর গম অন্য উটের উপর খেজুর বহন করে দেয়ার আদেশ প্রদান করলেন।’