তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে “গাইরিল মাগযূবি ‘আলাইহিম অলায্-যাল্লীন” পাঠ করতে এবং ‘আমীন’ বলতে শুনেছি। আমীন বলতে গিয়ে তিনি নিজের কণ্ঠস্বর দীর্ঘ ও উচ্চ করলেন।
সহীহ। ইবনু মাজাহ-(৮৫৫)।
হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক টীকা (Sharh / Notes):
এ অনুচ্ছেদে ‘আলী ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেন: ওয়াইল ইবনু হুজরের হাদীসটি হাসান। নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবা, তাবিঈন ও তাদের পরবর্তীগণ ‘আমীন’ স্বশব্দে বলার পক্ষে মত দিয়েছেন এবং নিঃশব্দে বলতে নিষেধ করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মত গ্রহণ করেছেন। শুবা এ হাদীসটি সালামা ইবনু কুহাইলের সূত্রে তিনি হুজরের সূত্রে, তিনি ‘আলকামার সূত্রে, তিনি তাঁর পিতা ওয়াইলের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাতে আছে: “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘গাইরিল মাগযূবি ‘আলাইহিম অলায-যাল্লীন’ পাঠ করলেন, অতঃপর নীচু স্বরে ‘আমীন’ বললেন।” –শাজ। সহীহ আবূ দাঊদ-(৮৬৩)। আবূ ‘ঈসা বলেন: আমি মুহাম্মাদকে (বুখারীকে) বলতে শুনেছি, এ বিষয়ে শু’বার হাদীসের তুলনায় সুফিয়ানের হাদীস বেশি সহীহ। কেননা শু’বা এ হাদীসের কয়েকটি স্থানে ভুল করেছেন। যেমন তিনি বলেছেন (আরবী) অথচ হবে (আরবী) দ্বিতীয়তঃ তিনি ‘আলক্বামার নাম বাড়িয়ে বলেছেন, অথচ তিনি হাদীসের রাবী নন। এখানে সনদ হবে (আরবী) তৃতীয়তঃ তিনি বর্ণনা করেছেন (আরবী) অথচ হবে (আরবী) আবূ ‘ঈসা বলেন: আমি আবূ যুরআকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শু’বার হাদীসের চেয়ে সুফিয়ানের হাদীসটি বেশি সহীহ। আল-আলা ইবনু সালিহ আল-আসাদী সালামা ইবনু কুহাইল হতে সুফিয়ানের বর্ণনা অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস ফটো স্টুডিও
ইসলামিক ওয়ালপেপার সার্চ, হাদিস কার্ড ডিজাইন ও ডাউনলোড সুবিধা
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।