১
ঈদের তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
(৩) পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া
ঈদগাহে তাড়াতাড়ি যাওয়া উচিত। যাতে ইমাম সাহেবের নিকটবর্তী স্থানে বসা যায় ও ভাল কাজ অতি তাড়াতাড়ি করার সওয়াব অর্জন করা যায়, সাথে সাথে সালাতের অপেক্ষায় থাকার সওয়াব পাওয়া যাবে। ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া হল মোস্তাহাব। হাদিসে এসেছে—
عن علي رضى الله عنه قال : من السنة أن تخرج إلى العيد ماشيا . رواه الترمذي وحسنه وقال : والعمل على هذا عند أكثر أهل العلم : يستحبون أن يخرج الرجل إلى العيد ماشيا، وأن لا يركب إلا بعذر .
আলী রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : সুন্নত হল ইদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া। ইমাম তিরমিজি হাদিসটি বর্ণনা করে বলেন হাদিসটি হাসান। তিনি আরো বলেন : অধিকাংশ উলামায়ে কেরাম এ অনুযায়ী আমল করেন। এবং তাদের মত হল পুরুষ ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাবে, এটা মোস্তাহাব। আর গ্রহণযোগ্য কোন কারণ ছাড়া যানবাহনে আরোহণ করবে না। আর একটি সুন্নত হল : যে পথে ঈদগাহে যাবে সে পথে না ফিরে অন্য পথে ফিরে আসবে। যেমন হাদিসে এসেছে—
عن جابر رضى الله عنه قال : كان النبي إذا كان يوم العيد خالف الطريق .( رواه البخاري )
জাবের রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিনে পথ বিপরীত করতেন। (বর্ণনায় : বোখারি)
অর্থাৎ যে পথে ঈদগাহে যেতেন সে পথে ফিরে না এসে অন্য পথে আসতেন।
তিনি এটা কেন করতেন ? এর ব্যাখ্যায় অনেক উলামায়ে কেরাম বিভিন্ন হেকমত বর্ণনা করেছেন। অনেকে বলেছেন : যেন ঈদের দিনে উভয় পথের লোকদেরকে সালাম দেয়া ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা যায় এ কারণে তিনি দুটো পথ ব্যবহার করতেন। আবার অনেকে বলেছেন ইসলাম ধর্মের শৌর্য-বীর্য প্রকাশ করার জন্য তিনি সকল পথে আসা-যাওয়া করতেন যেন সকল পথের অধিবাসীরা মুসলিমদের শান-শওকত প্রত্যক্ষ করতে পারে। আবার কেউ বলেছেন গাছ-পালা তরুলতা সহ মাটি যেন অধিক হারে মুসলমানদের পক্ষে সাক্ষী হতে পারে সে জন্য তিনি একাধিক পথ ব্যবহার করতেন। আসল কথা হল, হেকমত ও উদ্দেশ্য যাই হোক, আর তা বুঝে আসুক বা না আসুক আমাদের কর্তব্য হল আল্লাহর রাসূল স.-এর সুন্নত অনুস্মরণ করা। (যাদুল-মায়াদ)
عن علي رضى الله عنه قال : من السنة أن تخرج إلى العيد ماشيا . رواه الترمذي وحسنه وقال : والعمل على هذا عند أكثر أهل العلم : يستحبون أن يخرج الرجل إلى العيد ماشيا، وأن لا يركب إلا بعذر .
আলী রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : সুন্নত হল ইদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া। ইমাম তিরমিজি হাদিসটি বর্ণনা করে বলেন হাদিসটি হাসান। তিনি আরো বলেন : অধিকাংশ উলামায়ে কেরাম এ অনুযায়ী আমল করেন। এবং তাদের মত হল পুরুষ ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাবে, এটা মোস্তাহাব। আর গ্রহণযোগ্য কোন কারণ ছাড়া যানবাহনে আরোহণ করবে না। আর একটি সুন্নত হল : যে পথে ঈদগাহে যাবে সে পথে না ফিরে অন্য পথে ফিরে আসবে। যেমন হাদিসে এসেছে—
عن جابر رضى الله عنه قال : كان النبي إذا كان يوم العيد خالف الطريق .( رواه البخاري )
জাবের রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিনে পথ বিপরীত করতেন। (বর্ণনায় : বোখারি)
অর্থাৎ যে পথে ঈদগাহে যেতেন সে পথে ফিরে না এসে অন্য পথে আসতেন।
তিনি এটা কেন করতেন ? এর ব্যাখ্যায় অনেক উলামায়ে কেরাম বিভিন্ন হেকমত বর্ণনা করেছেন। অনেকে বলেছেন : যেন ঈদের দিনে উভয় পথের লোকদেরকে সালাম দেয়া ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা যায় এ কারণে তিনি দুটো পথ ব্যবহার করতেন। আবার অনেকে বলেছেন ইসলাম ধর্মের শৌর্য-বীর্য প্রকাশ করার জন্য তিনি সকল পথে আসা-যাওয়া করতেন যেন সকল পথের অধিবাসীরা মুসলিমদের শান-শওকত প্রত্যক্ষ করতে পারে। আবার কেউ বলেছেন গাছ-পালা তরুলতা সহ মাটি যেন অধিক হারে মুসলমানদের পক্ষে সাক্ষী হতে পারে সে জন্য তিনি একাধিক পথ ব্যবহার করতেন। আসল কথা হল, হেকমত ও উদ্দেশ্য যাই হোক, আর তা বুঝে আসুক বা না আসুক আমাদের কর্তব্য হল আল্লাহর রাসূল স.-এর সুন্নত অনুস্মরণ করা। (যাদুল-মায়াদ)