১
জাকাতের গুরুত্ব, ফজিলত ও ব্যয়ের খাতসমূহ
লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
জাকাতের বিবিধ উপকারিতা:
১. দারিদ্র বিমোচন:
আগেই উল্লেখ করেছি জাকাত দারিদ্র বিমোচনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য দূর করে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর ধনীদের শোষণ ও নিপীড়ন বন্ধে সহায়তা করে। ‘ধনীরা আরো ধনী আর গরিবরা আরো গরিব’ হওয়ার নীতিহীন সনাতনী ধারা বন্ধ করতে পারে একমাত্র এই জাকাত ব্যবস্থা। ইসলামে ধনী ও দরিদ্রের মাঝে ব্যবধান মাত্র চল্লিশ ভাগের একভাগ। অর্থাৎ একজন ধনাঢ্য ব্যক্তির নিকট চল্লিশ লাখ টাকা থাকলে সেক্ষেত্রে অপর জনের নিকট এক লাখ টাকা থাকবে। এভাবে ঠিক মতো জাকাত আদায় করা হলে ক’দিন পরে গরিব বা জাকাত গ্রহণ করার মত লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না!
২. জাকাতের দ্বারা মানুষের সম্পদ বিশুদ্ধ ও পবিত্র হয়:
আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘তাদের সম্পদ হতে আপনি জাকাত গ্রহণ করুন, যা তাদের পবিত্র করবে এবং করবে তাদেরকে পরিশুদ্ধ।’ মানুষের সম্পত্তিতে বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা আর মরীচিকার প্রবেশ ঘটে। এসব দূর করার জন্য আল্লাহ তা‘আলা জাকাতের বিধান প্রবর্তন করেছেন। সেহেতু জাকাত আদায়ের মাধ্যমে মানুষের সম্পত্তি কলুষ ও আবর্জনা মুক্ত এবং পবিত্র হয়।
৩. জাকাত মানুষের সম্পদ বৃদ্ধি করে:
জাকাত আদায় করার দ্বারা মানুষের ধন-সম্পদ বাড়তে থাকে। বরকতে কানায় কানায় ভরে ওঠে মানুষের সম্পদ।
আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন,
يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ أَثِيمٍ ﴿276﴾
৪- জাকাত মানুষকে কৃপণতার নাগপাশ থেকে মুক্ত করে:
জাকাত আদায়ের মাধ্যমে কৃপণতা দূর হয়। মানুষের প্রতি দয়া ও অনুগ্রহের উদ্রেক হয়। সহানুভূতি ও সহযোগিতার হাত প্রলম্বিত হয়।
আগেই উল্লেখ করেছি জাকাত দারিদ্র বিমোচনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য দূর করে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর ধনীদের শোষণ ও নিপীড়ন বন্ধে সহায়তা করে। ‘ধনীরা আরো ধনী আর গরিবরা আরো গরিব’ হওয়ার নীতিহীন সনাতনী ধারা বন্ধ করতে পারে একমাত্র এই জাকাত ব্যবস্থা। ইসলামে ধনী ও দরিদ্রের মাঝে ব্যবধান মাত্র চল্লিশ ভাগের একভাগ। অর্থাৎ একজন ধনাঢ্য ব্যক্তির নিকট চল্লিশ লাখ টাকা থাকলে সেক্ষেত্রে অপর জনের নিকট এক লাখ টাকা থাকবে। এভাবে ঠিক মতো জাকাত আদায় করা হলে ক’দিন পরে গরিব বা জাকাত গ্রহণ করার মত লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না!
২. জাকাতের দ্বারা মানুষের সম্পদ বিশুদ্ধ ও পবিত্র হয়:
আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘তাদের সম্পদ হতে আপনি জাকাত গ্রহণ করুন, যা তাদের পবিত্র করবে এবং করবে তাদেরকে পরিশুদ্ধ।’ মানুষের সম্পত্তিতে বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা আর মরীচিকার প্রবেশ ঘটে। এসব দূর করার জন্য আল্লাহ তা‘আলা জাকাতের বিধান প্রবর্তন করেছেন। সেহেতু জাকাত আদায়ের মাধ্যমে মানুষের সম্পত্তি কলুষ ও আবর্জনা মুক্ত এবং পবিত্র হয়।
৩. জাকাত মানুষের সম্পদ বৃদ্ধি করে:
জাকাত আদায় করার দ্বারা মানুষের ধন-সম্পদ বাড়তে থাকে। বরকতে কানায় কানায় ভরে ওঠে মানুষের সম্পদ।
আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন,
يَمْحَقُ اللَّهُ الرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ أَثِيمٍ ﴿276﴾
৪- জাকাত মানুষকে কৃপণতার নাগপাশ থেকে মুক্ত করে:
জাকাত আদায়ের মাধ্যমে কৃপণতা দূর হয়। মানুষের প্রতি দয়া ও অনুগ্রহের উদ্রেক হয়। সহানুভূতি ও সহযোগিতার হাত প্রলম্বিত হয়।