১
সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
লেখকের ভূমিকা
الحمد لله الذي له الحمد كله ، و أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له ، و أشهد أن محمداً عبده و رسوله ، صلى الله عليه و على اله و أصحابه و سلم .
(সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল প্রশংসার মালিক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই; তাঁর কোন শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাত ও সালাম বর্ষিত হউক তাঁর প্রতি এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীবৃন্দের প্রতি)। অতঃপর:
মনের শান্তি ও আনন্দ অনুভব করা এবং অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর করা প্রত্যেক ব্যক্তির অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আর এর দ্বারাই পবিত্র জীবন অর্জিত হয় এবং আনন্দ ও প্রফুল্লতা পরিপূর্ণতা লাভ করে। তা অর্জনের জন্য রয়েছে ধর্মীয়, স্বভাবগত ও আমলী উপায়-উপকরণসমূহ। আর এসব উপায়-উপকরণের সামগ্রীক সমন্বয় সাধন মুমিনগণ ব্যতীত অন্য কারও পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠে না। আর অন্যদের বেলায় এর কোন একটি দিক অর্জিত হলেও হতে পারে। এর কোন একটি উপায়-উপকরণ নিয়ে পণ্ডিতগণ চেষ্টা-সাধনা ও গবেষণা করলে, তাদের নিকট তার বহু উপকারী ও সুন্দর সুন্দর দিক ফুটে উঠে। কিন্তু আমি আমার এই পুস্তিকায় এমন কিছু বিষয় উল্লেখ করব, যা এই মহান উদ্দেশ্য হাসিলের অন্যতম উপায় ও মাধ্যম বলে বিবেচিত হবে এবং যার জন্য প্রত্যেকেই চেষ্টা-সাধনা করবে।
সুতরাং তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ঐসব উপায়-উপকরণের অধিকাংশ অর্জন করতে পারবে, সে সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে এবং উপভোগ করবে পবিত্রময় জীবন। আর তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তা অর্জনে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হবে, তার জীবন অতিবাহিত হবে দুঃখ-কষ্টে। আবার তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি মাঝামাঝি পর্যায়ের হবে, আল্লাহ প্রদত্ত তাওফিক অনুযায়ী জীবনযাপন করবে। আর আল্লাহই তাওফিকদাতা, তাঁর সাহায্যেই সকল কল্যাণ অর্জিত হয় এবং অকল্যাণ প্রতিরোধ হয়।
(সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল প্রশংসার মালিক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই; তাঁর কোন শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাত ও সালাম বর্ষিত হউক তাঁর প্রতি এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীবৃন্দের প্রতি)। অতঃপর:
মনের শান্তি ও আনন্দ অনুভব করা এবং অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর করা প্রত্যেক ব্যক্তির অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আর এর দ্বারাই পবিত্র জীবন অর্জিত হয় এবং আনন্দ ও প্রফুল্লতা পরিপূর্ণতা লাভ করে। তা অর্জনের জন্য রয়েছে ধর্মীয়, স্বভাবগত ও আমলী উপায়-উপকরণসমূহ। আর এসব উপায়-উপকরণের সামগ্রীক সমন্বয় সাধন মুমিনগণ ব্যতীত অন্য কারও পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠে না। আর অন্যদের বেলায় এর কোন একটি দিক অর্জিত হলেও হতে পারে। এর কোন একটি উপায়-উপকরণ নিয়ে পণ্ডিতগণ চেষ্টা-সাধনা ও গবেষণা করলে, তাদের নিকট তার বহু উপকারী ও সুন্দর সুন্দর দিক ফুটে উঠে। কিন্তু আমি আমার এই পুস্তিকায় এমন কিছু বিষয় উল্লেখ করব, যা এই মহান উদ্দেশ্য হাসিলের অন্যতম উপায় ও মাধ্যম বলে বিবেচিত হবে এবং যার জন্য প্রত্যেকেই চেষ্টা-সাধনা করবে।
সুতরাং তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ঐসব উপায়-উপকরণের অধিকাংশ অর্জন করতে পারবে, সে সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে এবং উপভোগ করবে পবিত্রময় জীবন। আর তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তা অর্জনে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হবে, তার জীবন অতিবাহিত হবে দুঃখ-কষ্টে। আবার তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি মাঝামাঝি পর্যায়ের হবে, আল্লাহ প্রদত্ত তাওফিক অনুযায়ী জীবনযাপন করবে। আর আল্লাহই তাওফিকদাতা, তাঁর সাহায্যেই সকল কল্যাণ অর্জিত হয় এবং অকল্যাণ প্রতিরোধ হয়।