১
ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর আল-ফাওয়ায়েদ অবলম্বনে মুখতাসারুল ফাওয়ায়েদ
লেখকঃ ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
ফায়েদা: প্রশংসিত বন্দীশালা
আল্লাহ ও পরকালকে অনুসন্ধানকারী ব্যক্তি দু’ প্রকার কয়েদখানায় নিজেকে আবদ্ধ না করা ব্যতীত তা অর্জন করতে সমর্থ হবে না। আল্লাহকে পাওয়া ও তাঁর চাওয়ার কাছে নিজের মন-প্রাণকে কয়েদ করে রাখা, তিনি ব্যতীত অন্য কারো প্রতি ঔৎসুক হওয়া থেকে বিরত রাখা এবং নিজের রসনাকে অনর্থক কথাবার্তা থেকে নিরস্ত রাখা। আর আল্লাহর যিকর ও যেসব কাজে ঈমান ও তাঁর সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি পায় সেসব কাজে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখা। গুনাহ ও প্রবৃত্তির কামনা থেকে নিজের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে বিরত রাখা এবং ফরয ও নফল কাজে নিজেকে রুদ্ধ করে রাখা। অতএব, তার রবের সাথে সাক্ষাত হওয়া ব্যতীত তার এ কারাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলবে না। আর যখন সে তার রবের সাথে মিলিত হবে তখন জেলখানা থেকে চিরমুক্তি লাভ করে প্রশস্ত, মুক্ত ও পবিত্র জান্নাতে অবস্থান করবে।
বান্দা যখন এ দু’টি বন্দীশালায় নিজেকে আবদ্ধ রাখতে ধৈর্যধারণ করতে পারবে না এবং এ কারাগার থেকে পালিয়ে প্রবৃত্তির উম্মুক্ত আকাশে বিচরণ করবে তখন দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার পরে লাঞ্ছনাদায়ক কারাগারে আবদ্ধ থাকবে। অতএব, বান্দা দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার পরে হয়ত বন্দীশালা থেকে মুক্তি লাভ করবে (জান্নাতে যাবে) অথবা বন্দীশালায় (জাহান্নামে) যাবে। আল্লাহর কাছেই তাওফীক কামনা করছি।
বান্দা যখন এ দু’টি বন্দীশালায় নিজেকে আবদ্ধ রাখতে ধৈর্যধারণ করতে পারবে না এবং এ কারাগার থেকে পালিয়ে প্রবৃত্তির উম্মুক্ত আকাশে বিচরণ করবে তখন দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার পরে লাঞ্ছনাদায়ক কারাগারে আবদ্ধ থাকবে। অতএব, বান্দা দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার পরে হয়ত বন্দীশালা থেকে মুক্তি লাভ করবে (জান্নাতে যাবে) অথবা বন্দীশালায় (জাহান্নামে) যাবে। আল্লাহর কাছেই তাওফীক কামনা করছি।