১
হে আমার মেয়ে
লেখকঃ আলী আত-তানতাওয়ী আল-মিসরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
ভূমিকা
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাত বর্ষিত হোক তাঁর রাসুলের ওপর।
আমি গত ষাট বছর যাবত বয়ান-বক্তৃতা করছি ও লিখছি। আমার কোনো লেখার ভাগ্যে এতটা প্রসার ও প্রসিদ্ধি জোটেনি, যতটা প্রসার ও প্রসিদ্ধি জোটেছে এ দু’টি [লেখকের অধিক প্রসিদ্ধ দ্বিতীয় প্রবন্ধ হচ্ছে: “হে আমার ছেলে”।] প্রবন্ধের, বিশেষভাবে ‘হে আমার মেয়ে’ প্রবন্ধটির। আমি যখন পঞ্চাশ বছরে পদার্পণ করছিলাম তখন প্রবন্ধটি লিখেছি, আজ আমি আশি বছরে পদার্পণ করছি। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি তিনি আমাকে সারাক্ষণ সুস্থতা ও সুন্দর পরিসমাপ্তি দান করুন। হে আল্লাহ, সে পাঠককেও উত্তম প্রতিদান দিন যে দু’হাত তুলে এবং বলে: আমীন।
যতটুকুন আমি জানি, ‘হে আমার মেয়ে’ প্রবন্ধটি চৌষট্টি বার প্রকাশিত হয়েছে। হয়তো আরও প্রকাশিত হয়েছে যা আমার জানা নেই। প্রবন্ধটি প্রকাশ করার অনুমতি আমি তাকেও দিয়েছি যে, তা বিনামূল্যে বিতরণ করতে চায় বা সামান্য লাভে বিক্রি করার ইচ্ছা করে।
বর্তমান আমরা দু’দিক থেকে হামলার শিকার:
১. দীনের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করে অশিক্ষিত ও কম শিক্ষিত মানুষকে দীন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার পায়তারা।
২. নফস ও প্রবৃত্তিকে উসকে দিয়ে মুসলিম যুবক-যুবতীদেরকে বিপথগামী করার ষড়যন্ত্র। প্রথমটি বেশি ভয়াবহ ও অধিক ক্ষতিকর, তবে খুব ধীর গতিতে তা অগ্রসর হয়। কারণ, দীন সম্পর্কে কোনো সন্দেহ পেশ করা হলে সবাই একবাক্যে তা গ্রহণ করবে -এরূপ নয়। পক্ষান্তরে দ্বিতীয় হামলা তার বিপরীত, প্রবৃত্তি যদি যুবকদেরকে হাতছানি দিয়ে ডাকে তাতে তারা সাড়া দেয় খুব দ্রুত। এ রোগটি অধিক প্রসারমাণ ও দ্রুত ছোঁয়াচে। যদিও রোগটি ব্যক্তিকে অসুস্থ করে কিন্তু নিঃশেষ করে না, কষ্ট দেয় কিন্তু মৃত্যু ঘটায় না। প্রথম রোগটি কুফুরী আর দ্বিতীয় রোগটি পাপ ও অবাধ্যতার দিকে নিয়ে যায়।
ছোট্ট এ বইখানা লেখার পরও আমি বহু লিখেছি, একাধিক বয়ান-বক্তৃতা করেছি, টকশোতে অংশ নিয়েছি এবং অনেক আলোচনা করেছি, কিন্তু আল্লাহর অনুগ্রহে প্রবন্ধটি আজও পাঠক ও পাঠিকার অন্তরকে আকর্ষণ করছে। আল্লাহর নিকট দো‘আ করছি, তিনি বইটি দ্বারা উপকৃত করুন এবং তার সাওয়াব দান করুন আমাকে এবং আমার সন্তান ও জামাতা মুহাম্মাদ নাদির হাতাহাতকে যে আজ তা প্রকাশ করতে যাচ্ছে।
এ লিখা ও তার অনুরূপ (হে আমার ছেলে) দ্বিতীয় লিখায় একটি হরফও পরিবর্তন করি নি, পরিবর্তন করব কীভাবে যা পাঠ করেছে শাম, জর্ডান, মিসর ও ইরাকের অসংখ্য মানুষ। যতটুকুন জানি বহু প্রসিদ্ধ ও অধিক কথিত ভাষায় তার অনুবাদ হয়েছে। যেমন, উর্দু, ইংরেজি প্রভৃতি ভাষা। পাঠক প্রিয়তা ও অধিক পড়ার কারণে প্রবন্ধ দু’টি মূলত পাঠকদের মালিকানায় চলে গেছে, অতএব আমি তাতে পরিবর্তন করব কীভাবে?! আমি এ কথাগুলো বলছি ও আল্লাহর নিকট ইস্তেগফার করছি।
আলী আত-তানতাওয়ী
মক্কা আল-মুকাররামাহ।
১২/০৩/১৪০৬ হিজরী
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাত বর্ষিত হোক তাঁর রাসুলের ওপর।
আমি গত ষাট বছর যাবত বয়ান-বক্তৃতা করছি ও লিখছি। আমার কোনো লেখার ভাগ্যে এতটা প্রসার ও প্রসিদ্ধি জোটেনি, যতটা প্রসার ও প্রসিদ্ধি জোটেছে এ দু’টি [লেখকের অধিক প্রসিদ্ধ দ্বিতীয় প্রবন্ধ হচ্ছে: “হে আমার ছেলে”।] প্রবন্ধের, বিশেষভাবে ‘হে আমার মেয়ে’ প্রবন্ধটির। আমি যখন পঞ্চাশ বছরে পদার্পণ করছিলাম তখন প্রবন্ধটি লিখেছি, আজ আমি আশি বছরে পদার্পণ করছি। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি তিনি আমাকে সারাক্ষণ সুস্থতা ও সুন্দর পরিসমাপ্তি দান করুন। হে আল্লাহ, সে পাঠককেও উত্তম প্রতিদান দিন যে দু’হাত তুলে এবং বলে: আমীন।
যতটুকুন আমি জানি, ‘হে আমার মেয়ে’ প্রবন্ধটি চৌষট্টি বার প্রকাশিত হয়েছে। হয়তো আরও প্রকাশিত হয়েছে যা আমার জানা নেই। প্রবন্ধটি প্রকাশ করার অনুমতি আমি তাকেও দিয়েছি যে, তা বিনামূল্যে বিতরণ করতে চায় বা সামান্য লাভে বিক্রি করার ইচ্ছা করে।
বর্তমান আমরা দু’দিক থেকে হামলার শিকার:
১. দীনের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি করে অশিক্ষিত ও কম শিক্ষিত মানুষকে দীন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার পায়তারা।
২. নফস ও প্রবৃত্তিকে উসকে দিয়ে মুসলিম যুবক-যুবতীদেরকে বিপথগামী করার ষড়যন্ত্র। প্রথমটি বেশি ভয়াবহ ও অধিক ক্ষতিকর, তবে খুব ধীর গতিতে তা অগ্রসর হয়। কারণ, দীন সম্পর্কে কোনো সন্দেহ পেশ করা হলে সবাই একবাক্যে তা গ্রহণ করবে -এরূপ নয়। পক্ষান্তরে দ্বিতীয় হামলা তার বিপরীত, প্রবৃত্তি যদি যুবকদেরকে হাতছানি দিয়ে ডাকে তাতে তারা সাড়া দেয় খুব দ্রুত। এ রোগটি অধিক প্রসারমাণ ও দ্রুত ছোঁয়াচে। যদিও রোগটি ব্যক্তিকে অসুস্থ করে কিন্তু নিঃশেষ করে না, কষ্ট দেয় কিন্তু মৃত্যু ঘটায় না। প্রথম রোগটি কুফুরী আর দ্বিতীয় রোগটি পাপ ও অবাধ্যতার দিকে নিয়ে যায়।
ছোট্ট এ বইখানা লেখার পরও আমি বহু লিখেছি, একাধিক বয়ান-বক্তৃতা করেছি, টকশোতে অংশ নিয়েছি এবং অনেক আলোচনা করেছি, কিন্তু আল্লাহর অনুগ্রহে প্রবন্ধটি আজও পাঠক ও পাঠিকার অন্তরকে আকর্ষণ করছে। আল্লাহর নিকট দো‘আ করছি, তিনি বইটি দ্বারা উপকৃত করুন এবং তার সাওয়াব দান করুন আমাকে এবং আমার সন্তান ও জামাতা মুহাম্মাদ নাদির হাতাহাতকে যে আজ তা প্রকাশ করতে যাচ্ছে।
এ লিখা ও তার অনুরূপ (হে আমার ছেলে) দ্বিতীয় লিখায় একটি হরফও পরিবর্তন করি নি, পরিবর্তন করব কীভাবে যা পাঠ করেছে শাম, জর্ডান, মিসর ও ইরাকের অসংখ্য মানুষ। যতটুকুন জানি বহু প্রসিদ্ধ ও অধিক কথিত ভাষায় তার অনুবাদ হয়েছে। যেমন, উর্দু, ইংরেজি প্রভৃতি ভাষা। পাঠক প্রিয়তা ও অধিক পড়ার কারণে প্রবন্ধ দু’টি মূলত পাঠকদের মালিকানায় চলে গেছে, অতএব আমি তাতে পরিবর্তন করব কীভাবে?! আমি এ কথাগুলো বলছি ও আল্লাহর নিকট ইস্তেগফার করছি।
আলী আত-তানতাওয়ী
মক্কা আল-মুকাররামাহ।
১২/০৩/১৪০৬ হিজরী