১
যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার
লেখকঃ সালেহ ইবন্ ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
যুবকদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিক-নির্দেশনা:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবকদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলেন,
«يَا غُلَامُ إِنِّي أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ، احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ، احْفَظِ اللَّهَ تَجِدْهُ تُجَاهَكَ، إِذَا سَأَلْتَ فَاسْأَلِ اللَّهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ، »
“হে বৎস! আমি তোমাকে কয়েকটি বাক্য শিখিয়ে দেব, তুমি আল্লাহর হেফাযত কর, আল্লাহ তোমাকে হেফাযত করবে। তুমি আল্লাহর হেফাযত কর, আল্লাহকে তুমি তোমার সম্মুখ দেখতে পাবে। যখন তুমি কিছু চাও আল্লাহর কাছে চাও। আর যখন সাহায্য চাও আল্লাহর কাছে চাও”। মু‘আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন গাধার পিঠে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে বসা ছিলেন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, হে মুয়াজ! তুমি কি জান বান্দার উপর আল্লাহর হক কি?... । ছোট শিশু ওমর ইবন আবু সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন তার সাথে খাচ্ছিল এবং হাতকে প্লেটের সব জায়গায় ঘোরাচ্ছিল, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত ধরে ফেলেন এবং তাকে সম্বোধন করে বলেন,
«يَا غُلاَمُ، سَمِّ اللَّهَ، وَكُلْ بِيَمِينِكَ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ» فَمَا زَالَتْ تِلْكَ طِعْمَتِي بَعْدُ
“হে গোলাম-বৎস! খাওয়ার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়, ডান হাত দিয়ে খাও এবং তোমার সামনের অংশ থেকে খাও। এর পর থেকে সারা জীবন এ নিয়মই ছিল আমার আমার খাদ্য গ্রহণের নিয়ম।”
ছোট শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে এসব দিক-নির্দেশনা মানব জাতির জন্য অনুকরণীয় ও অনবদ্য আদর্শ। তিনি বাচ্চাদেরকে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আদব ও শিষ্টাচারগুলো শিক্ষা দেন, যাতে বাল্যকাল থেকে তাদের অন্তরে ইসলামী আদব ও শিষ্টাচারগুলো গেঁথে যায়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উল্লেখিত হাদিস ও যুবকদের দিক-নির্দেশনা দেয়া থেকে এ কথা প্রমাণিত হয়, যুবকদের ভাল কাজের প্রতি উৎসাহ দেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বড়দের দায়িত্ব হল, তারা যুবকদেরকে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহ দেবে এবং কল্যাণমূলক কাজের প্রতি দিক-নির্দেশনা দেবে।
«يَا غُلَامُ إِنِّي أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ، احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَ، احْفَظِ اللَّهَ تَجِدْهُ تُجَاهَكَ، إِذَا سَأَلْتَ فَاسْأَلِ اللَّهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْتَ فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ، »
“হে বৎস! আমি তোমাকে কয়েকটি বাক্য শিখিয়ে দেব, তুমি আল্লাহর হেফাযত কর, আল্লাহ তোমাকে হেফাযত করবে। তুমি আল্লাহর হেফাযত কর, আল্লাহকে তুমি তোমার সম্মুখ দেখতে পাবে। যখন তুমি কিছু চাও আল্লাহর কাছে চাও। আর যখন সাহায্য চাও আল্লাহর কাছে চাও”। মু‘আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন গাধার পিঠে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে বসা ছিলেন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, হে মুয়াজ! তুমি কি জান বান্দার উপর আল্লাহর হক কি?... । ছোট শিশু ওমর ইবন আবু সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন তার সাথে খাচ্ছিল এবং হাতকে প্লেটের সব জায়গায় ঘোরাচ্ছিল, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত ধরে ফেলেন এবং তাকে সম্বোধন করে বলেন,
«يَا غُلاَمُ، سَمِّ اللَّهَ، وَكُلْ بِيَمِينِكَ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ» فَمَا زَالَتْ تِلْكَ طِعْمَتِي بَعْدُ
“হে গোলাম-বৎস! খাওয়ার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়, ডান হাত দিয়ে খাও এবং তোমার সামনের অংশ থেকে খাও। এর পর থেকে সারা জীবন এ নিয়মই ছিল আমার আমার খাদ্য গ্রহণের নিয়ম।”
ছোট শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে এসব দিক-নির্দেশনা মানব জাতির জন্য অনুকরণীয় ও অনবদ্য আদর্শ। তিনি বাচ্চাদেরকে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ আদব ও শিষ্টাচারগুলো শিক্ষা দেন, যাতে বাল্যকাল থেকে তাদের অন্তরে ইসলামী আদব ও শিষ্টাচারগুলো গেঁথে যায়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উল্লেখিত হাদিস ও যুবকদের দিক-নির্দেশনা দেয়া থেকে এ কথা প্রমাণিত হয়, যুবকদের ভাল কাজের প্রতি উৎসাহ দেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বড়দের দায়িত্ব হল, তারা যুবকদেরকে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহ দেবে এবং কল্যাণমূলক কাজের প্রতি দিক-নির্দেশনা দেবে।