১
হুতী শিয়াদের আসল চেহারা
লেখকঃ প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
জারুদিয়াদের কিছু মৌলিক আকীদা:
১) তারা বিশ্বাস করে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পরে খলীফা হিসেবে আলী (রা.) কে নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন। তিনি আলী (রা.) এর নাম না নিলেও বৈশিষ্ট উল্লেখ করার মাধ্যমে তাঁকেই বুঝিয়েছিলেন।
২) তাদের মতে, আলী (রা.) এর মর্যাদা অন্য সকল সাহাবীর চেয়ে বেশী।
৩) আলী (রা.) এর পরে ইমাম হবে কেবল হাসান-হুসাইন ও তাদের বংশধরের মধ্য থেকে।
৪) তারা সাহাবীদেরকে কাফের মনে করে। কারণ, সাহাবীগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পরে আবু বকর (রা.) কে খলীফা হিসেবে মনোনিত করেছেন। তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বলে যাওয়া গুণ-বৈশিষ্টগুলো বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং সে বৈশিষ্টের আলোকে তারা আলী (রা.) কে খলীফা নিয়োগ করে নি। [দ্রষ্টব্য: আল ফারকু বাইনাল ফিরাক, পৃষ্ঠা নং ৩০-৩২]
৫) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পরে যারা আলী এবং তাঁর বংশধর থেকে ইমাম হওয়াকে আবশ্যক মনে করে না তারা কাফের।
৬) আবু বকর (রা.)ও উমরা (রা.)থেকে সর্ম্পক ছিন্ন করা এবং তাদেরকে গালাগালী করা। অনুরূপভাবে আয়েশা (রা.), মুয়াবিয়া (রা.)এবং আমর ইবনুল আস (রা.)কে গালাগালি করা।
৭) জারুদিয়া সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ মনে করে যে, তাদের যে সব ইমাম মারা গেছে তারা পূণরায় ফিরে আসবেন।
৮) তাদের মধ্যে অনেকে মুতা বিবাহ (চুক্তি ভিত্তিক সাময়িক বিয়ে)কে বৈধ মনে করে। [দ্রষ্টব্য: যিয়াদ ইবনে মুনযেরের জীবনী, মীযানুল ইতিদাল-ইমাম যাহাবী। রাফিযাতুল ইয়ামান, পৃষ্ঠা নং ১২৬-১২৮, মুহাম্মদ ইমাম, যায়দিয়া: পরিচয় ও আকীদা-বিশ্বাস, কাযী ইসমাইল আল আকওয়া, পৃষ্ঠা নং ২৪-২৫]
জারুদিয়াদের এসব আকীদা দেখলে বুঝা যাবে, তারা রাফেযীয়া- জাফরিয়া- ইমামিয়া- ইসনা আশারিয়া সম্প্রদায়ের অনেক কাছাকাছি অবস্থান করে।
২) তাদের মতে, আলী (রা.) এর মর্যাদা অন্য সকল সাহাবীর চেয়ে বেশী।
৩) আলী (রা.) এর পরে ইমাম হবে কেবল হাসান-হুসাইন ও তাদের বংশধরের মধ্য থেকে।
৪) তারা সাহাবীদেরকে কাফের মনে করে। কারণ, সাহাবীগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পরে আবু বকর (রা.) কে খলীফা হিসেবে মনোনিত করেছেন। তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বলে যাওয়া গুণ-বৈশিষ্টগুলো বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং সে বৈশিষ্টের আলোকে তারা আলী (রা.) কে খলীফা নিয়োগ করে নি। [দ্রষ্টব্য: আল ফারকু বাইনাল ফিরাক, পৃষ্ঠা নং ৩০-৩২]
৫) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পরে যারা আলী এবং তাঁর বংশধর থেকে ইমাম হওয়াকে আবশ্যক মনে করে না তারা কাফের।
৬) আবু বকর (রা.)ও উমরা (রা.)থেকে সর্ম্পক ছিন্ন করা এবং তাদেরকে গালাগালী করা। অনুরূপভাবে আয়েশা (রা.), মুয়াবিয়া (রা.)এবং আমর ইবনুল আস (রা.)কে গালাগালি করা।
৭) জারুদিয়া সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ মনে করে যে, তাদের যে সব ইমাম মারা গেছে তারা পূণরায় ফিরে আসবেন।
৮) তাদের মধ্যে অনেকে মুতা বিবাহ (চুক্তি ভিত্তিক সাময়িক বিয়ে)কে বৈধ মনে করে। [দ্রষ্টব্য: যিয়াদ ইবনে মুনযেরের জীবনী, মীযানুল ইতিদাল-ইমাম যাহাবী। রাফিযাতুল ইয়ামান, পৃষ্ঠা নং ১২৬-১২৮, মুহাম্মদ ইমাম, যায়দিয়া: পরিচয় ও আকীদা-বিশ্বাস, কাযী ইসমাইল আল আকওয়া, পৃষ্ঠা নং ২৪-২৫]
জারুদিয়াদের এসব আকীদা দেখলে বুঝা যাবে, তারা রাফেযীয়া- জাফরিয়া- ইমামিয়া- ইসনা আশারিয়া সম্প্রদায়ের অনেক কাছাকাছি অবস্থান করে।