আল লু'লু ওয়াল মারজান: হাদিস ১৬১৬
৪৪. সাহাবাগণের মর্যাদা
اللؤلؤ و المرجان
১/২৮ পরিচ্ছেদঃ
কাবীরা গোনাহের বর্ণনা এবং তন্মধ্যে যেটি সবচেয়ে বড়।
১৬১৬
আল লু'লু ওয়াল মারজানحديث حَسَّانِ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ سَعِيدٍ بْنِ الْمُسَيَّبِ، قَالَ: مَرَّ عُمَرُ فِي الْمَسْجِدِ وَحَسَّانُ يُنْشِدُ، فَقَالَ: كُنْتُ أُنْشِدُ فِيهِ، وِفِيهِ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْكَ ثُمَّ الْتَفَت إِلَى أَبِي هُرَيْرَةَ، فَقَالَ: أَنْشُدُكَ بِاللهِ أَسَمِعْتَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: أَجِبْ عَنِّي، اللهُمَّ أَيِّدْهُ بِرُوحِ الْقُدُسِ قَالَ: نَعَمْ
সা‘ঈদ ইব্নু মুসাইয়্যাব (রহঃ)থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) মাসজিদে নববীতে আগমন করেন, তখন হাস্সান ইব্নু সাবিত (রাঃ) কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। তখন তিনি বললেন, এখানে আপনার চেয়ে উত্তম ব্যক্তির উপস্থিতিতেও আমি কবিতা আবৃত্তি করতাম। অতঃপর তিনি আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর দিকে তাকালেন এবং বললেন, আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি; আপনি কি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, “তুমি আমার পক্ষ হতে জবাব দাও। হে আল্লাহ! আপনি তাকে রুহুল কুদুস [জিবরীল (‘আ.)] দ্বারা সাহায্য করুন।” তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ।* [মসজিদে কবিতা আবৃত্তি করতে হাস্সান সাবিত (রাঃ)-এর প্রতি উমার (রাঃ) আপত্তি করাতে তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-কে সাক্ষী হিসেবে পেশ করলেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর উপস্থিতিতেও মাসজিদে কবিতা আবৃত্তি করেছেন।](বুখারী পর্ব ৫৯ অধ্যায় ৬ হাদীস নং ৩২১২; মুসলিম ৪৪/৪৩ হাঃ ২৪৮৫)