hadith book logo

শয়তানের প্রবেশপথ

লেখকঃ নুমান বিন আবুল বাশার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৭

দ্বিতীয়ত: জামাতের প্রতি লোভ:

ইসলাম জামাতের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করে। কেননা তা শয়তানকে বিতাড়িত করে।

ইসলামের অধিকাংশ এবাদত ও মুআমালাত এই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। শয়তানের ষড়যন্ত্রে থেকে সুরক্ষায় এর প্রভাব সুস্পষ্ট।

(১)জামাতের সঙ্গে নামাজ : রাসূল সা. বলেছেন—

ما من ثلاثة في قرية، ولابدو، لاتقام فيهم الصلاة، إلا قد استحوذ عليهم الشيطان، فعليك بالجماعة، فإنما يأكل الذئب القاصية . رواه أبوداود (৫৪৭) ، والناسائي (৮৪৭) ، وحسنه الألباني في صحيح سنن أبي داود (৫১১).

যে গ্রামে বা পল্লিতে তিনজন একত্রে আছে, অথচ তাদের মধ্যে জামাত কায়েম হয় না, শয়তান তাদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে। হে প্রিয় বন্ধু! তুমি কিন্তু জামাতের প্রতি গুরুত্ব দেবে। কারণ, ছাড়া বকরি বাঘে খায়। তাই জামাতের গুরুত্ব দিতে হবে।

(২) সফরে জামাত : রাসূল সা. বলেছেন—

الراكب شيطان، ولاركبان شيطانان، والثلاثة ركب . رواه أبوداود (২৬০৭) ، والترمذي (১৬৭৪) ،و حسنه الألباني في صحيح سنن أبي داود (২২৭১).

একজন মুসাফির শয়তান, দু’জন মুসাফির দু’ই শয়তান, তিনজন মিলে একটি মুসাফির দল।

(৩) বাড়িতে একত্র সমাবেশ : আবু ছালাবা আল খাশানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. যখন কোন বাড়িতে অবস্থান নিতেন লোকেরা বিভিন্ন উপত্যকা ও ঘাটিতে পৃথক হয়ে যেত। অত:পর রাসূল সা. বলেছেন,

إن تفرقكم في هذه الشعاب والأودية إنما ذلكم من الشيطان، فلم ينزل بعد ذلك منزلا إلا انضم بعضهم إلى بعض، حتى يقال : لو بسط عليهم ثوب لعمهم . رواه أبوداود (২৬২৮) ، وصححه الألباني في صحيح سنن أبي داود (২২৮৮).

বিভিন্ন ঘাটি ও উপত্যকায় তোমাদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়া শয়তানের পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। অত:পর যখনই তিনি কোন বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন একে অপরের সাথে মিলে মিশে থাকত। বলা হয় যদি তাদের ওপর কাপড় বিছিয়ে দেয়া হত সবাইকে তা ঢেকে ফেলত।