১
কিতাবুল মোকাদ্দস, ইঞ্জিল শরীফ ও ঈসায়ী ধর্ম
লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
২. ৭. ১. ইঞ্জিল থেকে ইচ্ছাকৃত বিয়োজন
যীশু তার শিষ্যদেরকে কিয়ামত সম্পর্কে উপদেশ প্রদান করেন বলে মথি, মার্ক ও লূক উল্লেখ করেছেন। মথির বর্ণনা অনুসারে এ প্রসঙ্গে যীশু বলেন: (মথি ২৪/৩৪-৩৬) “(৩৪) আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, এই কালের লোকদের লোপ হইবে না, যে পর্যন্ত না এ সমস্ত সিদ্ধ হয়। (৩৫) আকাশের ও পৃথিবীর লোপ হইবে, কিন্তু আমার বাক্যের লোপ কখনও হইবে না। (৩৬) কিন্তু সেই দিনের ও সেই দণ্ডের কথা কেহই জানে না, স্বর্গের দূতগণও জানেন না, কেবল পিতা জানেন।” এ হলো অথোরাইযড ভার্শন বা কিং জেমস ভার্শন (AV/ KJV)-এর ভাষ্য (But of that day and hour knoweth no man, no, not the angels of heaven, but my Father only.)
আধুনিক গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, এখানে তিনটি শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছিল। শব্দগুলি নিম্নরূপ (neither the Son): “পুত্রও জানেন না”। রিভাইযড স্টান্ডার্ড ভার্সন (RSV)-এ শব্দগুলি সংযোজন করা হয়েছে। সংযোজিত বাক্যাংশটুকু-সহ শ্লোকটির অর্থ হচ্ছে: “কিন্তু সেই দিনের বা সেই দণ্ডের তত্ত্ব কেহই জানে না, স্বর্গস্থ দূতগণও জানেন না, পুত্রও জানেন না, কেবল পিতা জানেন।”
এ কথা-সহ এ শ্লোকটি প্রমাণ করে যে, যীশু বা যীশুর মধ্যে বিদ্যমান “পুত্র” সত্ত্বা ঈশ্বর ছিলেন না। এমনকি কিয়ামত কখন হবে সে জ্ঞানও তাঁর ছিল না। যীশুকে ঈশ্বর বলে যারা বিশ্বাস করেন তাদের জন্য কথাটি মেনে নেওয়া অসম্ভব। এজন্য বাইবেল লেখকগণ এ বাক্যাংশটুকু মুছে দিয়েছিলেন। আরো মজার ব্যাপার হলো লূকের বাইবেল থেকে এ শ্লোকটি পুরোই ফেলে দেওয়া হয়েছে। লূক ২১/৩২-৩৪ নিম্নরূপ: “(৩২) আমি তোমাদেরকে সত্য বলিতেছি, যে পর্যন্ত সমস্ত সিদ্ধ না হইবে সেই পর্যন্ত এই কালের লোকদের লোপ হইবে না। (৩৩) আকাশের ও পৃথিবীর লোপ হইবে, কিন্তু আমার বাক্যের লোপ কখনও হইবে না। (৩৪) কিন্তু আপনাদের বিষয়ে সাবধান থাকিও, পাছে ভোগপীড়ায় ও মত্ততায় এবং জীবিকার চিন্তায় তোমাদের হৃদয় ভারগ্রস্ত হয়, আর সেই দিন হঠাৎ ফাঁদের ন্যায় তোমাদের উপর আসিয়া পড়ে।”
আধুনিক গবেষণা প্রমাণ করেছে যে, এখানে তিনটি শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছিল। শব্দগুলি নিম্নরূপ (neither the Son): “পুত্রও জানেন না”। রিভাইযড স্টান্ডার্ড ভার্সন (RSV)-এ শব্দগুলি সংযোজন করা হয়েছে। সংযোজিত বাক্যাংশটুকু-সহ শ্লোকটির অর্থ হচ্ছে: “কিন্তু সেই দিনের বা সেই দণ্ডের তত্ত্ব কেহই জানে না, স্বর্গস্থ দূতগণও জানেন না, পুত্রও জানেন না, কেবল পিতা জানেন।”
এ কথা-সহ এ শ্লোকটি প্রমাণ করে যে, যীশু বা যীশুর মধ্যে বিদ্যমান “পুত্র” সত্ত্বা ঈশ্বর ছিলেন না। এমনকি কিয়ামত কখন হবে সে জ্ঞানও তাঁর ছিল না। যীশুকে ঈশ্বর বলে যারা বিশ্বাস করেন তাদের জন্য কথাটি মেনে নেওয়া অসম্ভব। এজন্য বাইবেল লেখকগণ এ বাক্যাংশটুকু মুছে দিয়েছিলেন। আরো মজার ব্যাপার হলো লূকের বাইবেল থেকে এ শ্লোকটি পুরোই ফেলে দেওয়া হয়েছে। লূক ২১/৩২-৩৪ নিম্নরূপ: “(৩২) আমি তোমাদেরকে সত্য বলিতেছি, যে পর্যন্ত সমস্ত সিদ্ধ না হইবে সেই পর্যন্ত এই কালের লোকদের লোপ হইবে না। (৩৩) আকাশের ও পৃথিবীর লোপ হইবে, কিন্তু আমার বাক্যের লোপ কখনও হইবে না। (৩৪) কিন্তু আপনাদের বিষয়ে সাবধান থাকিও, পাছে ভোগপীড়ায় ও মত্ততায় এবং জীবিকার চিন্তায় তোমাদের হৃদয় ভারগ্রস্ত হয়, আর সেই দিন হঠাৎ ফাঁদের ন্যায় তোমাদের উপর আসিয়া পড়ে।”